ফটিকছড়িতে লিচুর ভাল ফলন,বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে

ফটিকছড়িতে লিচুর ভাল ফলন,বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,ফটিকছড়ি ;; ফটিকছড়ির হাটবাজারে জমজমাটভাবে বিক্রি হচ্ছে লিচু। তবে দাম চড়া। তাই মিষ্টি ও সুস্বাদু লিচু অনেকটা সাধারনের নাগালের বাইরে। উপজেলান নাজিরহাট,বিবিরহাট,নানুপুর,আজাদীবাজার,কাজিরহাট ,নারায়নহাট,হেয়াঁকো বাজারে গিয়ে দেখা যায় প্রচুর পরিমান লিচু বাজারে আসছে। স্থানীয় লিচু প্রতি শত ১০০-১৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চায়না-২,চায়না-৩ লিচু বিক্রি হচ্ছে প্রতি শত ২০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতা সায়মন বলেন,লিচুর মূল্য বেশি তাই চাহিদানুযায়ী ক্রয় করতে পারছিনা। বিক্রেতা এসকান্দর বলেন,বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে তাই বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আর কিছু দিন পর দাম কমবে।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে লিচুর ভাল ফলনও হয়েছে। ফটিকছড়ির পাহাড়ি এলাকার মাটি উর্বর বেলে দোআঁশ হওয়ায় লিচু চাষের জন্য উপযোগী। এ বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় পোকার আক্রমণ কম ও ফল ফাটেনি। যার ফলে চাষিরা লাভের মুখ দেখছে।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০০ হেক্টর ভূমি। চাষ হয়েছে ১০৬ হেক্টর ভূমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৯০ মেট্রেক টন। তা অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বেশি চাষকৃত এলাকা হচ্ছে পাহাড়ি এলাকা। বাগানবাজার, দাঁতমারা, হারুয়ালছড়ি, কাঞ্চননগর, নানুপুর, সমিতিরহাট ইউনিয়ন উল্লেখ্যযোগ্য। চাষিরা চাষ করেছে চায়না-২, চায়না-৩, চায়না-৪, বারি লিচু-৩, বারি লিচু-৪ জাতের লিচু উল্লেখ্যযোগ্য। গাছ প্রতি লিচুর ফলন প্রায় ২০০০-৮০০০ টি। (১০০-১৫০ কেজি)। উল্লেখযোগ্য চাষী কাঞ্চননগর নলুয়া টিলার আমানউল্লাহ, হারয়ালছড়ির জয়নাল ও রহিম স্যানিটারী। লিচু চাষি রহিম স্যানিটারি বলেন,লিচুর ভাল ফলন হয়েছে। ইত্যেমধ্যে পাইকারী ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করতে শুরু করেছি।
ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার,লিটন দেবনাথ বলেন,উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ফটিকছড়ি লিচু চাষীদের কারিগরি পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। যার ফলে ভাল ফলন হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*