আন্তর্জাতিক আদালতে অং সান সুচির বিচারের দাবি জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তিন নারী

আন্তর্জাতিক আদালতে অং সান সুচির
বিচারের দাবি জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তিন নারী
আবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার-২৬ ফেব্রুয়ারী ;; বাজারের উখিয়া ও বালুখালীতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী ইয়েমেনের তাওয়াক্কল কারমান, যুক্তরাজ্যের মেরেইড ম্যাগুয়ার ও ইরানের শিরিন। এই ৩ নারী মনে করেন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পরিকল্পিতভাবে স্মরণকালের ভয়াবহ গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে। এজন্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা অং সান সুচিকে দায়ী এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের দাবি জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তিন নারী।সোমবার(২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে কক্সবাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান। তারা বাংলাদেশের মানবিকতা প্রসংশা করে সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইয়েমেনের তাওয়াক্কল কারমান ও যুক্তরাজ্যের মেরেইড ম্যাগুয়ার রোববার কক্সবাজারে আসেন।সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারী)সকালে আসেন ইরানের শিরিন এবাদি। প্রথম দিন দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলেন ২ নারী।গতকাল সোমবার সকালে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে মোহাম্মদ আবুল কালাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সাথে কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদলটি যান উখিয়ার বালুখালী, থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। তারা আজ দিনব্যাপী ক্যাম্পের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছে। রোহিঙ্গা সম্পর্কে সার্বিক পরিস্থিতি জেনে আবেগাপ্লুত এই তিন নারী। গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের দাবি করেন তারা। বাংলাদেশের মানবিকতা প্রসংশা করে সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
আজ মঙ্গলবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে নোবেলজয়ী তিন নারীর।রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত আরো সংহত করতে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই তিন নারী ঢাকার নারীপক্ষ নামে একটি সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ সফর করছে। সফরের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন তারা। মঙ্গলবার উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*