অনিশ্চয়তার বেড়াজালে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

অনিশ্চয়তার বেড়াজালে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন
নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ। অনেকর জ্বলপনা কল্পনার ছিল ২২অগাস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হচ্ছে, স্বদেশে ফিরে যাওয়ার ব্যপারে রোহিঙ্গা দের মতামত ছিল বরাবরের মত।রোহিঙ্গারা বলেন ১৯৫৭সালে মায়নমার সরকার যে ভাবে তাদের অধিকার দিয়ে ছিল তা অবশ্যই দিতে হবে।তাদের ঘড়বাড়ি ফেরত রোহিঙ্গা নাগরীকত্ব প্রদান বর্মিজ(মুসলিম) জাতিতে রাষ্ট্রিয় দপ্তরে রেজিস্ট্রেশন নিজেদের নিরাপন্তা সকল জাতির মত ধর্মিয় ও সাধারণ শিক্ষ সুযোগ দেয়া দির্ঘ সাত বছর পর্যন্ত আই ডি পি ক্যম্পে অবস্থান কারি রোহিঙ্গা কে মায়নমারের সকল জাতির মত বিনা বাধায় চলাফেরার সযোগ সহ অনেক শর্তে রোহিঙ্গারা তাদের জন্ম স্থানে ফিরে যেতে চায়।সে সকল শর্ত কখন পুরন হবে তা জানতে চাইলে কোন এনজিও কর্মি বা তাদের ফেরতের মধ্যস্থতা কারি ব্যক্তিরা কোন প্রশ্নের জবাব দেয়নি।তবে শালবাগানের ক্যম্প ২৬নং ইনচার্জ মোহাম্মদ খালেদ হোছন বলেন, আমরা প্রত্যাবাসন সম্পর্কে রোহিঙ্গাদের উদ্বোধ্য করা তথ্য জানিয়ে দেয়া তাদের মাইন্ট পরিবর্তন করা সহ নানান বিষয়ে তাদের থেকে শর্ত জানার জন্য ১০টিমে বিভক্ত করে ৯৩০ঘরে খবর পাঠিয়েছি ।কিন্তুু আজ পর্যন্ত (২১অগাস্ট)রোহিঙ্গা দুইশত বিশ বা একুশ পরিবার সেচ্ছায় এসে আমাদের সাথে যোগাযোক করেছে।আমরা তাদের কে কোন জোর করছিনা।কারা কারা সেচ্ছায় তাদের দেশে যেতে চায় তাদের নাম নিচ্ছি।ওদিকে মায়নমার সরকার তাদের ফেরত নিতে চাইলেও রোহিঙ্গাদের কোন শর্ত মানতে চায়না তারা।মূলত শর্ত নামের বাদ টা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বড় বাধাঁ হয়ে আছে। তাই দেশি বিদেশি সকল সেচ্ছাসেবি সংগঠন গুলো তাদের জোর করে পাঠানুর পক্ষে না।সুতেরাং বলা যায় আবারো অনিশ্চয়তার বেড়াজালে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*