চকরিয়ায় বদরখালীতে চিংড়িঘেরের শত্রুতা জের ধরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫ প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা

চকরিয়ায় বদরখালীতে চিংড়িঘেরের শত্রুতা জের ধরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫ প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা
মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল , কক্সবাজারের (চকরিয়া)প্রতিনিধি ঃ কক্সবাজারের চকরিয়ায় উপকূলীয় অঞ্চল বদরখালী ইউনিয়নের  ১নং ওয়ার্ডে ঢেমুশিয়া পাড়ায় স্বসস্ত্র সন্ত্রাসীরা দিন দুপুরে হামলা চালিয়ে একটি ঘর ভেঙ্গে গুড়িয়ে ফেলে। ওই ঘরের নারী পুরুষরা প্রাণে বাঁচাতে পাশ্ববর্তী বাড়ী ঘরে আশ্রয় নিলেও হায়নার দলের কবল থেকে রক্ষা পায়নি ২জন নারীসহ ৫ জন। এঘটনাটি ঘটেছে ২৪মে (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১নং ওয়ার্ডের উত্তর নতুন ঘোনার বাসিন্দা বহু মালার হোতাও অন্যের জমি দখলবাজ দলের অন্যতম নেতা আবুল হোছাইন কয়েক দিন ধরে পাস্ববর্তী ঢেমুশিয়া পাড়ার আহামদ মিয়ার পুত্র  রেজাউলকে ওই এলাকার দাঙ্গাঘোনা দখলের জন্য তাদের সাথে যেতে বার বার অনুরোধ করে আসছেন। এতে রেজাউল তাদের কথায় সাড়া না দেয়ায় রেজাউলের বাড়ীতে একদল ডাকাত  আশ্রয় নিয়েছে বলে বদরখালীর পুলিশ ক্যাম্পের আইসি অরুণ কুমার চাকমাকে খবর দেন আবুল হোসন গংরা। এ সংবাদ পেয়ে সংর্গীয় ফোর্স নিয়ে এস আই অরুণ কুমার চাকমা  গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় ওই বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে কাউকে না পেয়ে ক্যম্পে ফিরে যান।  পরবর্তীতে ঘরের মালিক রেজাউল পুলিশের সাথে যাওয়া তমিজ থেকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে মোবাইলে দীর্ঘক্ষণ তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ড হয়। উক্ত ঘটনার রেশ ধরে পরবর্তীদিন (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টায় আবুল হোসনের নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের একদল সন্ত্রাসী রেজাউলের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। সন্ত্রাসীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে ওই ঘরের নারী পুরুষরা দিকবিদিক ছুটে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে এলোপাতাড়ি কোঁপিয়ে জখম করে। এ সময় ঘরের মালিক রেজাউল প্রাণ বাচাতে অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আবুল হোসনের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানেও তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাত্ব করে মৃত্যু ভেবে উল্লাস করতে করতে সন্ত্রাসীরা চলে যায়।
উক্ত সংবাদ পাওয়ার পর বদরখালী নৌ পুলিশ ফঁাড়ির আইসি অরুণ কুমার চাকমা সংগীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঘরের মালিক রেজাউল, তার স্ত্রী শাকেরা বেগমও তার শাশুড়ী নাছিমা খাতুনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্বার করে চিকিৎসার জন্য চকরিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে কক্সবাজার  মেডিকেল হাসপতালে প্রেরণ করেন। অপর আহত বাদলও রাসেলকে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে পুলিশ ক্যাম্পের আইসি অরুণ কুমার চাকমা থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আহতদেরকে  আমি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করি।এর পর পরই  লোক মারফত সংবাদ পেয়ে আহত রেজাউলের বাড়ীর সীমানার লাগোয়া চলাচলের পথে বন্দুক পড়ে আছে,এসংবাদের ভিত্তিতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি কাটা বন্দুক উদ্ধার করেছি। তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষের  লোকজনকে ফাঁসানোর জন্য এ কৌশল অবলম্ভন করে প্রকৃত অপরাধীর লোকজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*