তানোর আওয়ামী লীগে গণঅসন্তোষ ?

তানোর আওয়ামী লীগে গণঅসন্তোষ ?
আলিফ হোসেন,তানোর ;; রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী ) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকার রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্ধকদের মাঝে গণঅসন্তোষ সৃষ্টি হয়ে উপজেলা থেকে তৃণমূলে ছড়িয়ে পড়েছে বিরাজ করছে বিস্ফারণমূখ পরিস্থিতি। এদিকে আওয়ামী লীগে হঠাৎ করেই কেনো এই গণঅসন্তোষ তা নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারকগণ চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে। আওয়ামী লীগের যে বিপুল জনসর্মথন ও বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করলে ও আওয়ামী লীগের অর্জন সাধারণ মানুওষর মধ্যে তুলে ধরে মানুষকে বোঝাতে পারলে তাদের প্রার্থীর বিজয়ী হওয়া তো সময়ের ব্যাপার মাত্র। বিশ্লষণে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ বা সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে নয় এই গণঅসন্তোষ কিছু দালাল শ্রেণীর বগি নেতার বিরুদ্ধে যারা আওয়ামী লীগের সম্ভবনাময় গোছানো নস্টের অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না এটা নিশ্চিত হবার পরেও একশ্রেণীর বাগি (আক্যামা) নেতা আওয়ামী লীগের সম্ভবনাময় গোছানো মাঠ নস্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ইউপি সদস্য নির্বাচনের মতো গ্রহণযোগ্য না থাকলেও এমপি হবার খোয়াব দেখে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় সাংসদ ও দলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঙ্খপন করে মাঠে পানি ঘোলা করার চেস্টা করছে। আর এসব বগি নেতার এমন সংগঠনবিরোধী কর্মকান্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ায় তৃণমূলে এই গণঅসন্তোষের সূত্রপাত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও রাজনীতির মাঠে তাদের প্রতিহত করতেউ তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলে গণঅসন্তোষ এবং বিস্ফোরণমূক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণের প্রশ্ন এরা কারা ? তারা কি ? আসলে আওয়ামী লীগকে ভালবাসে না আওয়ামী লীগের চাদর গায়ে দিয়ে নানা সুযোগ-সুবিধা বাগিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগের ছায়াতলে থেকে বিএনপি-জামায়াতের বি-টিম হয়ে কাজ করছে।
জানা গেছে, রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব এখনো গড়ে উঠেনি সম্ভবনাও নাই। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন, বিশ্বাসী ও দক্ষ মংগঠক বলে পরিচিত এমপি ফারুক। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে প্রধানমত্রীর নির্দেশেই সিলেকশনের মাধ্যমে এমপি ফারুক চৌধূরীকে সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়াও একবার প্রতিমন্ত্রী ও দুবারের সংসদ সদস্য এবং প্রায় ১২ বছর ধরে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রয়েছেন, তাহলে তিনি তো দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং নৌকার প্রতিনিধি। তাহলে যারা তাঁর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করছে তারা তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নৌকা প্রতিকের বিরোধীতা করছে। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার সব মানুষের চাওয়া-পাওয়া বা প্রত্যাশা হয়তো পূরুণ করতে পারেননি এটা যেমন সত্য, তেমনি নির্বাচনী এলাকার কোনো মানুষ তার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটাও চিরন্তন সত্য। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নিয়ে তার সঙ্গে মতবিরোধ থাকতে পারে সেটা দলীয় ফোরামে আলোচনা হবে। কিšত্ত এসব বগি নেতা দলীয় ফোরাম ব্যতিত যেখানে-সেখানে নানা অজুহাতে এমপি ফারুক চৌধূরী ও দলের বিরুদ্ধে বিষাদোগার করছে এতেই তৃণমূলে এসব বগি নেতাদের বিরুদ্ধে গণঅসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে তৃণমূল ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাবি তুলেছে যারা ইউপি সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্যতা রাখে না তারা কি উদ্দেশ্যে এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশা করে দলের নেতা ও দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে দলে কোন্দলের সৃষ্টি ও সম্ভবনাময় গোছানো মাঠ নস্ট করছে তাদের শেষ দেখতে চাই তৃণমূল, তৃণমূল বলছে দেখি তাদের কি এমন জনপ্রিয়তা রয়েছে, না কি ? বিএনপি-জমাঢাতের কাছে থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে তাদের বি-টিম হয়ে এসব করছে সেটারও শেষ দেখতে চাই। ইতিমধ্যে তৃণমূল তাদের গণদুসমন আখ্যাঢিত করে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*