মহেশখালীতে সকল প্রকল্পের “আগে পুনর্বাসন, পরে অধিগ্রহন” এ স্লোগানে চট্টগ্রামে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

মহেশখালীতে সকল প্রকল্পের “আগে পুনর্বাসন, পরে অধিগ্রহন” এ স্লোগানে চট্টগ্রামে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খাঁন, উপকূলীয় প্রতিনিধি : “অাগে পুনর্বাসন, পরে অধিগ্রহণ ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মহেশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প , এলএনজি টার্মিনাল ও গ্যাস পাইপ লাইন সম্প্রসারণ সহ সকল প্রকল্পের জন্য অাবাদি জমি , বাড়ীঘর ও ফসলের ক্ষেত উচ্ছেদ করে চলমান ভূমি অধিগ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে করণীয় ঠিক করতে চট্টগ্রামে অবস্থানরত মহেশখালীর সচেতন “উত্তর মহেশখালীর জাগ্রত ছাত্রসমাজ” এর ব্যানারে চট্টগ্রামের চকবাজারে এক অালোচনা সভার অায়োজন করা হয় , ছাত্রনেতা ফজলে আজিম, মোঃ ছিবগতুল্লাহ’র সভাপতিত্বে, সালাহউদ্দিন কাদেরের সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি বাইজিদ ইমনসহ বিভিন্ন মেডিকেল, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার মেধাবী শিক্ষার্থীরা। সভায় বক্তারা ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়ম এবং দালাল সিন্ডিকেটের উৎপাত বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করে কয়েক দফা কর্মসূচির রুপরেখা প্রণয়ন করেন। জাগ্রত উত্তর মহেশখালী চাই, ১. উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পূর্বেই প্রকল্পের বিষয়ে জনগণকে স্পষ্ট ধারণা প্রদান করা যাতে তারা জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য এবং ক্ষতিপূরণের ফাইল প্রসেস করার জন্য প্রস্তুত থাকে। ২. ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন কর্মপরিকল্পনা অনুসারে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ উপদেষ্টা পর্ষদ ও পুনর্বসান উপদেষ্টা কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ। ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনায় জনঅংশগ্রহণের বিধান রাখা। ৩. অধিগ্রহণকৃত জমির উপর নির্ভরশীল সত্ত্বাধিকারহীন ব্যক্তিদেরও ক্ষতিপূরণের আওতায় নিয়ে আসা। ৪. নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জরিপ পূর্বক প্রকল্পের সব ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের (জমির মালিক এবং জমির ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল) তালিকা প্রণয়ন এবং নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণসহ বিস্তারিত জনসম্মুখে প্রচার করা। ৫. প্রকল্প এলাকায় জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখার একটি ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ প্রদানের যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন করা। ৬. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ জানানোর এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা। ৭. প্রকল্পে অব্যবহৃত জমিগুলো জমির মালিকদের ব্যবহারের সুযোগ প্রদান ৮. প্রকল্প থেকে পাওয়া লভ্যাংশের একটা অংশ প্রকল্প এলাকার উন্নয়নে ব্যয় করা। ৯. প্রকল্পে কর্মসংস্থানে স্থানীয় জনগণকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে যোগ্য করে তোলা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*