সাতক্ষীরায় বিবাহিত হয়েও  ছাত্রসমাজের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আকরামুল!

সাতক্ষীরায় বিবাহিত হয়েও  ছাত্রসমাজের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আকরামুল!

সাতক্ষীরা স্টাফ  রিপোর্টারঃ ‘সাতক্ষীরা ছাত্রলীগে ছাত্র নেই: বিবাহিত, মাদকসেবী ও জামাত-শিবির দিয়ে চলছে ছাত্রলীগের কার্যক্রম’ শিরোনামের সংবাদদাতা ও  জাতীয় ছাত্রসমাজ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির সাধারন সম্পাদক আকরামুল ইসলাম বিয়ের তথ্য গোপন করে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রসমাজের সাধারন সস্পাদক হয়েছে বলে জানা গেছে | বিয়ের তথ্য গোপন করে সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার শিকার হচ্ছে সাংবাদিক আকরামুল ইসলাম। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন উল্লেখ করে ছাত্রলীগের নেতারা বলেন, আকরামুল তার লেখনির মাধ্যমে ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ও বর্তমান কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহম্মেদ সোহাগকে শিবির নেতা বানিয়েছিলো। তাছাড়া অসংখ্য ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতাদের মাদকসেবী বানিয়ে দিয়েছিলো। নিজেকে দায়িত্ববান সাংবাদিক হিসেবে পরিচয়কারি আকরামুল কেন নিজের বিয়ের কথা গোপন রেখে ছাত্রসমাজের সাধারণ সম্পাদক হয়েছে? সে প্রশ্ন সাতক্ষীরাবাসীর। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রসমাজের নেতারা জানান, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিত কেউ পদে আসতে পারবে না উল্লেখ্য থাকলেও তথ্য গোপন করে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আকরামুল ইসলাম। সে সাংবাদিক বলে আমরা তার ভয়ে মুখ খুলেনি। তবে এভাবে আর কত? আমরা মন থেকে ছাত্রসমাজ করি আকরামুলের মত ব্যক্তিসার্থে নয়! একারনে আমরা তার অতিবিলম্বে বহিষ্কার দাবি করছি। সূত্রে জানা যায়, তার শ্বশুর বাড়ি সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়া এলাকায়। শ্বশুর হলেন কাজি ফসিউদ্দীন স্বপন। সে সাতক্ষীরার আশাশুনি এলজিইডি অফিসে হিসাব রক্ষক হিসাবে কর্মরত। তার ছোট মেয়ে আফিনা আঞ্জুমান প্রথার সঙ্গে দীর্ঘ ৭ মাস পূর্বে বিবাহ হয়েছে আকরামুল ইসলামের। এই বিষয়ে কাজী ফসি উদ্দিন স্বপনের কাছে জানতে চাইলে তিনি তথ্য গোপন করে বলেন, এখনো বিয়ে হয়নি বিয়ের কথা চলছে। অথচ আকরামুল বিয়ে করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে জানান আকরামুলের পিতা নজরুল ইসলাম। আকরামুলের এক নিকট আত্মীয় জানান, আকরামুল দীর্ঘদিন সম্পর্কের পর প্রথার সাথে বিবাহ করে। বিয়ে যখন করেছে তাহলে অস্বীকার যাওয়ার কারন কী? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে কেন অস্বীকার করছে সেটি তার ব্যাপার, এটা আমার বোধগম্য নয়। তাছাড়া তার বিয়েতে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলো। এ বিষয়ে জেলা সাধারন সম্পাদক আকরামুল ইসলাম বলেন, আমি বিয়ে করেছি আপনাকে কে বলেছে। আমি বিয়েই করিনি। ছবি বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, প্রথার সাথে আমার সুসর্ম্পক্য রয়েছে।তবে বিয়ে হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*