রোহিঙ্গা শিশুদের সহায়তায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহবান-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

রোহিঙ্গা শিশুদের সহায়তায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহবান-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
শ.ম.গফুর্:র্উখিয়া(কক্সবাজার) প্রতিনিধি ;; বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের সহায়তায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেসবুক লাইভে একথা বলেন তিনি।প্রায় ২০ মিনিটের লাইভে, ক্যাম্পগুলোর দুর্দশার কথা উল্লেখ করে রোহিঙ্গা শিশুদের করুণ অবস্থা বর্ণনা করেছেন প্রিয়াঙ্কা। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে করা ভক্তদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।প্রথমেই পরিষ্কার পানির সংকটের কথা তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী।শিশুদের জন্য নির্ধারিত ক্যাম্প থেকে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘এখানে শৌচাগার ও পানির টিউবওয়েলের জায়গা পাশাপাশি। ফলে বৃষ্টি হলে শৌচাগার থেকে পানি উপচে পড়ে এবং খাবারের পানি দূষিত হয়ে যায়। এর ফলে নানা রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে।’
ভক্তদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘শিশুদের ধর্ম কী, বাবা-মা কে, এদের পরিচয় কী এগুলো বড় বিষয় না। এখন এদের দরকার আপনার সহানুভূতি।’
এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে বলিউব অভিনেত্রী বলেন,“শিশুদের আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম তোমাদের স্বপ্ন কী? তাদের সবাই বলে ওঠে, ‘আমি স্কুলে যেতে চাই।একজন তো বলে, সে সাংবাদিক হতে চায়। এই শিশুরা তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছুই জানে না। এখানে তারা মৌলিক শিক্ষা পাচ্ছে।”
এ সময় তিনি বলেন, শিশুরা দিনে ২ ঘণ্টার জন্য এই শিক্ষালয়ে আসে। তারপর সারা দিন এই ক্যাম্পে ঘুরে বেড়ায়। তারা জানে না কখন খাবে, তারা জানে কোথায় কি পাবে। আর এটাই তাদের জীবন। শিশুদের জন্য আলাদা ক্যাম্পের প্রয়োজন। বিশ্ববাসী সেই সহযোগিতা করতে পারে।প্রিয়াঙ্কা জানান, রোহিঙ্গাদের শিশুদের বার্মিজ, ইংলিশ ও গণিত শেখানো হচ্ছে। তিনি তাদের সহায়তায় সবাইকে এগিয়ে আহ্বান জানান তিনি।
ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা জানান, এখানে আবহাওয়া খুবই গরম। পরিষ্কার পানি নেই। থাকার মতো বেশি জায়গা নেই। সবাই খুব কাছাকাছি থাকেন। ঘরে কোনো জানালা নেই, বাশঁ আর প্লাস্টিক দিয়ে এসব ঘর বানানো হয়েছে।এ সময় প্রিয়াঙ্কা জানান, ‘ঘরগুলো খুব নড়বড়ে, ঘূর্ণিঝড়ে আসলে ভেঙে পড়বে। এছাড়া পাহাড়ের পাদদেশে ক্যাম্প হওয়ার কারণে যে কোনো সময়ে মাটিধস হতে পারে। তাই সবার সহযোগিতা দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*