রাউজানে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

রাউজানে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

শাহাদাত হোসেন , রাউজান চট্টগ্রাম ;; হালকা বৃষ্টি ও হালকা রোদ এর পরও জমে উঠেছে রাউজানের ঈদ বাজার।আগেভাগেই ঈদের কেনাকাটায় অব্যস্থদের পদচারনায় প্রতিটি দোকানে নারী পুরুষদের হালকা ভীর। তবে ১০ রমজানের পর হতে শতভাগ পুরোধমে বেচা কেনা চলবে এমনটি আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। রাউজানের ফকিরহাটের পুরানো ও বড় কাপড়ের ব্যবসায়ী সাজনুরের স্বত্তাধিকারী সৈয়দ হারুনুর রশীদ জানান এবারের ঈদকে সামনে রেখে ইন্ডিয়ার চুন্দ্রি কাতান,চায়না সিল্ক,পাকিস্থানী জর্জেট,দেশিয় মসলিন,জামদানী,কাতান শাড়ীর চাহিদা অনেক বেশী।এ ছাড়া ত্রীপিস টুপাট কুটি,পাকিস্থানী,ইন্ডিয়ান,রেডিমেট লংগ্রাওন,লং ত্রিপিচ,বম্বে গ্রাউন ও দেশীয় চাহিদা অনেক।পাশাপাশি পাকিস্থানী,বম্বে,মিশরি ও দেশীয় পান্জাবির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।ব্যবসায়ী হারুন আরো জানান গত বছর বন্যার কারনে রমজানের প্রথম সাপ্তাহে যতটুকু বিক্রি করেছিলাম এ বছর প্রথম সাপ্তাহে তার ডাবল বিক্রি করেছি আল্লাহর রহমতে।তারমতে এবারের ব্যবসা খুব জমজমাট হবে।উপজেলার বৃহত্তর ফকিরহাট,পথেরহাট,গহিরা বাজার,আমিরহাট,পাহাড়তলি,গচ্ছি নয়াহাট,রমজান আলীরহাট,সোমবাইজ্জাহাট,জিয়াবাজার,নতুন হাট,ঈসান ভট্ররহাট,জলিল নগর,মুন্সিরঘাটা,কাগতিয়া বাজার, মগদাই বাজার,দরগাহ বাজার,জগন্নাথহাট,অলিমিয়া হাট,চৌধুরীহাট সহ বিভিন্ন মার্কেটে কমবেশী ঈদের বেচাঁ- কেনা চলছে।তবে ফকিরহাটের বৃহত ডিউ ভিজি শফিং মার্কেট সহ বড় বড় মার্কেটের দিকে ক্রেতাগন ছুটছেন।কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও প্রগতি ফ্যাসেনর মালিক আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন জানান আমাদের বাজারে ১১০ টি দোকানে ঈদ বিক্রয় উৎসবের মাধ্যমে র্যাফেল ড্র ব্যবস্থা করেছি।যাতে কেও ছড়া মুল্য নিয়ে কাষ্টমারকে হয়রানী না করে সে জন্য আমাদের সমিতির নেতারা প্রতিটি দোকানে মনিটরিন করছে।এ দিকে সাজনুর,আলোশাড়ীজ,মায়াফরি,ডিউ মার্কেটের মায়াশাড়ীজ,দোয়া সারিজ,ডোবাইসুজ,বাটা,আমিরহাটের সুমনের কাপড়ের দোকান,নুরজাহান ক্লতষ্টোর গুলোতে ভীর লক্ষ্য করা যায়।বুধবার রাত ১১ টায় বেশ কয়েকটি দোকানে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় অনেকেই টান্ডা মেজাজে পছন্দের কাপড় কিনছেন।গোলবাহার নামে এক মহিলা ক্রেতা জানালেন শহর চেয়ে গ্রামেই ভাল,পছন্দের সব কিছুতো ফকিরহাটে পাওয়া যাচ্ছে।শুধু শুধু শহরে গিয়ে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয়না।ডিউর ডোবাই সুজের স্বত্তাধিকারী মোঃ মোরশেদ ও মৌলানা তাজ মুহাম্মদ রেজভী জানান হালকা বেচা কিনা হচ্ছে,তবে ১০ রমজানের পর হতে পুরোধমে বিক্রি হবে মনে করছি ইনশাল্লাহ।সব মিলিয়ে রোজার প্রথম সাপ্তাহে ঈদের কেনাকাটায় জমে উঠেছে রাউজানের মার্কেট গুলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*