নরসিংদীর মনোহরদীতে স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা,সন্তানের পিতৃত্বের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

নরসিংদীর মনোহরদীতে স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা,সন্তানের পিতৃত্বের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

কে.এইচ.নজরুল ইসলাম,নরসিংদীঃনরসিংদীর মনোহরদীতে ১০ম শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল শিক্ষার্থী ফারিহা আক্তার স্বপ্না( ১৬) নামে কলা বাগানে জোড় পূর্ব প্রভাবশালীর ছেলের ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা সন্তানের পিতৃত্বের দাবীতে মনোহরদী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন অন্তঃস্বত্তা ধর্ষিতা স্কুল শিক্ষার্থী।গত ৪ মাস আগে মনোহরদী থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হওয়ার পরও আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি মনোহরদী থানা পুলিশ দাবী করেন ধর্ষণের শিকার স্কুল শিক্ষার্থী ফারিহা আক্তার স্বপ্নাও তার পরিবার।শুক্রবার(৩০আগস্ট) সন্ধ্যায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার বিচারও গর্ভের সন্তানের পিতৃত্বের দাবী করেন উপজেলার বড়চাঁপা ইউনিয়ন পাইকান গ্রামের মারজুল ইসলামের কন্যা অন্তঃস্বত্তা গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি এন বি আর ইন্টাঃ স্কুলের ১০ম শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল শিক্ষার্থী ও তার পরিবার সদস্যররা।অন্তঃস্বত্তা স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষিতা ফারিহা আক্তার স্বপ্না সংবাদ সম্মেলনে বলেন,আমার মা-বাবা গাজীপুর কোনাবাড়ি একটি গার্মেন্টসের শ্রমিক।সেখান থেকে আমরা গ্রামের বাড়িতে এলে একই গ্রামের প্রভাবশালী খোরশেদের পুত্র ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিব মিয়া (২০) আমাকে প্রেম প্রস্তাব করে।আমি রাজি হইনি।আমি বলি তুমি অনেক বড়লোক আমি গরীব এটা হয়না।তোমার সাথে আমার মানায় না।এতে সে ক্ষিপ্ত হয়।গত ৩ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯ টায় আমি টয়লেটে যাওয়ার সময় মুখে উড়না বেধেঁ উৎ পেতে থাকা ৩-৪ জন ছেলে ধর্ষক রাকিবসহ আমাকে কলা বাগানে নিয়ে যায়।সেখানে আমাকে ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিব মিয়ার কাছে দিয়ে ঐ ছেলেরা চলে যায়।এরপর ধর্ষক রাকিব একা আামাকে ধর্ষণ করে।ধর্ষক রাকিব আামাকে বলেন,এ ধর্ষণের ঘটনা কাউকে বলিলে আমাকে মেরে ফেলবে এবং এ ধর্ষণ ঘটনার ছবিও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবোকে ছেড়ে দিবে।সে বয়ে আমি কাউকে কিছু বলিনি।আমি ভাবিনি এত কিছু হবে।ঘটনার কিছু দিন পর অবশেষে আমার ফুফুর কাছে ঘটনার বিবরণ প্রকাশ করি।সে আমাকে একটি ক্লিনিকে এনে চেকআপ করে।তখন আমি জানতে পারি আমি অন্তঃস্বত্তা।এ ঘটনা আমার পরিবার সদস্যরা ধর্ষক রাকিবের বড় ভাই সাবেক ইউপি মেম্বার রূপালীর কাছে সব খোলে বলেন।পরে সে বলে আচ্ছা দেখি।রূপালী মেম্বার আশ্বাস দিতে দিতে তার পর আমার আর কিছু করে না।ব্যর্থ হয়ে থানায় আশি।কিন্তু তখন কোন মামলা লেখে নাই।সাবেক মেম্বার রূপালী আমাদের বলছে থানায় গেলে কোন কিছু হবেনা।টাকা দিয়ে সব কিছু বন্ধ করে রাখছে।কোটি টাকা খরচ করবে তাও আমাকে মেনে নেবেনা।অবশেষে মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে মামলা হয়।স্কুল শিক্ষার্থী আরো বলেন, প্রভাবশালী রূপালী মেম্বার আমাকে প্রস্তাব করে আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য।যদি না করি তাহলে আমাকেও আমার পরিবারের সদস্যদের প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়।আমরা আতংক্যে আছি।আমি বলি সন্তান নষ্ট করব না এটা পাপ কাজ।আমি পারব না।১০ম শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল শিক্ষার্থী অন্তঃস্বত্তা ধর্ষিতা এ ঘটনার বিচার ও পিতৃত্বের দাবী জানান মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে।স্কুল শিক্ষার্থী মা মদিনা বেগম বলেন,আমার মেয়ের ধর্ষণের ব্যাপারে ধর্ষক রাকিবের বড় ভাইয়ের কাছে বিচার দিলে সে বলে আমি দেখতেছি।এরপরে সে টাকা দিয়ে গর্ভপাত ঘটানোর কথা বলে।বলে আমি আমার মেয়েকে একা তার সাথে দেয়ার জন্য।আমি রাজি হইনি।রূপালী মেম্বার বলে বাচ্চা নষ্ট না করলে আমাদের প্রাণে মেরে ফেলবে।তিনি আরো বলেন,এখন পর্যন্ত থানা থেকে কোন পুলিশ তাদের বাড়িত যায় নাই।এত দিন হয়ে গেল আসামীও দরে নাই।এ ঘটনার তীব্রনিন্দা ক্ষোবসহ বিচার দাবী করেন মনোহরদীর সুশীল সমাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*