সংসার ও রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ে বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব কা-ারির মতো হাল ধরেছিলেন – আ জ ম নাছির উদ্দীন

সংসার ও রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ে বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব কা-ারির
মতো হাল ধরেছিলেন – আ জ ম নাছির উদ্দীন

নিজস্ব প্রতিবেদক :  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা’র ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৯ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে ৩১ আগস্ট ২০১৯ খ্রি. শনিবার, সকালে চট্টগ্রাম নগরীর চসিক মিউনিসপ্যাল মডেল স্কুল ও কলেজ অডিটরিয়ামে আলোচনা ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা সম্মাননা স্মারক এবং নারী শিক্ষার্থীদের বঙ্গমাতা সনদে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠানে রতœগর্ভা ও বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের অনুসারী ৭ জন মহিয়সী নারী পেয়েছে ‘বঙ্গমাতা সম্মাননা স্মারক’ এরা হলেনÑবঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদী নারী মরহুমা সৈয়দ রেজোয়ানা বেগম, বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের ত্যাগী নারী মিসেস শিরিন আহমদ, বেগম ফাতেমা ছালেহ, মরহুমা নুরুচ্ছাফা বেগম, মিসেস আনোয়ারা বেগম, বিবি খাদিজা আক্তার ও মিসেস মল্লিকা আফরোজ। বঙ্গমাতা সনদে ভূষিত ১৩৩ নারী শিক্ষার্থীরা হলেন, অপণাচরণ সিটি কর্পোরেশন স্কুল ও কলেজের ৭৬ জন, চসিক মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল ও কলেজের ৩০ জন এবং কৃষ্ণ কুমারী সিটি কর্পোরেশনের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ২৭ জন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাংসদ খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এবং সাবেক এমপি সাবিহা নাহার মুসা অন্যান্য অতিথিরা সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।
আলোচনা ও ‘বঙ্গমাতা’ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা’র জীবনী উপস্থাপন সহ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ মিসেস খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, সাবেক গণপরিষদ সদস্য আবু ছালেহ, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিহা নাহার মুসা, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, চারুকলা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর রীতা দত্ত, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান, ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জাকারিয়া, অধ্যক্ষ সাহেদুল কবির চৌধুরী, অধ্যক্ষ মিসেস জারেকা বেগম, ব্যারিষ্টার সওগাতুল আনোয়ার খান, প্রধান শিক্ষক আহমদ হোসাইন। আলোচনা করেনÑ রতœগর্ভা ৭ নারীর গর্বিত সন্তান যথাক্রমেÑকাউন্সিলার মো. জয়নাল আবেদীন, জাবেদুল ইসলাম শিপন, লায়ন এম.এ. নেওয়াজ, মো. রফিকুল ইসলাম টিপু। আরো বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের আসিফ ইকবাল, বোরহান উদ্দিন গিফারী, মাকসুদুর রহমান মাসুদ, সজল দাশ ও মোহাম্মদ হানিফ সহ অন্যরা। বঙ্গমাতা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিটি মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, সৃষ্টির আদি থেকেই নর-নারীর সম্মিলিত অংশগ্রহন মানব সভ্যতাকে সমৃদ্ধ করেছে। সাহিত্য, রাজনীতি, সংসার সর্বক্ষেত্রে পুরুষ প্রেরণা পেয়েছে নারীর কাছ থেকে। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু ও শেখ মুজিবুর রহমান দেশ ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য যে নারীর ত্যাগ, অবদান ও প্রেরণার কাছে ঋণী। তিনি হলেন তাঁর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব। তিনি বলেন, সংসদ ও রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ে বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব কা-ারির মতো হাল ধরেছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ মিসেস খাদিজাতুল আনোয়ার সনি বলেন, বঙ্গমাতা ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়া অতিক্রম করে স্বামীর সংগ্রামের সহযোদ্ধার ভূমিকায় ছিলেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সাংসদ সাবিহা নাহার মুসা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদাত্রী এই মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত। চারুকলা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যক্ষ মিসেস রীতা দত্ত বলেন, অসীম সাহস আর ধৈর্য নিয়ে বঙ্গমাতা আজীবন স্বামীর সংগ্রামের সহযাত্রী ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*