জাতির পিতার সহধর্মিনী মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফতিলাতুননেছার ৮৯তম জন্মদিন পালিত

জাতির পিতার সহধর্মিনী মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফতিলাতুননেছার ৮৯তম জন্মদিন পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য যে নারীর ত্যাগ, অবদান ও প্রেরণার কাছে ঋণী তিনি হলেন বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব (রেনু)। মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা’র ৮৯তম জন্ম দিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ৮ আগস্ট ২০১৮ খ্রিঃ মঙ্গলবার দপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল ও কলেজ মিলনায়তনে শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে ‘জাতির পিতার জীবনে শেখ ফজিলাতুন নেছার প্রভাব’ শীর্ষক আলোচনা সভা, শেখ ফজিলাতুন নেছার জীবন ভিত্তিক বই বিতরণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। নগরীর ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চসিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মহীয়সী নারী শেখ ফজিলাতুন নেছার জীবন ও কর্ম বিষয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুর রহিম। ‘জাতির পিতার জীবনে শেখ ফজিলাতুন নেছার প্রভাব এবং তার জীবন ও কর্মের উপর আলোকপাত করে আলোচকগণ বক্তব্য রাখেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি পেশাজীবী নেতা প্রখ্যাত সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন ৩৩নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু। আলোচনা করেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ সাহেদুল কবির চৌধুরী, প্রভাষক আবদুল হক, আবু সাঈদ নূরী, জহির সিদ্দিকী, সাঈদুল আনোয়ার, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সাহিত্য চর্চার পরিষদের সভাপতি সালাউদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারী, অনিন্দ্য দেব, ইরফান উদ্দিন, মোঃ হানিফ হোসেন, উচ্ছ্বাস-এর সভাপতি আবদুল আজিম, সালমান রশিদ, জাকির হোসেন সহ অন্যরা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাঁর জীবন এবং যৌবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন, দেশ ও জনগণের সেবায়। বিভিন্ন সময়ে তিনি কারাভোগ সহ নানা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর সেই সময়গুলোতে কান্ডারীর মতো হাল ধরেছিলেন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। প্রধান আলোচক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব বলেন, বাঙালির স্বপ্ন আকাংখা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ মুজিবের বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠার পেছনে বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদান ছিল অসামান্য। বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু বলেন, জাতির জনকের স্ত্রী হয়েও বেগম মুজিব রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করেননি। সভাপতির বক্তব্যে কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক বলেন, বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব একদিকে যেমন শক্ত হাতে সংসার সন্তানদের সামলিয়েছেন, তেমনি নিজের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়াকে অতিক্রম করে স্বামীর সংগ্রামের সহযোদ্ধা হিসেবে নীরবে ছায়া সঙ্গীর মতো যুগিয়েছেন সাহস ও উদ্দীপনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*