এন্টিবায়োটিক ডায়বেটিসের কারণ

wwআন্তর্জাতিক ডেস্ক :: এন্টিবায়োটিক সেবন টাইপ-২ ডাইবেটিসের কারণ। গবেষণায় দেখেছেন ড্যানিশ গবেষকরা। তাদের এই ফলাফলটি ২০১২ সালে টাইপ২ ডায়বেটিসের ১ লাখ ৭০ হাজার ৫শ ৪টির কারণ চিহ্নিত করেছেন এবং যাদের ডাইবেটিস নেই এমন ১৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮ জনের সঙ্গে মিল পেয়েছে। এর পর তারা ১৩ বছর পূর্বের এন্টিবায়োটিক ব্যবহারকারিদের সরকারি ড্যানিশ ডাটাবেজ পর্যবেক্ষণ করেছেন।

যারা চিকিৎসকদের কাছ থেকে ২ থেকে ৪ বার এন্টিবায়োটিক সেবনের নির্দেশনা পেয়েছেন তাদের ২৩ শতাংশ ডায়বেটিসের উচ্চ ঝুঁকি থাকে। আর যারা ৫ বা তার বেশি বার এন্টিবায়োটিক সেবনের নির্দেশনা পেয়েছেন তাদের ডায়বেটিসের ঝুঁকি ৫৩ শতাংশ।

দ্য জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল এনডকরিনোলজি এণ্ড মেটাবোলিজম’র একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, অন্যদের তুলনায় যারা বেশি এন্টিবায়োটিক সেবন করেছেন তাদের ডায়বেটিসের ঝুঁকি অনেক বেশি। সাইনটিস্টরা বলছেন, এন্টিবায়োটিক মানব দেহের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা এবং গ্লুকেজের সমতার পরিবর্তন আনে।

জেনটোফ্ট হাসপাতাল (কোপেনহেগেন) এর সেন্টার ফর ডাইবেটিস রিসার্চ বিভাগের অধ্যাপক ড. ক্রিসটিয়ান হালুনবেইক মিকেলসেন বলেন, পশুদের ওপর চালানো একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, চিকিৎসার মাধ্যম হিসেবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে তা গ্লুকোজ এবং ইনসুলিন মেটাবোলিজমের ওপর প্রভাব ফেলে। পশুদের ওপর চালানো ঐ পরীক্ষার ফলগুলো ঠিক একইভাবে মানুবদেহের ওপরও সমান ভাবে কাজ করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*