সিলেট অঞ্চলের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি

সিলেট অঞ্চলের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি
ইসমাইল মাহমুদ
খেলার মাঠ, রাজনীতির ময়দান ও এলাকার উন্নয়ন ময়দানের সুদক্ষ খেলোয়ার সংসদীয় আসন-২৩৮, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা) আসনের পরপর ছয় বার জনগণের বিপুল ভোটাধিক্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক সফল চিফ হুইপ, সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ। একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে সফল যোদ্ধা আব্দুস শহীদ রাজনীতি ও উন্নয়নের ময়দানেও যোদ্ধা হিসেবে অত্যন্ত সফল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হলেও তিনি তাঁর কর্মগুণে নির্বাচনী এলাকার দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র। তিনি এলাকাবাসীর কাছে আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক। সকলের কাছেই তিনি তাঁদের প্রিয় ‘স্যার’। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্ব প্রদান করেন। ২০০১ সালে তৃতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর তিনি পান বিরোধী দলের চিফ হুইপের দায়িত্ব। ২০০৮ সালে চতুর্থবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে পূর্ণমন্ত্রী মর্যাদায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপের দায়িত্ব প্রদান করেন। ২০১৪ সালে পঞ্চমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর তিনি সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে ষষ্ঠবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর বর্তমান সংসদে তিনি অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
বৃদ্ধ বয়সে এসে উপনীয় হয়েও আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি পিএইচডি (ডক্টর অব ফিলোসফি)’র ছাত্র হিসেবে ভর্তি হয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। নিজের শিক্ষা জীবন শেষ করে যোগ দিয়েছিলেন মহান শিক্ষকতা পেশায়। সেখান থেকে ফিরে এসে আবারো হয়েছিলেন শিক্ষার্থী। ৭০ বছর বয়সে ২০১৮ সালে তিনি পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের ফলে গড়ে ওঠা সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে এ অঞ্চলের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রতিটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এ এলাকার জননন্দিত এক নেতায় পরিণত হয়েছেন।
১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ তৎকালীন সিলেট জেলার মৌলভীবাজার মহকুমার কমলগঞ্জ উপজেলার সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আব্দুল বারী এবং মাতা মরহুমা সাজেদা খানম। ১৯৬৫ সালে কমলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি এসএসসি পরীক্ষা পাশ করেন। এরপর তিনি সিলেট মদন মোহন কলেজে ভর্তি হন। সে কলেজে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ লেখাপড়ায় যেমন দক্ষ ছিলেন তেমনি খেলাধুলায় কলেজে তাঁর যথেষ্ট সুনাম ছিল। ১৯৬৭ সালে আব্দুস শহীদ মদন মোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা পাস করে স্নাতক বিভাগে ওই কলেজেই ভর্তি হন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৬ দফা ঘোষণা হওয়ার পর তদানীন্তন পাকিস্তান ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েন তিনি। নেতৃত্বশীল ছাত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে কলেজ ছাত্র সংসদে ভিপি পদে ছাত্রলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি জেলা ছাত্রলীগের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে ৬ দফা আন্দোলনে নেতৃত্বশীল ভূমিকা রাখেন। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যূত্থানে মো. আব্দুস শহীদ বৃহত্তর সিলেট জেলার ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি স্নাতক পাস করার পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে ছাত্র থাকা অবস্থায় ১৯৭০ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে তিনি এলাকায় এসে মরহুম মো. ইলিয়াসের নির্বাচনী কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয়ের পরও পাক সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এ অবস্থায় ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেন। এরপর স্বাধীনতা সংগ্রামকে সুসংগঠিত করার জন্য মো. আব্দুস শহীদ ভারতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিএলএফ-এ যোগদান করেন এবং কিছুদিন ৮ মাউনটেন ডিভিশনের ক্যাপ্টেন চাতওয়াল সিংহের অধীনে মুক্তিযোদ্ধের নানা তথ্য সংগ্রহ ও বিএলএফ-কে সুসংগঠিত করার দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ধর্মনগর হয়ে বর্তমান জুড়ী উপজেলার চোঙ্গাবাড়িতে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে যোগদান করেন এবং পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান। ওই সময়ে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। তুখোর ছাত্রনেতা ও ক্রীড়াবিদ হিসেবে সবার কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন।
দেশ স্বাধীন হবার পর দেশের বিভিন্ন থানায় কলেজ প্রতিষ্ঠা শুরু হয়। মো. আব্দুস শহীদ কমলগঞ্জে একটি কলেজ করার প্রচেষ্টা শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে মরহুম মো. ইলিয়াসের নেতৃত্বে কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি সে কলেজের শিক্ষক ও পরে উপাধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯০ সালে তিনি মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের পদক লাভ করেন। শিক্ষক থাকাকালীন সময় থেকেই তিনি অনেক স্থানীয় ও জাতীয় শিক্ষা-সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন; আজও আছেন। ১৯৯১ সালে তিনি প্রথমবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর নিজের যোগ্যতা, দক্ষতার কারণে ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেছেন এ অঞ্চলের এক অবিংসবাধিত নেতা হিসেবে। ১৯৯১ সাল থেকে অধ্যাবদি তিনি একটানা সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, জীবনে চলার পথে সকল বিষয়েই দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ এমপি জীবনে চলার পথে শিক্ষকতা, রাজনীতি, সমাজনীতি, পরিবার, লেখাপড়া, শিক্ষার প্রচার-প্রসার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই পারঙ্গম দক্ষতার ঝলক দেখিয়ে চলেছেন।
একজন ব্যক্তিকে জাতীয় নেতা এবং জনমানুষের ভালোবাসায় ঋদ্ধ হতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন নিজের যোগ্যতা, মেধা, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা। সবগুলো গুণের মিশেলে নিজেকে পরিপক্ক করে গড়ে তুলেছেন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি। যে কারণে বারবার তিনি জনতার রায়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পেরেছেন। তিনি বর্তমানে দলমত নির্বিশেষে হয়ে উঠেছেন এ অঞ্চলের গণমানুষের সুদৃঢ় আস্থা, অটল বিশ্বাস আর ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে। যা একজন রাজনৈতিক নেতার রাজনৈতিক জীবনে অসামান্য এক সাফল্য। এলাকার উন্নয়ন, গণমানুষের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায় ও তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নিজেকে নিজেকে আজীবন স¤পৃক্ত রেখেছেন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি। নিরবদি কাজ করে চলেছেন নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের শিক্ষা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, বাসস্থান, ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে।
মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ছয় বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমি’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এরপূর্বে তিনি মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন।
১৯৯১ সালে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ প্রথম মৌলভীবাজার-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন। ওই সংসদে তিনি তাঁর নির্বাচিত এলাকার সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে চা শ্রমিক, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও নিন্ম আয়ের মানুষের কল্যাণে তিনি কাজ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি জাতীয় সংসদের হুইপ মনোনীত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পাল করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হলে সংসদ নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে মনোনীত করেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় এলে তিনি সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান সংসদে তিনি অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং একই সাথে তিনি সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদেও দায়িত্ব পালনরত। এছাড়া তিনি UNFPA -এর আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Strengthening Parliament’s Capncity in Population and Development issues (SPC-PD) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় জাতীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত Bangladesh Associntion of Parliamentsrians on Popul-ation & Development (BA-PPD) কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। তিনি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)’র সদস্য, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান কেন্দ্রের দুইজন সংসদ সদস্য প্রতিনিধির একজন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন বা ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন প্রকাশনা উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া দীর্ঘ ২৭ বছরের অধিককাল তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে সংসদীয় বিভিন্ন কমিটিতে যেমন-হাউস কমিটি, MDG, WTO, PRSP এমডিজি, ডব্লিউটিও, পিএসএসপি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম জাতীয় চেম্বারের সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যও ছিলেন। যেমন-বিধিমালার বিধি, ব্যবসায়িক পরামর্শ, পাবলিক অ্যাকাউন্ট, বিদ্যুৎ ও খনিজ স¤পদ মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং দারিদ্র বিমোচনে কাজ করছেন একই সময়ে তিনি এইচআইভি/এইডসসহ নানা রোগ প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি একজন পরীক্ষিত শিক্ষানুরাগী। এলাকার উচ্চ শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন বেশকটি স্কুল ও কলেজ। প্রাথমিক শিক্ষায় তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শ্রীমঙ্গলের প্রতিটি চা বাগানে স্কুল প্রতিষ্ঠা ও জাতীয়করণ হয়েছে। প্রায় প্রতিটি মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নির্মিত হয়েছে বা চলমান রয়েছে ভবন নির্মাণ কাজ। তিনি কমলগঞ্জের গণ মহাবিদ্যায়লয়ের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান, শ্রীমঙ্গল দ্বারিকাপাল মহিলা ডিগ্রী কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, শ্রীমঙ্গল আলীয়া মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্টিত আছেন।
সিলেট অঞ্চলের জননন্দিত জননেতা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি তাঁর নির্বাচনী এলাকা শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। তিনি বর্তমান সংসদে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরী ২০০ টাকা করার দাবি জানিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, বিদ্যুৎ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও এর মান উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। পাশাপাশি পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ করছেন। এছাড়া মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, হাট-বাজার, কৃষির উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থাসহ সার ও বীজের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ তাঁর রুটিন কাজ। সর্বপরি চা-শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের কাজে তাঁর মোটেও ক্লান্তি নেই। সমাজসেবাকে তিনি ফরজ কাজ মনে করেন।
ব্যক্তি জীবনেও বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ সফল। তিনি তাঁর পুত্র-কন্যাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। তাঁরা দেশ-বিদেশে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি সরকারি উদ্যোগ বাংলাদেশের সংসদীয় দলের সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সুইজারল্যান্ড, ভারত, কানাডা, তুরস্ক, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ৩০টিরও বেশি দেশে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। যা তাঁকে বহিঃর্বিশ্ব সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করেছে।
সিলেট অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ শুধু দেশ নয় ও বহির্বিশ্বেও বাঙালি কমিউনিটির কাছে সমান জনপ্রিয়। পরপর ৬ বারের নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পরম সম্মানিত। ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনৈতিক পরিম-লে তিনি তাঁর অবস্থান সুদৃঢ়পূর্বক পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে বর্তমানে তিনি জনগণের সহযোগিতা নিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে তারই যোগ্য কন্যা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দল ও সরকারের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে এদেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।
লেখক : গণমাধ্যমকর্মী ও কলামিষ্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*