বীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি

বীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি

মোঃ তোফাজ্জল হায়দার, দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় অনেক ইউনিয়নে উন্নয়ন হলেও শিবরামপুর ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি বলেই চলে। সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাকা না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে বীরগঞ্জ উপজেলার ১নং শিবরামপুর ইউনিয়নের মুরারীপুর অধিবাসিরা। কাঁচা রাস্তার কারণে বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় অন্তসত্তা মা, স্কুলগামী ছাত্র -ছাত্রীসহ ঐ অঞ্চলের জনসাধারণের। সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এই রাস্তাটি হ্যারিংবোন বা পাকাকরণ তো দুরের কথা মাটি দ্বারা প্রয়োজনীয় সংস্কার করার অভাবে বর্ষা মৌসুমে চলাচলের একেবারেই অযোগ্য থাকে বছরের ৩/৪ মাস। শুষ্ক মৌসুমেও রাস্তাটির কাদা শুকিয়ে থাকার কারণে চলাচল সহজ হয়না। তাই এই রাস্তাটির কারণে অভিসপ্ত জীবন যাপন করতে হচ্ছে এই জনপদের বাসিন্দাদেরকে। রাস্তা পাকাকরণের অভাবে বর্ষার মৌসুমে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে যায় শিবরামপুর ইউনিয়নের বটতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মুরারীপুর বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তার মাটি এঁটেল হওয়ায় এবং ট্রাক্টর ও পাওয়ার ট্রিলার চলাচল করায় পায়ে হেঁটে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে এই রাস্তা দিয়ে। বর্তমানে এই রাস্তায় স্থান ভেদে তিন থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত কাঁদা আছে। অনেক জায়গায় হাঁট সমান কাঁদা থাকার কারণে, কাঁদা মাড়িয়ে জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। মোটরসাইকেল চালকরা হেঁটে মোটরসাইকেল ঠেলে চলাচল করছে। এসব স্কুল মাদ্রাসায় আসতে হয় বর্ষার মৌসুমে ছাত্রীরা একেবারেই ক্লাসে আসে না বলে জানায় এক শিক্ষক। জানা যায়, বর্ষার মৌসুমে মাত্রাতিরিক্ত কাঁদার কারণে কোন ধরনের যানবাহনে এই রাস্তায় চলাচল সম্ভব নয়। তাই কোন আতœীয় স্বজন এই গ্রামে আসতে চায় না। শুধু কাঁদার কারণে অনেকে এই গ্রামে ছেলেমেয়ে বিয়ে দিতে চায় না। স্থানীয়রা বলছেন রাস্তা কারণের বাজেট হয়ে থাকলেও রাস্তাটি পাকা করা হচ্ছে না। রাস্তা সংস্কার এবং পাকারণের ব্যাপারে শিবরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনক চন্দ্র অধিকারী জানান, বর্ষা মৌসুমের কারণে এই রাস্তার পাকাকরণের কাজ করা হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*