ব্যয় ৬৬ কোটি ৭৪ লক্ষ ও ৩ কোটি আয় চন্দনাইশ পৌর বাজেট ঘোষণা

ব্যয় ৬৬ কোটি ৭৪ লক্ষ ও ৩ কোটি আয় চন্দনাইশ পৌর বাজেট ঘোষণা

মোঃ নুরুল আলম:চন্দনাইশ পৌরসভার ২০১৮–১৯ অর্থ বছরেরপ্রস্তাবিত বাজেট গতকাল (বুধবার) বিকালে পৌরসভা মিলনায়তনে ঘোষণা করেছেন মেয়র মাহাবুবুল আলম খোকা। এতে রাজস্ব খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৪লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরাহয়েছে ৬৩ কোটি ৭০ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা।সর্বমোট ব্যয় ৬৬ কোটি ৭৪ লক্ষ ৮৩ হাজারটাকা। যা গত বছরের তুলনায় ২১ গুণ বেশি।আয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ১৯ লক্ষ ৪০ হাজারটাকা। বাজেটে সর্বোচ্চ আয় ধরা হয়েছে ৯০ লক্ষটাকা সম্পত্তি হস্তান্তর কর থেকে। সর্বোচ্চ ব্যয়ধরা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা পানির লাইনস্থাপনে। তাছাড়া চন্দনাইশ সদর বাজারেঅত্যাধুনিক ১০ তলা ভবন ও খানহাটবাজারে ৪ তলা ভবন নির্মাণ করারপরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে তিনিজানান। প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করার পূর্বে সংক্ষিপ্তবক্তব্যে মেয়র খোকা বর্তমান সরকারেরউন্নয়নমূলক কর্মকা– তুলে ধরে পৌরবাসীরকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।সে সাথে পৌরসভার সমস্যাগুলো শনাক্ত করেপর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করারঅভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি চন্দনাইশপৌরসভাকে নান্দনিক পৌরসভায় রূপান্তরিতকরতে তাদের ভিশন ১৭টি প্রস্তাবনা পেশকরেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চন্দনাইশপৌরসভার সদর কাঁচা বাজারে ১০তলাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক মার্কেট নির্মাণ, ৪তলাবিশিষ্ট খানহাট বাজার নির্মাণ কাজ শুরু হবে।১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌরবাসীর পানিসরবরাহ নিশ্চিতকরণ, সাড়ে ৬ কোটি টাকাব্যয়ে আধুনিক অডিটরিয়াম নির্মাণ ও ১৪কোটি টাকা সড়ক সংস্কারের জন্য বরাদ্দচাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ কোটি ৯৮ লক্ষটাকা বরাদ্দ পেয়েছেন বলে তিনি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলরমোজাম্মেল হক চৌধুরী, নুরুল ইসলাম বাচা, শাহাদত হোসেন খোকন, শাহ আলম, নাছিরউদ্দিন, জান্নাতুল ফেরদৌস, হোসনে আরাবেগম, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম চৌধুরী, মাস্টার মাহফুজ মিয়া, নুরুল ইসলাম বেলালউদ্দীন, নুরুল আলম, মো. ফারুক, যুবলীগনেতা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, নাছির উদ্দিনচৌধুরী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. দেলোয়ারহোসেন, সাংবাদিক এস.এম. রহমান, এস.এম. মহিউদ্দীন, তোরাব আলী, এস.এম. রাশেদ, এম.এ. ফয়েজ, এম এরশাদ হোসেন, এম.এ. মহসিন, শাহাদাত হোসেন প্রমুখ। পৌরবাসীরা বলেন, বাজেটের আকারপ্রতিবারেই বাড়ে। বাস্তবায়ন হয় না। এবারেরবাজেটও বাস্তবায়ন হবে কিনা এ প্রশ্ন ছুঁড়েদিয়েছেন অনেকেই। তবে বাজেটটি প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ দিয়ে করা হয়েছে। নির্বাচনেরবছর হওয়ায় অর্থ ছাড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।বাজেটের ইতিবাচক দিক হচ্ছে প্রকল্প ভিত্তিকবরাদ্দ রাখা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*