নীলফামারীতে ইটাখোলায় সমাজসেবার সচেতনতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী

নীলফামারীতে ইটাখোলায় সমাজসেবার সচেতনতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী

আব্দুল মোমিন, নীলফামারীঃ নিজেদের মোবাইলে যথাসময়ে চলে যাবে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতাভোগীদের ভাতার টাকার তথ্য। পাশের পে-পয়েন্টে গিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ইচ্ছামত টাকা তুলতে ও সঞ্চয় করতেও পারবেন ভাতাভোগীরা।বৃহস্পতিবার (১২ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার সময়  নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচেতনতামূলক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করে নীলফামারী সদর  উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়। ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশিদ মন্জুর সভাপতিত্বে,  প্রধান অতিথি ছিলেন, নীলফামারী সদর  উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ গোলাম রব্বানী। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মূল বক্তব্যে বলেন , সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতাভোগীদের প্রতি তিনমাস পরপর নির্দিষ্ট ব্যাংকে গিয়ে বেশ কিছু ব্যাংকিং আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে টাকা তুলতে হয়। এক্ষেত্রে তাদেরকে ব্যাংকে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে তুলতে হয় ভাতার টাকা। আবার অধিকাংশ ব্যাংক দ্বিতীয় বা তৃতীয় তলা ভবনে। সেখানে বয়স্ক বা প্রতিবন্ধীদের ওপরে উঠে ভাতার টাকা উত্তোলন করা অনেকটাই যুদ্ধ করার মতো। অনেক সময় ব্যাংক থেকে ভাতাভোগীদের ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার পথ মাড়িয়ে ব্যাংকে আসতে হয়, যা খুবই কষ্টকর ও পরিবহন খরচ গুনতে হয় তাদের। ভাতাভোগীদের কষ্ট লাঘবে সরকার অনলাইন ব্যাংকিং চালু করতে যাচ্ছে।আর ব্যাংকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না এসব ভাতাভোগীদের। নির্দিষ্ট সময়ে নিজের মোবাইলে পৌঁছে যাবে ভাতা উত্তোলনের তথ্য। পাশের পে-পয়েন্টে ইচ্ছামত টাকা তুলতে ও সঞ্চয় করার সুযোগ পাবেন ভাতাভোগী ছিন্নমূল এসব জনগোষ্ঠী। দুর্গম অঞ্চলেও থাকবে পে-পয়েন্টের এজেন্ট। যাতে বাড়ির পাশে সহজভাবে এসব ছিন্নমূল মানুষ ভাতা উত্তোলনের সুযোগ পান।এজন্য ভাতাভোগীদের তথ্য ডিজিটাল ডিভাইজে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হবে। আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে পে-পয়েন্টের এজেন্টরা নির্দিষ্ট ভাতা ভোগীর হাতে পৌঁছে দিবে টাকা। এজন্য প্রতিটি ইউনিয়নের ভাতাভোগীদের মাঝে সচেতনতামূলক সভা করছে সংশ্লিষ্ট সমাজ সেবা অফিস। তারা ভাতাভোগীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে বিনামূল্যে হিসাব খুলে দিবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে,ভাতাভোগী সহ স্থানীয় গন্যমান্য ১৫০ জন উপস্থিত ছিলেন।  এ পর্যন্ত  এ ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতা ৮০০ জন, বিধবা ভাতা ৩৪৬ জন ও প্রতিবন্ধী ভাতা ১৯১ জনকে দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*