নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা( সিএমএম)আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা( সিএমএম)আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

কে.এইচ.নজরুল ইসলাম, নরসিংদীঃ নরসিংদী জেলা মনোহরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম খান বীরুসহ দুই জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাক(সিএমএম)আদালত।১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ আদেশ জারি করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদি পক্ষের আইনজীবি সাহাদাত হোসেন ফকরুল।মামলার এজাহার ও তদন্ত কর্মকর্তার আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স মিয়াজ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক মিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।ব্যবসা পরিচালনাকালে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান বীরুর মাধ্যমে মনোহরদীর পাঁচকান্দি এলাকার মোখলেছুর রহমান লিবিয়ার ৩৮০টি ভিসা আদান-প্রদান সংক্রান্ত একটি ব্যবসায়ীক চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক মোখলেছুর রহমান ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবহিত করে মিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া বিভিন্ন সময় মোখলেছুর রহমানকে মোট ১ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে লিবিয়ায় কর্মী নেওয়া কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেলে মিয়াজ উদ্দিন উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান ও মোখলেছুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করেন। এই মর্মে বিবাদীগনকে উকিল নোটিশও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতে কোন কাজে আসেনি। পরবত্তীতে মিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া বাদি হয়ে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদাল (সিএমএম)তে একটি মামলা দায়ের করেন জাহার মামলা নং-১৫০১/১৭ ধারা-৪০৬/৪২০/৪৬৮/৪৭১/১০৯ দঃবিঃ। আদালত তদন্তের জন্যে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। পরে তদন্তকারী কর্মকতা আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রতিবেদন দাখিল করেন।এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার(১৪ মে) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান বীরু ও মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরু সাংবাদিকদের বলেন, আমি তো কারও সঙ্গে লেনদেন করিনি।ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে।মিয়াজ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের মালিক মিয়াজ উদ্দিনের সঙ্গে পাঁচকান্দি এলাকার মোখলেছুর রহমানের লিবিয়ার ভিসা সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এতে আমাকে মৌখিকভাবে একবার স্বাক্ষী রেখেছিল।মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফখরুদ্দীন ভূইয়া বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কোন কাগজপত্র আমার হাতে এখনো আসেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*