২টি বিস্ফোরিত বোমা, ২টি ককটেল ও বোমা তৈরীর সামগ্রী জব্দ

কয়রায় ৩ জামাত নেতা গ্রেপ্তার
২টি বিস্ফোরিত বোমা, ২টি ককটেল ও বোমা তৈরীর সামগ্রী জব্দ

খুলনা প্রতিনিধি ঃ  খুলনার কয়রায় ২টি বিস্ফোরিত বোমা, ২টি ককটেল ও বোমা তৈরীর সামগ্রীসহ হাতে নাতে ৩ জামাত নেতাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গত ১৪ আগষ্ট দিবাগত ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা গোয়েন্দা পুলিশ ও কয়রা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে কয়রা থানার কয়রা মদিনাবাদ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে তিনজন জামাত নেতাকে গ্রেপ্তার করেন। ঐ সময় ৪০/৪৫ জামাত শিবির ও বিএনপি নেতা কর্মী নাশকতা মুলক কার্যকলাপ সংগটিত করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করতে থাকে। পুলিশের উপস্থিতি জানতে পেরে তারা ২টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় কয়রা উপজেলার খিরোল গ্রামের মালেক সরদারের পুত্র ফারুক হোসেন (৪৫), মদিনাবাদ গ্রামের মৃত বাবর আলী সানার পুত্র আনোয়ার হোসেন (৩৮) ও মদিনাবাদ গ্রামের মৃত লোকমান হাকিমের পুত্র ও কয়রা বাজার সভাপতি মোঃ জুলফিকর আলী (৩৯) কে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তাদের কাছে থাকা ২টি বিস্ফোরিত বোমার অংশ, ২টি টিনের কৌটার ভাংগা অংশ, কয়েক টুকরা কাচের ভাংগা অংশ, ৬টি ছোট লোহার নিল রংয়ের বল, ৪ টুকরা ছেড়া লাল কস্টেপ, ৭টি জালের কাটি পুলিশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ধৃত জুলফিকর আলী সাবেক শিবির সভাপতি ও বর্তমানে জামায়াতের সক্রীয় সদস্য ও জামাত শিবিরের অর্থদাতা। সে জামাত শিবিরের সকল কার্যক্রমে মোটা অংকের টাকা দিয়ে সাহায্য করে থাকে।
ধৃতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক খুলনা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মুহাঃ এজাজুর রহমান বাদী হয়ে ২১ জনের নামসহ ও আরো অজ্ঞাত ২০/২৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১৯/১৬৭। তারিখ ১৪/০৮/২০১৮। এছাড়া তাদের নামে জেলা গোয়েন্দা শাখায় গত ১৩/০৮/২০১৮ তারিখে একটি সাধারণ ডায়েরী ভুক্ত হয়, যার নং- ২২১
। এ ব্যাপারে কয়রা থানার ওসি তারক বিশ্বাস বলেন- যখন কয়রা থানা এলাকার বিশেষ অভিযান- অস্ত্র উদ্ধার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ডিউটি পরিচালনা চলছে ঠিক তখনই দেশ অচল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা ৪০/৪৫ জনের একটি বাহিনী গোপন বৈঠক করতে থাকে। যারা সকলেই জামাত শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও কয়রা থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করেছে। বাকী আসামীরা পালাতে সক্ষম হলেও এ ঘটনায় জড়িত থাকা কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। অতি দ্রুত তাদেরকে ধৃত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*