সীতাকুণ্ডে ফণীর আঘাতে ক্ষয়-ক্ষতি না হলেও বয়ে যাচ্ছে দমকা বাতাস

সীতাকুণ্ডে ফণীর আঘাতে ক্ষয়-ক্ষতি না হলেও বয়ে যাচ্ছে দমকা বাতাস
মোহরম আলী সুজন,সীতাকুণ্ড( চট্টগ্রাম)ঃ সীতাকুণ্ড উপজেলা একটি দূর্যোগপ্রবন এলাকা হওয়ায় অতীতে যেকোন বন্যা বা ঘূর্ণিঝড় অনেক ক্ষয় ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
বর্তমানে প্রশাসনের পক্ষ হতে ব্যপক প্রস্তুতি গ্রহন , জনসচেতনতা মূলক কর্মকান্ড ও সার্বক্ষনিক তদারকি অব্যাহত ছিল। প্রশাসনের শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও এসি ল্যান্ড ( ভূমি) সার্বক্ষনিক দূর্যোগপ্রবন এলাকা পরিদর্শন করেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায় জানিয়েছেন, সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন কোথাও কোন ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায় নি। কিছু সময় অন্তর অন্তর দমকা বাতাস বয়ে যাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাত জনিত ক্ষয়-ক্ষতি এড়ানোর লক্ষ্যে ৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত আছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী ৫৬২( পুরুষ ১৭৫, মহিলা ২৭৫, শিশু ১১২ জন) ৭ টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছে। দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ১৪ টি মেডিকেল টিম কাজ করে যাচ্ছে। উপজেলার ১ টি এলএসডিতে ১২০০ মেটি: টন চাল মজুদ আছে। ফায়ার সার্ভিস এর ৩ টি টিম ও সি পি পি’র ৬৩ টি ইউনিটে ৯৫৬ জন সেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছে। ৯ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় ১০ জন ট্যাগ অফিসার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন। পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনা খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট (১০০০০) মজুদ রয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিতরণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*