রাউজানে অসংখ্য পুকুরের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে : জন স্বাস্থ্য হুমকির মুখে

রাউজানে অসংখ্য পুকুরের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে : জন স্বাস্থ্য হুমকির মুখে

রাউজান প্রতিনিধি ;; উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে রাউজানের বিস্তীর্ণ এলাকার শত শত পুকুরের দূষিত পানির ডুকে পড়ে । এই দুষিত পানির কারণে ইতিমধ্যেই পুকুরে খালে বিলে বহু মাছ মরে গেছে।পানি দুষনের কারনে সেসব পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষ পানীয় জল এবং নিত্য ব্যবহার্য পানির সংকটে ভূগছে। নি¤œআয়ের অনেক মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সেদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের কোনো নজর নেই বলে অনেকের ক্ষেভ প্রকাশ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় যা ঘটেছে তা দুর্যোগ। যার কিছুটা প্রাকৃতিক আর কিছুটা মানুষের সৃষ্টি। কিন্তু এদিকে প্রশাসনের কোনো নজর নেই। এই নিয়ে অনেকের জানান, এলাকার আশপাশের অসংখ্য পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নি¤œআয়ের লোকজন যারা এসব পুকুরের পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা পেটের পীড়া, চর্মরোগসহ বিভিন্ন ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। বাগোয়ান পাচখাইন এলাকার শিক্ষানুরাগী স.ম.জাফরউল্লাহ জানান, এলাকার সব পুকুুের মাছ এবং বিশুদ্ধ পানিতে ভর্তি ছিল। এখন আর নেই। তাদের পারিবারিক পুকুরসহ আশপাশের সব পুকুরে দুর্গন্ধযুক্ত পানি প্রবেশ করেছে। সব পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুকুরের পানি ব্যবহার উপযোগী করার জন্য অনেকেই চুন, লবন, পটাশ ফিটকিরি ফেলেছেন। তবুও পানি ব্যবহার নিয়ে সংক্ষিত। দক্ষিণ রাউজান পুর্বগুজরা এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক রমজান আলী জানান, তাদের আশে পাশের পুকুরে ও বিলে অনেক মাছ মরেছে। অনেকের নিজষ শখের বসে পুকুরের মাছগুলি না খেয়ে বড় করছিলেন হঠাৎ বৃষ্টি আর পাহাড়ী ঢলের পানি অশ্বাবাবিক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই এলাকার অসংখ্য পুকুরের মাছ ভেষে গেছে। এছাড়াও সব পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে দুষিত পানির কারণে এখন যারা গরু, ছাগল পালন করে তাদের এই সব পশুদের পানি পান করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে পুকুরের পানি দিতেন। এখন থেকে টিউবওয়েলের পানি খাওয়াতে ব্যবহার ও হচ্ছে। রাউজানের হলদিয়া ইউনিয়ন থেকে শুরুকরে বিভিন্ন এলাকার প্রতিটি পুকুরে দুর্গন্ধযুক্ত পানি প্রবেশ করেছে। ঈদের পর মানুষের ঘরে ঘরে ডায়ারিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। নিচু এলাকায় দুষিত পানির কারণে পানিবাহিত রোগ ব্যাধি ছড়াচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের কোন আনাগোনা নেই বলে জানান এলাকার সচেতন মহল। নোয়াপাড়া আমির মার্কেটের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইফতিকার আলম ইফতি জানান, নোয়াপাড়া পথেরহাট ভুমি মসজিদ পুকুরের পানি ময়লা আবরজনা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি প্রবেশ করেছে এতে পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ।এই পুকুরের পানি ব্যবহার কারী একাধিক ব্যক্তি এই প্রতিবেদককে জানান পথেরহাট ভুমি মসজিদ পুকুরে ময়লা আর্বজনা ও কচুরিফানায় ভর্তি হয়ে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে এই পানি ব্যবহারে হাতে পায়ে চুলকানি শুরু হচ্ছে। উপজেলা চিকদাইর ইউনিয়নের ৪নং ওয়াডের এলাকার মোঃ তারেক জানান, গইয়া মোহাম্মদ বাড়ীর এই ৪টি পুকুরে ও নাজিমুদ্দিন মুন্সির বাড়ীর পুকুরের লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে। এবং পুকুরে দুষিত পানি প্রবেশ করায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাউজানের বিভিন্ন এলাকা পরির্দশনে দেখাযায় শত শত পুকুরে কচুরিফানা আর নানা আর্বজনায় র্ভতি এসব পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে তার পরও অপরিছন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে দিনের পর দিন। এসব পুকুরের পানি ব্যবহারে মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন নজরদারী নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার সচেতন মহল। রাউজান স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডা. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পুকুরের দূষিত পানি পেটে গেলে আমাশয় এবং ব্যবহারের চর্ম রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই তিনি এই সব পুকুরের পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*