সংরক্ষিত মহিলা আসনে চমক আসতে পারেন সাবেক ছাত্রনেতা ঝর্না বাড়ৈ

সংরক্ষিত মহিলা আসনে চমক আসতে পারেন সাবেক ছাত্রনেতা ঝর্না বাড়ৈ
কুতুব উদ্দিন রাজু,চট্টগ্রাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে আলোচনায় রয়েছে সংরক্ষিত মহিলা আসন নিয়ে।মাদরীপুরের সংরক্ষিত আসনের এমপি পদের প্রত্যাশীরা লবিং চালাচ্ছেন।যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে তারা ঢাকায় অবস্থান করে দলের হাইকমান্ডের কাছে ধরনা দিতে ব্যস্তসময় অতিবাহিত করছেন।তাদের মধ্যে অন্যতম একজন তরুন সাবেক ছাত্রনেতা ঝর্না বাড়ৈ নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাইবেন। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন-২০০৪ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) দল ও জোট ভিত্তিক তালিকা তৈরি করবে এবং ভোটার তালিকা ইসিতে টানিয়ে দেবে।এরপর ৩০০আসনের বিপরীতে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে দল কিংবা জোটের অনুকূলে বরাদ্দ করা হবে।গেজেট প্রকাশের নব্বই দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী এমপি নির্বাচন শেষ করতে হবে ইসিকে। এবিষয়ে আওয়ামীলীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক জানান, সংরক্ষিত মহিলা আসনে যোগ্যতম প্রার্থী অনুসন্ধান করা হচ্ছে।যারা দুর্দিনে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন জনপ্রিয় নেত্রীরা আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাবেন। নেত্রী (শেখহাসিনা) এমন গুণসম্পন্ন কর্মীর তালিকা তৈরি করছেন।এছাড়া দশম সংসদে যেসব জেলা সংরক্ষিত এমপি বঞ্চিত হয়েছে, সেসব জেলা থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলেই আমরা দল মনোনীত প্রার্থী ঘোষণা করব। গত ১জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।আর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে সংরক্ষিত মহিলা আসনে তফসিল ঘোষণা করা হবে।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন অনুযায়ী সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে এবার আওয়ামীলীগ ৪৩টি, জাতীয় পার্টি ৪টি, এক্যফ্রন্ট ১টি এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল পাবে ২টি আসন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী সাবেক ছাত্রনেতা ঝর্না বাড়ৈ। তিনি সাবেক সাধারন সম্পাদক, রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাবেক সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ। সাবেক সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি। সাবেক সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-কমিটি।বর্তমানে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি একজন সমাজকর্মী । তিনি সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত, অবহেলিত, হতদরিদ্র নারী ও শিশু উন্নয়ন জন্য কাজ করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্য নিজেকে আরোদক্ষ এবং সমৃদ্ধ করে তৈরি করে প্রত্যেক নারীকে রাজনৈতিক ভাবে সচেতন করে আসামাজিক ভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি পিএইচডি করছে “ নারীর ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ”। এছাড়া ও তিনি Women Leadership উপরে বিভিন্ন প্রশিক্ষন নিয়েছেন এবং প্রশিক্ষক হিসাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। পেশাজীবনে ঝর্না বাড়ৈ একজন সমাজসেবি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ করেন পাশাপাশি এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করারপর ও তিনি কোন চাকুরীতে নিয়োজিত হন, যখন তিনি এইচএসসি পাস করেন তখন থেকে তিনি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চেয়েছে। সেই উদ্দ্যেশ কে সামনে রেখে রাজনীতি শুরু করেন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কাজ শুরু করেন। তিনি মনে করে দুইজন মানুষ চাইলে সত্যিকার অর্থে দুঃখি দরিদ্র মানুষের জন্য কিছু করতে পারে। একজন রাজনীতিবিদ অন্যজন সমাজকর্মী । তিনি বর্তমানে একটি এনজিওতে র্নিবাহী পরিচালক হিসাবে কাজ করছে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। ঝর্না বাড়ৈ পৈত্রিক সূত্রে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার ডাসার থানার স্থায়ী বাসিন্দা, শিক্ষাজীবন: ১৯৯৪সালে এস.এস. সিও১৯৯৬ সালে কৃতিত্বের সাথে এইচ.এস.সি পাশ করেন শশিকর উচ্চ বিদ্যালয় ও শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়।১৯৯৯ এবং ২০০১সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স পাশ করেন। এবং ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে এলএলবি এবং এলএলএম পাশ করেন। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল সম্পন্ন করে এবং পিএইচডি প্রায় শেষে পথে। ঝর্নাবাড়ৈবলেন,আমি পারিবারিক ভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতির আদর্শে বেড়ে উঠেছি।আমার রাজনৈতিক জীবন ছোট বেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে প্রভাবিত করেছে।রাজনীতির মাঠে ছিলাম নৌকার প্রচারণায়, এছাড়াও নানা রকম সামাজিক কার্যক্রমে আমি জড়িত। উল্লেখ্য মাদারীপুর-৩ আসনের সকল জনগনের পাশে সবসময় থেকে সকল প্রকার সহযোহিতা করেছেন। ঝর্না বাড়ৈ আরো বলেন,সভানেত্রী যেভাবে দল এবং সরকার তরুণদের প্রতি আস্থা রাখছেন আমার বিশ্বাস সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে সেআস্থা রাখলে আমার সুযোগ আছে।সুযোগ পেলে আমি তরুণদের নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি কাড়িগড়ি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষমানব সম্পদ গড়ে তুলিবো। মহাসড়কে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে দুর্বার, এখন সময় বাংলাদেশে মাথাঁউঁচু করে দাড়াবার। নারীর ক্ষমতায়নসহ সকল উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ক্ষুধা-দারিদ্র, সন্ত্রাসমাদক ও দুর্নীতি মুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, বাংলাদেশ বিনির্মানে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং আগামী প্রজম্মের ঠিকানা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন সৈনিক হিসাবে আমৃত্যুদেশ ও জনগনের জন্যকল্যানে কাজ করে যাবো।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*