ষ্টোর কিপার মোর্শেদ ও বাগান মালী মাঈন সিন্ডিকেট যত সব অনিয়ম দুর্ণীতি করছে

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন (পর্ব-১)
দৃশ্যপট-কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল
ষ্টোর কিপার মোর্শেদ ও বাগান মালী মাঈন সিন্ডিকেট যত সব অনিয়ম দুর্ণীতি করছে
শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ২২ জানুয়ারী ॥ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল। আধুনিক সেবা সম্বলিত এই হাসপাতালে প্রতিদিন জেলার প্রত্যন্ত জনপদ থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন অসংখ্য রোগী। কিন্তু চারদলীয় জোট সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের আর্শীবাদ পুষ্ট বেশ কিছু কর্মচারী পেকুয়া সমিতি ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিশাল সিন্ডিকেট করে পুরো হাসপাতালটি জিম্মি করে রেখেছে। হাসপাতালের প্রতি পদে পদে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে তারা। হাসপাতালের পদস্থ কর্মকর্তারাও এদের কর্মকান্ডে বিব্রত ও অসন্তোষ। ষ্টোর কিপার পদ থেকে বিধি বর্হিভুত ভাবে নিজ বেতনে প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা গোলাম মোর্শেদ ও তার ছোট ভাই বাগানমালী মাঈন উদ্দিনই পুরো হাসপাতালটি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছে। বহি:র্বিভাগে আগত এবং কেবিন ও ওয়ার্ডসমূহে চিকিৎসা সেবা গ্রহণরত রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনে এসব অনিয়ম ও দুণীতির চিত্র উঠে এসেছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের অনেক কর্মচারী এসব অভিযোগ দুদক সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগে জানা যায়, ১৯৯১ সালে বিএনপির আর্শীবাদে পেকুয়ার বাসিন্দা এমডি গোলাম মোরশেদ (৮/১০/১৯৯১) সালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ষ্টোর কিপার পদে যোগদান করেন। এরপর পর্যাক্রমে জেলা সদর হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিসে ষ্টোর কিপারের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালিন সময় অনৈতিক সুবিধা নেওয়া, সরকারের আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও বিভিন্ন ভাবে অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছিল। তিনি দুর্নীতির টাকা অনিয়মের পথে খরচ করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদেও ম্যানেজ করে কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের ষ্টোর কিপার এই এমডি গোলাম মোরশেদ নিয়ম বর্হিভুত ভাবে স্ববেতনে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক পদে পদোন্নতি নেন। পরবর্তীতে তাহার পদ মর্যাদা যুক্ত করার জন্য কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রধান সহকারী হিসেবে বদলী হন। ২০১৬ সালের দিকে তৎসময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডি.ডি দায়িত্ব হস্তান্তরের এক ঘন্টা আগে উক্ত এমডি গোলাম মোরশেদকে কুতৃবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে কক্সবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে অস্থায়ী ভাবে সৃজিত নব সৃষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে স্ববেতনে আবারও চলতি দায়িত্বে নিয়োগ/ বদলী করা হয়। এই গোলাম মোরশেদ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে এক বছরে তিন বার পদোন্নততি নেয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন, যা চাকুরী বিধি পরিপন্থী বলে জানান একাধিক সরকারী কর্মকর্তা। এমডি গোলাম মোরশেদ স্তরে স্তরে ম্যানেজ করেই এখন জেলা সদর হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদে বসে পুরো জেলা সদর হাসপাতালটিকে অনিয়ম দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে। খাদ্য, ওষুধ, বদলী সহ বিভিন্ন সেক্টর তিনি নিয়ন্ত্রণ করে সরকারী সেবা হবে বঞ্চিত করছেন সাধারণ মানুষকে। এতে করে স্বাস্থ্যখাতে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, বেশ কয়েক বছর ধরে এমডি গোলাম মোরশেদ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে সিভিল সার্জন অফিসের নতুন ষ্টোর কিপারকে অদ্যাবদি দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।
কক্সবাজার জেলা হাসপাতালের বাগান মালী মাঈন উদ্দিন। বর্তমান স্ববেতনে প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এমডি গোলাম মোরশেদেও ছোট ভাই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত হারবাল বিভাগের ২০১০-১১ সালে বাগান মালী পদে যোগদান করেন। এই জেলা সদর হাসপাতালে তৎসময়ে তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ডা. অজয় ঘোষ। মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে তাঁর আমলেই ২০১১ সালের দিকে এই বাগান মালী মাঈন উদ্দিনকে অফিস সহকারী হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। যাহা সরকারী চাকরী বিধি বর্হিভুত। তৎসময়ে এ নিয়ে বির্তকের ঝড় উঠে। অজয় ঘোষ বদলী হওয়ার পর হাসপাতাল তত্ত্বাবধায় ডা. পুচনুকে মাসে মাসে মোটা অংকের টাকা দিয়ে এই বাগান মালী মাঈন উদ্দিন অফিস সহকারীর দায়িত্ব পালন করে হাসপাতালটিকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন হাসপাতাল কর্মচারী বলেন, বাগান মালীকে অফিস সহকারীর দায়িত্ব দেওয়ার কোন বিধান নেই। এরপরেও এখানে তা করা হয়েছে। যা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা বিরোধী। এমন কি কোন নীতিমালা বা নিয়মও নেই বাগানমালীর পদোন্নতির।
তারা আরো জানান, সরকারী হাসপাতালের শোভাবর্ধনে বাগান পরিচর্যার জন্য মাঈন উদ্দিনকে নিয়োগ দেওয়া হলেও সেখানে বাগানেরও কোন অস্তিত্ব নেই। বাগান মালির বেতন ভাতা নিলেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন অফিস সহকারী হিসেবে।
অভিযোগে আরো জানা যায়, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালটি নিয়ন্ত্রণ করছেন কথিত পেকুয়া সমিতি নামে বিএনপি সমর্থিত একটি সিন্ডিকেট। সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের আর্শীবাদ পুষ্ট ও চার দলীয় ঐক্য জোট আমলে নিয়োগ হওয়া এসব হাসপাতাল কর্মচারীরাই ওই সিন্ডিকেট সদস্য।
অভিযোগে আরো প্রকাশ, এই সরকারী হাসপাতালটিতে বর্তমানে নিজ বেতনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে চাকুরী করছেন বাগান মালী (অফিস সহকারী) মাঈন উদ্দিনের বড় ভাই গোলাম মোর্শেদ। এছাড়াও এখানে তার ছোট ভাই মহি উদ্দিন বিনা বেতনে (বেসরকারী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ) টিকেট কাউন্টারে টিকেট বিক্রি করছেন।
ঘোর অভিযোগ উঠেছে, বাগান মালী থেকে অফিস সহকারী, আর নিজ বেতন ও বিনা বেতনের নামে একই সাথে তিন ভাই হাসপাতালে চাকরীর নামে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের নিয়ে বাণিজ্যে মেতেছে।
বাগান মালী মাঈন উদ্দিনের বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতাল থেকে নাসিং বদলীর ফরোয়াডিং দিতে জনপ্রতি নার্স থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন তিনি। ডাক্তার (ইন্টানী ) অনারারি বেতন বিল থেকে ১০০ টাকা কর্তন করে রাখে মাঈন উদ্দিন।
অভিযোগ উঠেছে, জেলা সদর হাসপাতালে বেসরকারী নি¤œ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগেও ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্য করেছে মাঈন উদ্দিন সিন্ডিকেট। সুইপার ও ৪র্থ শ্রেণীর এ পর্যন্ত যে সব বেসরকারী কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সেসব কর্মচারীদেও কাছ থেকে মাঈন উদ্দিন, নোমান (ওয়ার্ড মাষ্টার), প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মুর্শেদ মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিয়োগ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাগানমালী মাঈন উদ্দিনের তিন ভাই একই সাথে জেলা সদর হাসপাতালে চাকুরীর পাশাপাশি তার স্ত্রীকেও (ক্রাইম পুলিশের সুপার ভাইজার , ওয়ার্ড ৩য় তলা) এখানে চাকরী দেয়া হয়েছে। সরকারী এই হাসপাতালে টিকেট বিক্রির টাকা নিয়েও রয়েছে বিরাট হেরফের। টিকেট কাউন্টার যত টিকেট বিক্রি হয় সেই সব টাকা মন চাইলে দেয়, না চাইলে দেয় না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানান, হাসপাতালে প্রবেশ টিকেট (রোগীদের জন্য) শহরের বদর মোকাম মসজিদস্থ একটি ছাপাখানা থেকে টিকেট ছাপিয়ে ২০ টাকা হারে বিক্রি করেন। প্রতিদিন এই হাসপাতালে অন্তত ৩ শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। প্রতি মাসে অন্তত ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার টিকেট বিক্রি করা হয়। আর শুধু নামমাত্র মাসে ৩০ হাজার টাকা হাসপাতালকে দিয়ে অবশিষ্ট টাকা মাঈন উদ্দিন সিন্ডিকেট আত্মসাৎ করে আসছে ।
এদিকে, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে হাসপাতালের কর্মচারীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ দুদকে অভিযোগ দায়ের করেন। তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পুচনু এবং ওয়ার্ড মাষ্টার নোমানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বর্তমানে দুদকে তদন্ত আছে । অভিযোগ উঠে, সরকারী স্টাফকে রোষ্টার করলে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পুচনু ও নোমানকে মাসিক ২/৩ হাজার টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে স্টাফদেরকে বিভিন্ন শাখায় বদলী করতেন ডাঃ পুচনু।
বিভিন্ন ভাবে নিঘৃত সরকারী সমস্ত স্টাফরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন সদ্য বদলী হওয়া তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পুচনু ও ওয়ার্ড মাস্টার নোমানের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তও হয়। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পুচনু কে ওয়ার্ড মাস্টার নোমান মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে তা স্থগিত করে রাখেন বলে জানা গেছে।
একাধিক সুত্র জানিয়েছেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের আর্শীবাদপুষ্ট কথিত পেকুয়া সমিতির সভাপতি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা (নিজ বেতনে) এমডি গোলাম মোর্শেদ এসব অপকর্মের গডফাদার। তাকে ঘুষ সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির টাকা এনে দেয় ওয়ার্ড মাস্টার নোমান।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিগত ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের নেতা ও প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের যোগ সাজশে বিভিন্ন নিয়োগ বাণিজ্য করেন এই ষ্টোর কিপার এমডি গোলাম মোরশেদ। তার ইচ্ছা মতো সবই চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ দেন। এমডি গোলাম মুর্শেদের ভাই, বোন ও পরিবারের আত্মীয় স্বজনকে উক্ত নিয়োগ দেওয়া হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমডি গোলাম মোরশেদের নিকটাত্মীয়দের মধ্যে তার ছোট ভাই মাঈন উদ্দিন হারবাল সহকারী ( সাবেক বাগান মালী) কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল, মহি উ্িদ্দন বেসরকারী কর্মচারী টিকেট কাউন্টার বর্হি বিভাগ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল, মাঈন উদ্দিনের স্ত্রী বর্তমান কর্মস্থল জেলা সদর হাসপাতালের বেসরকারী ভাবে ওয়ান স্টপ ক্র্যাইসিস সেন্টার (৩য়তলায় নিয়োজিত)।
এছাড়াও নিলুফা (স্বাস্থ্য সহকারী, রামু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) বর্তমানে কক্সবাজার বক্ষব্যাধী হাসপাতাল, মুর্শেদের খালাত ভাই নোমান ওয়ার্ড মাষ্টার বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল, রাসেল (ভুঁয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেখিয়ে) ৪র্থ শ্রেণীর নিয়োগ বর্তমানে অফিস সহকারী- কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিস, সাঈদ বাগান মালী (টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) বর্তমানে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিস সহকারী, খুকি (স্বাস্থ্য সহকারী) বর্তমানে অফিস সহকারী- অফিস সহকারী কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ , লোকমান ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল, মোস্তফা কামাল কুক মশালসী (কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল) বর্তমানে অফিস সহকারী- চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মাঈনুল ল্যাব টেকনেশিয়ান বর্তমানে প্রেশনে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ।
অভিযোগ রয়েছে, বাগান মালী মাঈন উদ্দিন (হারবাল বিভাগ) প্রভাব খাটিয়ে অফিস সহকারী হিসেবে ২১০ নং রুমে ইন্টারনি অনারারী ডাক্তারদের বেতন ভাতা ও বিভিন্ন গোপনীয় কাজ করে আসছে, যাহা বিধি সম্মত নয়।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিজ বেতনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মুর্শেদ সিন্ডিকেটের মধ্যে গোলাম মোর্শেদ নিজেই, ওয়ার্ড মাষ্টার নোমান, মুজিবুল হক অফিস সহকারী, মাঈন উদ্দিন বাগান মালী, মো. সেলিম পরিসংখ্যান বিদ, মহি উদ্দিন বেসরকারী কর্মচারী, লোকমান অফিস সহায়ক, গাড়ী চালক আনোয়ার। বেশির ভাগ সময় ওয়ার্ড মাষ্টার নোমানই অফিস সহকারী এস্তাফিজুর রহমানের মাধ্যমে সব কিছু করান। যাহা বেসরকারী কর্মচারী নিয়োগ ও সরকারী কর্মচারীদের নিয়োগ রোষ্টার , রোগীদের খাদ্য তালিকা নিয়ম না মেনে রোগীর খাদ্য দেওয়া, টেন্ডার জালিয়াতি, আরো অনেক অনিয়ম দুর্ণীতি করে যাচ্ছেন ভাই ভাই ও আত্মীয় স্বজন সিন্ডিকেট।
জেলা সদর হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমডি গোলাম মোরশেদ ও বাগাল মালী (অফিস সহকারী) মালী মাঈন উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা নিয়ম মেনেই সরকারী চাকরী করছি। অনিয়ম করলে আমাদের উর্ধবতন কর্মকর্তারা দেখবেন।
এব্যাপারে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সোলতান আহমেদ সিরাজীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব অনিয়ম দুর্নীতি, চাকরী বিধি লঙ্গনের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*