বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত নলজুরী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়

বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত নলজুরী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়

পি আর বি দুর্জয়(সিলেট) থেকেঃ ২০১১ সালে অত্র এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে আশপাশের নলজুরী,আমস্বপ্ন ও খাসিহাওরসহ ৭ টি গ্রামের সচেতন অভিভাবকগন নলজুরীতে একটি হাই স্কুলের প্রয়োজনীয়তা মনে করেন। এলাকাবাসীর সকলের সহযোগীতায় শফিকুল ইসলাম আজাদের উদ্যোগে ০১/০১/২০১২ সালে ষষ্ঠ থেকে দশম মাত্র ০৮ জন শিক্ষার্থী নিয়ে নলজুরী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করে।বর্তমানে নির্বাহী ও পরিচালনা কমিটি দ্বারা স্কুলটি পরিচালিত হচ্ছে।শুরুতে শিক্ষার্থী কম ছিল বিধায় ১০-২০ বর্গফুট একটি টিন সেটের কক্ষ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা হত।অত্র এলাকার দুই পাশে আরও দুটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে, দুরুত্ব প্রায় ০৬ কিলোমিটার এবং সড়কপথে পাবলিক বাসে চড়ে এই এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মাধ্যমে বিদ্যালয়ে যেতে হয় বিধায় সচেতন অভিবাবকগন তাদের কোমলমতি বাচ্চাদেরকে স্থানীয় নলজুরী সপ্তগ্রাম হাই স্কুলে প্রেরন করেন।সকলের সার্বিক সহযোগীতায় ও শিক্ষার মান ভালো হওয়ায় ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।বর্তমানে এই স্কুলের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় তিনশ’র উপরে।কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, স্কুলটির শিক্ষার মান ভালো এবং যথেষ্ট শিক্ষার্থী থাকলেও নেই যথেষ্ট পরিমান শ্রেনীকক্ষ,নেই কোন বাথরুম ব্যবস্থা।বর্তমানে এর দুটি ১০-২০ বর্গফুট রুমের মধ্যে এই তিনশ শিক্ষার্থীসহ অফিস কক্ষের জন্য নেই পর্যাপ্ত জায়গা।সরকারি অনুদান ও উপবৃত্তি হতে বঞ্চিত এই স্কুল।২০১৫ সালে স্থানীয় শিক্ষা মন্ত্রনালয় পাঠদানের অনুমতি দিলে ২০১৬ সালে EIIN 137820 পায় স্কুলটি।স্বীকৃতির জন্য আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালনা কমিটি। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষার মান যথেষ্ট ভালো আছে। কিন্তু আমরা মনে করি জরুরী ভিত্তিতে স্কুলে একটি ভবনের প্রয়োজন।তা না হলে অচিরেই ঝরে পরতে পারে এই শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উনারা নিজেদের সাধ্যমতো মন উজাড় করে শিক্ষা নিবেদন করলেও পর্যাপ্ত জায়গা,বেঞ্চ ও অর্থের অভাবে স্কুলের ভবিষ্যৎ হয়তবা কোন সফলতা দেখাতে পারবে না যদি স্থানীয় শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর জরুরী ব্যবস্থা না গ্রহন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*