টানা বর্ষণে ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত

টানা বর্ষণে ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি ;;  ফটিকছড়িতে গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে বিভিন্ন অঞ্চল।যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে প্রধান সড়ক সমূহে। ইতোমধ্যে উপজেলার ফটিকছড়ির পৌরসভা,নাজিরহাট পৌরসভসহ প্রায় ইউনিয়ন বন্যার পানিতে ভাসছে।চারদিকে পানি আর পানি, ভারি ববর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে চরম ভাবে।। পানি বন্দি হয়ে পড়ছে লাখো মানুষ। ইতোমধ্যে হালদা,সর্তা খাল, ধুরুং খালের পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শংকায় দিন যাপন করছ পাড়ের বাসিন্দারা। ভাঙ্গা বাঁধ পাড়ের ব্যাপক ভাঙ্গণ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ধর্মপুরে অনেক ঘরে পানি ডুকেছে। র্সতা খালে পানি আরো বাড়ছে বলে জানান ঐ এলাকার সাংবাদিক সোলাইমান আকাশ। সাংবাদিক আলমগীর নিশান জানান,রাতে কাঞ্চন নগরে ধরুং খালের চরে আটকা পড়া নারী-শিশু সহ আট জনকে অসীম সাহসীকতার সাথে কলা গাছের ভেলায় করে উদ্ধার করেছে স্থানীয় যুবকরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায়। ফটিকছড়ি পৌরসভা কাউন্সিলর ও সাংবাদিক রফিকুল আলম জানান, ফটিকছড়ি সদর, সুন্দরপুর, পাইন্দং এলাকায় ধুরুং খালের পানি প্রবেশ করছে । ফটিকছড়ির ধুরং খালের পানিতে বেড়াজালী, পশ্চিম কাঞ্চননগর প্লাবিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আরো বহু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউপি’র বেড়াজালী (এনায়েতুল হক চৌধুরী) লুলি চৌধুরীর বাড়ীর দক্ষিন পাশ দিয়ে পাখি মেম্বারের ঘরের সামনে দিয়ে ধুরং খালের বাঁধ উপছে বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সে সাথে শত শত বসত ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। স্থানীয় হাজারো এলাকাবাসী আতংন্কের মধ্যে রয়েছে বলে জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার।তিনি আরো জানান,ইতোমধ্য কয়েকটি পুকুর পানিত ডুবে গেছে। এদিকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় ফটিকছড়ির আরো বহু এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসব এলাকার সড়ক,পুকুর,বসত ঘর পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। হালদা নদী ও ধুরং খালের পূর্বের ভাঙ্গা বাঁধ মেরামত না করার কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে উপজেলার পশ্চিম কাঞ্চন নগর গ্রাম ও কাঞ্চননগর বাজার ধুরং খালের পানিতে সড়ক সহ শত শত পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। সড়কের উপর দিয়ে ৩ থেকে ৬ ফুট উচ্চতায় বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা যায়। বন্যার পানিতে চাষের জমিসহ অনেক পুকুর ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উপজেলার নাজিরহাট,বিবিরহাট,নানুপুরের বাজার ও বাজার সংলগ্ন এলাকা জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে আরো বিভিন্ন এলাকা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় বলেন,এলাকার জনপ্রতিনিধিদের জনসাধারনের খবরা খবর রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমিও খোঁজ খবর নিচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*