সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক পিটিয়ে আহত মিথ্যা মামলা দায়ের ঘটনার সাক্ষীকে খুনের চেষ্টা

সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক পিটিয়ে আহত মিথ্যা মামলা দায়ের ঘটনার সাক্ষীকে খুনের চেষ্টা

খোকা, ভোলা প্রতিনিধি। ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউ পি সদস্য ড্রেজার ফারুক সহ একটি সংঘবদ্ধের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হন সাংবাদিক ফরিদুল ইসলাম। জানাযায় আহত ফরিদুল ইসলাম ওই এলাকায় গত ২৭ এপ্রিল বাদ জুম’আ ড্রেজার দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি স্থানীয় মুসল্লীরা সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেন। ড্রেজার ফারুক দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে মসজিদ সহ মসজিদের মাঠ নদী গর্ভে বিলীনের পথে ওই সংবাদ সংগ্রহ কালে মসজিদের মুসল্লীদের মধ্যে সহিদ, সাহিন, সামীম, আজিজুল হক গাজী জানান ওই এলাকার হাছন আলী বেপারীর পুত্র ড্রেজার ফারুক, মৃত আঃ হামিদ শিকদার এর পুত্র সাহাবুদ্দিন শিকদার, কাঞ্চান বেপারীর পুত্র মোঃ সাইফুল বেপারী, সহিদ গাজীর পুত্র সামছুদ্দিন, খলিলুর রহমানের পুত্র আলী, মৃত জালাল আহম্মদের পুত্র আলম বেপারী, আলম বেপারীর পুত্র সাহিন বেপারী, নজীর বেপারীর পুত্র মানিক সহ একটি সংঘবদ্ধ দল অবৈধ ভাবে ড্রেজার বসিয়ে সরকারী নদী ও খাল থেকে দীর্ঘ দিন ধরে বালু উত্তোল করে আসছে। সাংবাদিক ফরিদুল ইসলাম আরো জানান ওই সংবাদ সংগ্রহ কালে তার সাথে থাকা সনি ক্যামেরা, উই র্স্মাট ফোন, হাতে থাকা ৬ আনা ওজনের র্স্বনের আংটি ও ব্যাবসায়িক কাজের পয়তাল্লিশ হাজার সাত শত বিষ টাকা তাকে মারধর করে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয় ইব্রাহিম মেম্বারের বড় ভাই আলমগীর তাকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী এক বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পশ্চিম ইলিশা ইউ পি চেয়ারম্যান অভিহিত করলে তিনি লোকজন সহ অটো পাঠিয়ে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। তার স্বাস্থের অবনতি দেখে দ্রুত ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে ভর্তি করেন। ফরিদুল ইসলাম হাসপাতালের অতিরিক্ত ৪নং বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে শুনতে পান ওই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের মধ্যে একজন তাকে আসামী করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বরিশাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেন্দি গঞ্জ থানা ও বরিশাল থানা কে অনুসন্ধান পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলা নং সি আর ১০৪/১৮ তারিখ ৯/০৫/১৮ ইং। এদিকে ফরিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন তিনি ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা নং ২১/১৮ তারিখঃ ৩/৫/১৮ মোঃ ফরিদুল ইসলাম আরো জানান গত শনি বার ১২/৫/১৮ তারিখ আমার মামলার সাক্ষীকে শহিদকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে খুনের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। তাকে হাত পা বেধে ছুরি দিয়ে পোছায় শহিদের ভাগিনা লালচাঁন তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিৎকিসাধীন ছিলেন ছিট নং ২৯ শহিদ বাদি হয়ে গত ১৫/৫/১৮ তারিখ ভোলা ছিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৬ জন কে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন মামলা নং ২৪৪/১৮ ওই এলাকার মুসল্লীরা ড্রেজার ফারুক সহ ওই চক্রের বিরুদ্ধে আইন আনুগ ব্যাবস্থা ও গ্রেফতারের দাবী জানান এবং আহত ফরিদুল ইসলামের মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবী জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*