তানোরে বেড়েই চলেছে রহমান কোল্ড ষ্টোরের দূষণ সন্ত্রাস,প্রদক্ষেপ নেই প্রশাসনের!

তানোরে বেড়েই চলেছে রহমান কোল্ড ষ্টোরের দূষণ সন্ত্রাস,প্রদক্ষেপ নেই প্রশাসনের!

সারোয়ার হোসেন,তানোর: রাজশাহীর তানোরে বন্ধ করা যাচ্ছে না মেসার্স রহমান হিমাগারের দূষণ সন্ত্রাস তারা আবারো নতুন করে তাদের দূষণ সন্ত্রাস শুরু করেছে এতে সাধারণের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গতকাল বৃহ¯প্রতিবার থেকে আবারো রহমান হিমাগারের পচাঁ ও দুর্গন্ধযুক্ত আলু রাস্তার পাশের জেলা পরিষদের ডোবায় ফেলা হচ্ছে। ফলে এসব পচাঁ আলুর দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ দূষিত, জনজীবন অতিষ্ঠ ও মারাতœক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। অন্যদিকে এভাবে বিপুল পরিমাণ আলু পচাঁয় কৃষকরা চরম ক্ষতির মূখে পড়েছে, প্রায় প্রতিবস্তায় ৫ থেকে ১০ কেজি করে আলু পচে নষ্ট হচ্ছে। কৃষকরা বলছে, কারিগরি ও যান্ত্রিক ক্রটির কারণে এভাবে আলু পচে নস্ট হচ্ছে। কারণ হিমাগারের নির্মাণকাজ সম্পন্ন না করেই তারা আলু সংগ্রহ শুরু করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানোর-মুণ্ডুমালা রাস্তার দেবিপুর মোড়ে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন না করেই মেসার্স রহমান হিমাগার নির্মাণ করা হয়েছে। এদিকে হিমাগারের পচাঁ ও দুর্গন্ধযুক্ত আলু ফেলে রাস্তার দু’পাশে জেলা পরিষদের (সম্পত্তি) জলাধার ভরাট করা হচ্ছে। এতে রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে জনসাধারণকে চরম দুর্গোভ পোহাতে হচ্ছে। এঝাড়াও জলাধার সংলগ্ন যোগীশো সাঁওতাল পল্লীর বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগের প্রকপ। সাঁওতাল পল্লীর বাসিন্দা আগনে হাসদা (৫৫) ও মাটিনা সরেন (৪৪) বলেন, পচাঁ আলু ফেলায় জলাধারের পানি পান করে অনেক ছাড়ল-ভেঁড়া অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারা বার বার বলার পরেও হিমাগারের লোকজন তাদের কথা শুনছেন না। তারা আরো বলেন, জলাধারে পচাঁ আলু ফেলার কারনে পুরো এলাকাজুড়ে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। তারা ভাত খেতে বসলেও পচা আলুর দুর্গন্ধ নাক মুখ দিয়ে দেহের মধ্যে যাচ্ছে আবার রাতে বাতাসে দুর্গন্ধের পরিমাণ এতই বেশি ঘুমিয়ে থাকা যাচ্ছে না ।
এব্যাপারে রহমান হিমাগার ম্যানেজার নুরুল জানান, দেবীপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের অনুরোধে এসব দুর্গন্ধযুক্ত পচাঁ আলু ফেলে রাস্তার পাশে জেলা পরিষদের জলাধার ভরাট করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মাণিকের হুকুমে এসব ফেলা হচ্ছে আপনাদের (সাংবাদিক) কিছু করার থাকলে করবেন এতে কোনো বাধা নাই। এব্যাপারে রহমান হিমাগারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান বলেন, রাস্তার ধারে দুর্গন্ধযুক্ত পচাঁ আলু ফেলতে নিষেধ করা হয়েছে, তার পরেও যদি ফেলে তাকে তাহলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। এ নিয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাঃ শওকাত আলী বলেন, লোক পাঠিয়ে আলু ফেলা বন্ধ করে দেয়া হবে। এব্যাপারে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) রোজী আরা বলেন, পচাঁ আলুর দুর্গন্ধ অবশ্যই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর জনবহুল বা খোলা জায়গায় এসব আলু ফেলা ঠিক নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*