ফেনীতে ৪নং আনন্দপুর ইউনিয়ন’র পরিষদ জায়গার সল্পতার কারনে ভবন বরার্দ্দ …

ফেনীতে ৪নং আনন্দপুর ইউনিয়ন’র পরিষদ জায়গার সল্পতার কারনে ভবন বরার্দ্দ …

মোঃ ইউনুছ ভূঞাঁ সুজন, ফেনী জেলা প্রতিনিধিঃ ফেনীতে ৪নং আনন্দপুর ইউনিয়ন’র পরিষদ জায়গার সল্পতার কারনে ভবন বরার্দ্দ থেকে বন্চিত। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট একটি কক্ষের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যলয় ও তার পাশে রয়েছে গুদাম। ভবনটি প্রায় ৫০বছর পূর্বের হাওয়ায় ভবনের অধিকাংশ জায়গায় ছোট ছোট পাটলের মত দাগ ইটের উপর থাকা লেপ ও রং খসিয়ে পড়েছে। ফেনী জেলার মধ্যে যে সব ইউনিয়ন বা চেয়ারম্যানদের কার্যালয় রয়েছে সব চেয়ে অবহেলিত ভবন হলো ৪নং অানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ হারুন মজুমদার কার্যালয়। জানা যায়, বর্তমান ফেনী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজিজ আহম্মেদ চৌধুরী ১৭-১২-১৯৭২ থেকে , ১০–০২-১৯৯৮ সাল পর্যান্ত ৪নং আনন্দ পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারনের মতে সু-দীর্ঘ ৪যুগ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যান্ত নতুন ভবনের মুখ দেখতে পাইনি ৪নং আনন্দ পুর ইউনিয়ন বাসী। যার ফলে বর্তমান সরকারের ইউনিয়ন ভিত্তিক ডিজিটাল ভাবে জনসেবা ও উন্নায়ন মূলক কার্যক্রম সাধারন জনগের ধৌরগোড়ায় পৌছাতে নতুন ভবন গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্তকরেন স্থানীয় জনসাধারন। স্থানীয় জনগনের মতে, জায়গায় সল্পতার কারনে একাদিক বার এল. জি.ডি বরার্দ্দ পাওয়ার পরও ভবনটি নতুন ভাবে নির্মান করা সম্ভব হয়নি। ৪নং অানন্দ পুর ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি বরার্দ্দা হলে একদিকে আমরা জনসাধারন যেমন ডিজিটাল ভাবে সেবা পাবো অন্যদিকে সরকারের ডিজাটাল ব্যবস্থার কার্যক্রম আরো ব্যাপক ভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে সাধারন জনগন মনে করেন। ৪নং আনন্দ পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ হারুন মজুমদার বলেন, একাদিক বার নতুন ভবন ব্যপারে ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান’র কে আনন্দ পুর ইউনিয়নের বিভিন্ন্ অনুষ্ঠানে আমনন্ত্র জানানো হয় ও তাঁর সু-পুরামর্শ চাওয়া হয় কিন্তুু তাতে কোন সুফল পাওয়া যায়নি। সু-দীর্ঘ ৪যুগ ফেরিয়ে গেলও এখন পর্যান্ত আনন্দপুর বাসী নতুন ভবনের মুখ দেখেনি। গত কয়েক বছরে ৪নং আনন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ হারুন মজুমদার দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে বর্তমানে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার উন্নায়ন মূলক কাজ বৃদ্ধি ও রাাস্তা সংস্কার ও নতুন রাস্তা বরার্দ্দের কাজ প্রায় ৯৮ ভাগ শেষ হয়েছে বলে জানাযায়। এছাড়াও সম্প্রতিক সময়ে তিনি বিভিন্ন স্কুল কলেজের খেলা-ধুলার অায়োজন করে সাংস্কৃতিক অংঙ্গনে ব্যপক প্রসংশা কুডিয়েছেন। মাদক কে না বলুন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ুন। তিনি বর্তমান সরকারের মাদকের বিরেদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা কথা মাথায় রেখে তিনি তাঁর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন। মাদকের বিরোদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক গনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্কুল,কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনাতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে তাঁর অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয় জনসাধারনের মতে, যদি ভবনটি বর্তমান অবস্থিত ইউনিয়ন পরিষদের জায়গার মধ্যে হয় তাহলে ইউনিয়নবাসীর যতেষ্ট উপকার হবে বলে জানান। এদিকে নতুন ভবনটি করতে হলে ওয়াকর্ফ কৃত ভূমি তে নতুন ভবন তৈরী বা ভবনটি সংস্কার করা হলে আনন্দপুর বাসীর মাঝে ডিজিটাল সেবা আরো বহুগুন বৃদ্ধি পাবে বলে সাধারন জনগনের প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*