মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার বাণী মানুষের মাঝে তুলে ধরছে মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি

মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার বাণী মানুষের মাঝে তুলে ধরছে মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি

এম আর আই রফিক,ফটিকছড়ি : মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর শাখা কমিটিসমূহের দিনব্যাপী ‘বার্ষিক সম্মেলন ২০১৯’ ৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর একাট কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। ‘ত্বরিকতের সেবার গুণগত মান উন্নয়নই আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য’ এ প্রত্যয় নিয়ে দেশ-বিদেশ থেকে আগত পাঁচশত কমিটি থেকে আটশ নির্বাচিত প্রতিনিধি এতে অংশ নেন। ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট’এর ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি কেন্দ্রিয় পর্ষদ সভাপতি আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় পর্ষদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক এ ওয়াই এম জাফর,আরো বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সচিব এ এন এম এ মোমিন, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজি মুহাম্মদ ইউসুফ, ও সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাঈল। উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্ট ও কেন্দ্রিয় পর্ষদের সদস্যবৃন্দ। উদ্বোধনী পর্বে সবিশেষ আকর্ষণ ছিল ট্রাস্টের মাননীয় ম্যানেজিং ট্রাস্টি মহোদয় এবং গাউসিয়া হক মন্জিলের সম্মানিত সাজ্জাদানশীন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ মাইজভাণ্ডারী (ম.জি.আ.)-এর আশীষ বাণী : তিনি তাঁর বাণীতে বলেন, “বর্তমান অবক্ষয়পূর্ণ সমাজ বিনির্মানে তরিকত চর্চার বিকল্প নেই, মাইজভাণ্ডারীয়া তরিকার শিক্ষা, ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনে কার্যকরভাবে অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক সুকুমার বৃত্তির উন্মেষ ঘটানো সম্ভব।” কেন্দ্রিয় সভাপতি বলেন, মাইজভাণ্ডারীয়া তরিকার নীতি আদর্শ, মানবতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব ও অসাম্প্রদায়িকতার বাণী সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উপযুক্তভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্র হিসেবে এ সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাস্টের প্রশাসনিক ও সমন্বয় কর্মকর্তা তানভীর হোসাইনের সঞ্চালনায় ট্রাস্টের কর্মকাণ্ডের উপর ভিডিও চিত্র প্রদর্শন ও লিখিতভাবে ট্রাস্টের কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণ ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় পর্ষদ ও ‘গাউসিয়া হক মনজিল’এ দীর্ঘদিন যাবত বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-এর পবিত্র সান্নিধ্যে থেকে ‘মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরিকা’র যে সেবা প্রদান করেছেন তাঁর স্বীকৃতিস্বরূপ ৯জনকে ‘সম্মাননা স্মারক’ (মরণোত্তর) এবং ১০জনকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে ছিল শাখা সংগঠন সমূহের হিসাব ব্যবস্থাপনা ও উন্মুক্ত আলোচনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*