নীলফামারীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারী টাকা আত্মসাথের অভিযোগ

নীলফামারীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারী  টাকা আত্মসাথের অভিযোগ

আব্দুল মোমিন, নীলফামারী    :নীলফামারী সদর সিংদই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা  সুলতানার  বিরুদ্ধে সরকারী বরাদ্ধের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ  উঠেছে। বিদ্যালয়ে বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ টাকার কাগজে কলমে ভাউচার থাকলে ও বাস্তবে কাজের কোন হদিস পাওয়া যায়নি। নাম মাত্র কাজ করে সম্পূর্ন টাকা আত্মসাত করেছে মর্মে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে পাঠদান দিচ্ছেন বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী বলরাম রায়। নৈশ প্রহরীর পাঠদানের কারনে শিক্ষার্থীরা সঠিক পড়াশুনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন প্রায়ই বলরাম রায় স্যার আমাদের ক্লাস নেন। শিক্ষার্থীরা বলেন বিদ্যালয়ে নিয়মিত  জাতীয় সংগীত হয়না। অনেক শিক্ষা থেকে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে রয়েছে বলে জানান ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়,বিদ্যালয়ে সর্বমোট ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পান। কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে  কিছু কাজ  করেছি বাকী কাজ পরে করব বলে তিনি জানান। আর কিছ কিছু কাজ চলমান রয়েছে। ৩০ হাজার টাকা তিনি হাতে রেখেছেন, সে টাকা কি করবেন জানতে চাইলে কোন উত্তর দেননি। বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র রায়, আলাউদ্দিন মিয়া অভিযোগ করে বলেন এতো টাকার কাজ এসেছে আমরা শুনেছি। কিন্তু বিদ্যালয়ে শুধু  রং লাগিয়েছে জানি। আর বাকী টাকা দিয়ে কি করেছে বলতে পারি না। বিদ্যালয়ে পড়াশুনার মান তেমন ভালো না।  প্রধান শিক্ষক আফরোজা সুলতানার সাথে কথা হলে তিনি বলেন কাজ এখনও শেষ হয়নি। আর যে টাকা পেয়েছি ভ্যাট দিতে অনেক টাকা চলে গেছে, আর যেটুকু টাকা ছিল তা দিয়ে কাজ করেছি। আর আমার হাতে ৩০ হাজার টাকা এখনও আছে এবং নৈশপ্রহরী ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান।বিদ্যালয়ের কাজ না করে টাকা আত্মসাত ও গত ৩০শে জুনের মধ্যে কাজ না করার বিষয়ে উপজেলা প্রার্থমিক শিক্ষা অফিসার আঃ ছাত্তার(ভারপ্রাপ্ত) জানতে চাইলে তিনি বলেন,তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করব।উক্ত বিষয়ে জেলা প্রার্থমিক শিক্ষা অফিসার ্ওসমান গনির সাথে কথা হলে তিনি বলেন,ক্লাসটার এটিওদের দায়িত্ব দ্ওেয়া আছে স্কুল ভিজিট করে আমাকে নোট দিবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*