প্রযুক্তির জোয়ারে ভাষার সময় এটাই রেখে যাই প্রজন্মের জন্যে পরিকল্পনার স্বপ্ন

প্রযুক্তির জোয়ারে ভাষার সময় এটাই রেখে যাই প্রজন্মের জন্যে পরিকল্পনার স্বপ্ন
পুলক কান্তি বড়ুয়া

সময় এসেঁছে বাংলাদেশ কে বিশ্বের সামনে রোল মডেল হিসেবে দাড় করানোর। পুরনো সব ত্রুটি ও বিচ্যুতির সব কিছুই অভিজ্ঞতা,কোনটাই ফেলনা নয় ,চাই নতুন সময়ের জন্যে নতুন আধুনিক ডিজিটাল উদ্যোগ । যেমনঃ যদি একটি শহরে দিয়ে বুঝাই, ধরুন চট্টগ্রামের পরিকল্পিত আবাসন,জলজট,যানযট,রাস্তাঘাট সংস্কার,খাল সংস্কার, ভুমি বিরোধ,বহুতল স্থাপনা নির্মান, জলাধার সংরক্ষন,খেলার মাঠ সংরক্ষন, পাহাড় ধবংস ও ধ্বস রোধ করা সহ সকল নাগরিক সেবা সংকট মেকাবেলায় চাই নগর পরিকল্পনা, মনিটরিং, ধ্রুত সীদ্ধ্যান্ত নিতে ডায়নামিক নেতৃত্বের সামনে ,নগরবাসীর চোখের উপর পুরো নগরটিকে প্রথমেই করতে হবে এক ফ্রেমে ভিজুয়ালাইজ ,পাখীর মতো উড়ে যাওয়া উচ্চতা থেকে পুরো নগর কে দেখতে হবে এক সাথে পাখীর চোখে । পুরো নগর যখন কেউ এক সাথে দেখে তখন সে পরিকল্পনা করতে পারে ,কোথায় কি ত্রুটি তা ধরতে পারে ,তখন তিনি সত্যিকার নগর পরিকল্পকের মতোই সিদ্ধান্তে যেতে পারেন ,মনিটরিং করতে পারেন ,কোন স্হাপনা কোথায় নির্মিত হলে সামগ্রীক নগরে কী ইমপেক্ট পড়বে তা সহজেই অনুমান করতে পারেন। ,কারো দ্বারা মিসগাইড হবার সুযোগ একেবারেই থাকে না । মোদ্দা কথা তত্ব নয় ,জটিল বইয়ের ভলিউমে রচনা লিঁখে নগর সাজানো যাবে না ,আবাসন পরিকল্পনাও হবে না ,সরল ও সহজ বোধ্য ভাবে পুরো শহর আগে চোখের সামনে বসান ,নগরবাসীর চোখের সামনেও তা তুলে ধরুন ,সবাই তখন এক সাথে হয়ে উঠবেন নগর পরিকল্পক ,নীতিনির্ধারকেরা সহজেই নেবে সঠিক সীদ্ধান্ত ও সিলেকশন অব প্রায়োরিটি ,পাশাপাশি নগর বাসীকেও গৃহ নির্মান আইন কে মানতে মানসিক ভাবেই তৈরী করে ফেলা সহজ হবে,সহজ হবে সরকারের অন্যান্য সকল জন্সম্পৃক্ত উন্নয়ন কাজে সহযোগী বানানো। ক্ষুদ্র মাঠ পর্যায়ের তথ্য প্রদান কারীর সামান্য কপটতা ,দূর্নীতি ,অনেক ছোট বিষয় কিন্তু এই ছোট বিষয়টি সমস্ত সিস্টেম ও পরিকল্পনাকে অকার্যকর করে দে । তাই মাত্র আগামী এক বছরেই বর্তমান অপূর্ণাঙ্গ মাস্টার প্ল্যান কে পুর্নাংগ করা সম্ভব। পদ্ধতিগত ও পরিকল্পনা গত যে সব ত্রুটির কারনে সৃস্ট হয়েছিল নাগরিক আবাসন সংকট ,সিদ্ধান্তে সংকট ,জলযট সংকট ,যোগাযোগ সংকট সবকিছু নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা এর মাধ্যমেই সম্ভব এবং খুবিই সম্ভব । এটাই মৌলিক আইডিয়াগত প্রজন্মের চেতনার ডিজিটাল টেকনোলজীর বাংলাদেশ ও ক্যারিশম্যাটিক স্বপ্নবাজ তারুন্যের সম্ভাবনাময় ডিজিটাল অর্জন ।
এখন এইসব তরুন ও তাদের প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করতে শুধু দরকার সি ডি এ কতৃক স্ব-উদ্যোগী জন-সংশ্লিষ্ট একটি নি:স্বার্থ ডিজিটাল ভিশন ভিজুয়ালাইজড ম্যাপ প্রনয়ন প্রকল্প ————গ্রহন ও তৈরি করতে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহন।
এর মাধ্যমেই চট্টগ্রাম মহানগর কে পরিকল্পিত পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের আওতায় আনার প্রযুক্তিগতভাবেই সম্ভব। স্ব-প্রাতিস্টানিক উদ্যোগী প্রকল্পের আওতায় যা বাস্তবায়ন করতে হবে ,তা হলো স্যাটেলাইট ভিজুয়ালাইজেশন সিস্টেম ও ডিজিটাল টেকনোলজী ব্যবহার করে এরিয়াল ভিহীকলের মাধ্যমে রীয়েল টাইম কারিগরি ডাটা সমৃদ্ধ ফটোগ্রামোমেট্রিক লাইভ ত্রি ডি টপোগ্রাফিক ডিজিটাল ম্যাপ তৈরী করা। এই জীবন্ত দৃশ্যমান থ্রি ডি মাপের উপর সমস্থ পরিকল্পনা গুলো ভিজুয়ালী গ্রাফিক বসানো, সমস্ত নগর এর সকল কিছুই যখন এক হাতের মুঠোয় দৃশ্যমান করা যায়, কেবল তখনই সংশ্লিষ্ট প্রশাসক নিজের চেয়ারে বসে ভাবতে পারে,ক্রিয়েটিভ থিংকিং তখন ভর করবে প্রশাসকের মাথায়, সিদ্ধান্ত নিতে,ও নির্দেশনা দিতে হয়ে উঠবেন ডাইনামিকস ক্যরেক্টার।
অনেকটা আলাউদ্দিনের দৈত্য এসে আলাউদ্দিন কে তার হাতের তালুতে বসিয়ে নগর দেখাচ্ছেন, তখন বসে বসে দেখা যাবে কোথাও কোন অপরিকল্পিত নির্মান হচ্ছে কিনা, এবং নগরবাসী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রশাসক সকলেই মুল সমস্যা সৃস্টি কারী কর্ম কে প্রতিহত করতে পারবেন। এই টেক্নোলজীর মাধ্যমে “প্রত্যেকটি এলাকার জন্যে আলাদা আলাদা দিক নির্দেশনা ম্যাপের উপর ভবিষ্যতের পরিকল্পনা পুর্বেই ইন্ডিকেট সহজেই করে এরিয়া ব্লক করা সম্ভব ও তা সর্বসাধারনের জন্যে অনলাইনের সামাজিক মাধ্যমে দিয়ে দেয়া , প্লান পাশ অনুমোদন দিতে মূহুর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেয়া সম্ভব হবে তখন, এমন কি অনলাইনে প্ল্যান পাশ অনুমোদন, অটো সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হবে এর মাধ্যমে, কমবে দুর্নীতি টলারেন্স সীমায় আসবে,, বাচবে কাজের সময়, গতিশীল ও আধুনিক হবে সেবা প্রতিস্টান, অন্য উন্নয়ন কাজের জন্যে জনশক্তির ব্যবহার সহজ হবে ,মাস্টার প্লেন বাস্তবায়ন ও নিয়ত্রন আর কোন সমস্যাই হয়ে থাকবে না ,মাস্টার প্লেনের ভুল ও সঠিক সীদ্ধান্ত কোনটি তা সহজেই জাস্টিফাই করা সম্ভব হবে। কোন সংস্হা কোন নতুন প্রকল্প গ্রহন করলে ঐ ম্যাপের উপর তার ডিজাইন ও তা বাস্তবায়ন কর্মপন্হা নির্ধারণ করতে পারবে খুব সহজেই,ম্যাপের কোথায় কাজ শুরু হবে, কি কাজ হবে, কতদিন সময় লাগবে তা ম্যাপে শো করে দিলেই, আন্ত সেবা প্রতিস্টান গুলোর মধ্যেকার সমন্বয় করবে, এই ম্যাপ। সিটি গভর্নমেন্ট বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা বহুলাংশে এই ডিজিটাল ম্যাপের অটো সিস্টেম টেকনোলজীর মাধ্যম বহুলাংশে সমন্বয় করা সম্ভব। পুরো শহরের রাস্তা সংস্কার ,সম্প্রসারণ ,জমি একো্যার , ব্যাক্তি পর্যায়ে নতুন আবাসন গড়ার ক্ষেত্রে সকল জটিলতা ও জনগনের সাথে সরকারের সম্পত্তির সীমানা সংক্রান্ত সকল জটিলতা দূর করা সম্ভব । একটি আধুনিক শহর নির্মাণের ,নগরবাসীর আবাসন শৃংখল ও সঠিক পরিকল্পনা ও শতভাগ সঠিক সীদ্ধান্ত নেবার এই ডিজিটাল ভিজুয়াল রীয়েল পরিকল্পনা ম্যাপ তৈরী করা এখন সময়ের চাহিদা ।
পৃথিবীর সকল বড় বড় নগর মহানগর ও শহরের পরিকল্পনা গ্রহনকারী কতৃপক্ষ ,তাদের সমস্ত উন্নয়ন সীদ্ধান্ত এই ম্যাপের উপরই করে থাকেন। যা ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় চট্টগ্রাম থেকেই প্রথম সংযোজন শুরু করা হোক । কোন আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এরিয়ে বাংলাদেশের তরুন্দের হাতে দায়িত্ব দিন। সবপ্নের পরিকল্পনা বাস্থবায়ন করে তারা আপনাদের হাতে তুলে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*