কুতুপালংয়ের ইয়াবাডন রোহিঙ্গা  লাদেনের দম্ভোক্তি “প্রশাসন আমার পকেটে”

কুতুপালংয়ের ইয়াবাডন রোহিঙ্গা  লাদেনের দম্ভোক্তি “প্রশাসন আমার পকেটে”
শ.ম.গফুর,উখিয়া (কক্সবাজার)প্রতিনিধি ;;কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ইয়াবা ডন লাদেন ভিক্ষুক থেকে ইয়াবার উছিলায় কোটিপতি বনে যাওয়ায় তার দৌরাত্ম্য থামছেইনা।প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে প্রশাসন নাকি তার পকেটে!তাদের টাকায় নাকি প্রশাসন চলে।তার আগের ইয়াবা পাচারের মামলা নাকি ফিনিশ।
ইয়াবার “তকমা” অল্প টাকা গেছে নাকি?  সেখানে মাত্র লাখ টাকার মিশন নিয়ে পুলিশের নিকট না গেলেও দালাল -ফড়িয়ার দারস্থ হয়েই সব শেষ।লাদেনের মত তার অন্য রোহিঙ্গাদের মধ্যেও ক্যাম্প ও কুতুপালং বাজার কেন্দ্রিক ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চালিয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই।ফলে পুরনো রোহিঙ্গা হারুনুর রশিদ লাদেনের নেতৃত্বে বিরামহীন পাচার যজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গা চোরাচালানীরা। ব্যবসার ধরণ পাল্টিয়ে সিন্ডিকেটভুক্তরা একেক সময় একেক রকম অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে লাদেন সিন্ডিকেট। পুরনো রোহিঙ্গা হওয়ায় স্থানীয় ইয়াবা মহাজনদের সাথে গড়ে তুলেছে চোরাই ব্যবসার সিন্ডিকেট।লাদেন সিন্ডিকেট ইয়াবা, সোনা চোরাচালানে, মিয়ানমার পণ্যের দোকান,কুতুপালং বাজারে জেনারেটর,ইলেক্ট্রনিকের দোকান,ক্যাম্পে নানা ব্যবসা চালিয়ে গেলেও সরকারের নিয়মনীতি তোয়াক্কা করছেনা।স্থানীয় পাচারকারী সিন্ডিকেটের সাথে আতাঁত করে এখন ইয়াবা ডিলার হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছে লাদেন।তার সাথে একাধিক স্ত্রী ইয়াবা ব্যবসার টাকা আদান- প্রদানে সহযোগিতা করছে।লাদেনের ইয়াবা সিন্ডিকেট কুতুপালং হয়ে ঢাকা,চট্রগ্রাম,কক্সবাজার কেন্দ্রিক ইয়াবা সরবরাহ,বিক্রি,টাকা গ্রহণে রয়েছে সিন্ডিকেটভুক্ত আত্নীয়স্বজন।তার আত্নীয়ের পরিবার কক্সবাজার – চট্রগ্রামে অবস্থান করে লাদেনের বিশাল ইয়াবা ব্যবসার স্বাদ নিচ্ছে।তার রয়েছে সিন্ডিকেটভুক্ত ইয়াবা পাচার,হুন্ডি বাণিজ্য,চোরাচালান,সোনা পাচার,মানব পাচার,কুতুপালং বাজারে জেনারেটর সহ ২টি দোকান ছাড়াও এদেশের কোন আইন তোয়াক্কা না করে নতুন করে
আরো কয়েকটি ব্যবসার কাজ অব্যাহত রেখেছে।এসব দোকানের আড়াঁলে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা,প্রত্যাবাসন বিরোধী রোহিঙ্গাদের অর্থযোগান, মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক জঙ্গী রোহিঙ্গাদের সাথে যোগসুত্রসহ বহুমুখী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে অবাধে।চলে মোটর সাইকেল আর চশমা হাকিয়ে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে উখিয়ার কুতুপালং পুরনো ক্যাম্পের আশ্রিত আল ইয়াকিন সদস্য রোহিঙ্গা (ইয়াবা ডিলার) সিন্ডিকেট হিসেবে কুখ্যাতি লাভ করেছে।স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে সরকার বিরোধী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা লাদেন মিয়ানমারের হলেও এপারে পালিয়ে আসে প্রায় ২ যুগ আগেই।সে গত কয়েক বছর আগেও একজন দরিদ্র রোহিঙ্গা ছিল।মিয়ানমার ও কুতুপালংয়ের স্থানীয় ইয়াবা সিন্ডিকেটের হয়ে মজুরীতে ইয়াবা পাচার, হুন্ডির টাকা বহনের দায়ীত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেকে ইয়াবার বিশাল সাম্রাজ্যে জড়ান লাদেন।ফলে দিন দিন তার ইয়াবা ব্যবসা ছাড়াও অবৈধ ব্যবসার পরিধি বাড়তে থাকে।তার বিরোদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ইয়াবা পাচারের মামলা রয়েছে।তার এক সহযোগী রোহিঙ্গা ইয়াবা সহ ঘুমধুম পুলিশের হাতে আটক হয়ে বান্দরবান কারাগারে রয়েছে।ওই মামলার পলাতক আসামী হারুনুর রশিদ লাদেন লাখ টাকা নিয়ে চার্জশিট থেকে বাদ যাচ্ছে বলে লাদেন নিজেই প্রচার করছে।
ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের ইনচার্জ ওসি ( তদন্ত )ইমন চোধুরী জানান, লাদেনের নামে মামলা আছে।লাদেন এপারে পালিয়ে এসে রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা হয়েও ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়ে নাকি বাংলাদেশী পরিচয় দিচ্ছে।এক সময়ের ভিক্ষুক রোহিঙ্গা ইয়াবা ব্যবসায় শুন্য থেকে কোটিপতি বনেছে।১ম স্ত্রী রোহিঙ্গা ছাড়াও স্থানীয় লম্বাশিয়ার বুইল্যানী নামক এক মহিলাকে বিয়ে করে সেখানে বসতি গড়ে তুলেছে।একাধিক মহিলা দিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে সুদি ব্যবসাও।মোটাংকের লভ্যাংশে লাখ- লাখ টাকা সুদি ব্যবসায় বিনিয়োগ করছ সে। লাদেনকে ক্যাম্প এলাকায় জেনারেটর চালক হিসেবে জানলেও ইয়াবার উছিলায় কুখ্যাত ইয়াবা ডিলার হিসেবে পরিচিতি রয়েছে। কুতুপালং ক্যাম্প কেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেটে আরো যারা লাদেনের হয়ে যোগ দিয়েছে ইয়াবা ছৈয়দ,কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্পের কুজুলী ইউনুস কুতুপালংয়ের বাজারে অবস্থান করে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে মিয়ানমার থেকে পাচার করে এপারে  নিয়ে আসছে ইয়াবা,সোনার বার,নিষিদ্ধ সিগারেট সহ নানা চোরাই পণ্য।মিয়ানমারের এসব কালোবাজারী এপারে এসেও হরদম চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ব্যবসা। মুলত  ছৈয়দূর রহমান ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসার সিন্ডিকেট মিয়ানমারে থাকতেই শুরু।আর লাদেন ইয়াবা ডিলার হিসেবে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ায় কুতুপালং বাজারে দুইটি দোকান, সুদি ব্যবসায় লাখ-লাখ টাকা বিনিয়োগ ছাড়াও স্থানীয়দের নামে-বেনামে রয়েছে বহু সম্পদ।যে সম্পদ আত্নীয়স্বজনরা  দেখভাল করে থাকে।অপর দিকে ইয়াবা ছৈয়দ,কুজুলী ইউনুসের পাচার করা চোরাই পণ্যে উখিয়ার কুতুপালং বাজার সয়লাব হয়ে গেছে।মিয়ানমারের কুখ্যাত চোরাচালানী মিয়ানমারের বলী বাজারের কুজুলী ইউনুস কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়ে গড়ে তুলেছে চোরাচালানের নতুন সিন্ডিকেট।যে সিন্ডিকেটে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের গোরামিয়া মেম্বারের ছেলে কুতুপালং বাজারের দোকানদার ভুলু মিয়া ও আরো কয়েকজন পেশাদার চোরাকারবারি রয়েছে।ভুলু মিয়ার মাধ্যমে নানা চোরাই পণ্যের চালান,সোনার বার পাচার,বিদেশে মানব পাচার, করে থাকে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসলেও ইয়াবা ডিলার সোলেমান,কুজুলী ইউনুস আর ইয়াবা ছৈয়দের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রয়েছে মিয়ানমারের ব্যবসায়ী মগ ও জান্তা সরকারের বিভিন্ন অফিসারের সাথে।যাদের মাধ্যমে এখনো বাংলাদেশ থেকে কোটি- কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে মিয়ানমারে পাঠাচ্ছে ইয়াবা লাদেন ,কুজুলী ইউনুস-ইয়াবা ছৈয়দ সিন্ডিকেট।এসব অবৈধ ব্যবসার টাকা আদান- প্রদান হয় বিকাশ এজেন্ট ও হুন্ডির মাধ্যমে।সরকার জনস্বার্থ ও রাজস্ব আদায়ে উপজেলা ভিত্তিক বিকাশ নামের টাকা লেনদেনের এজেন্ট প্রথা চালু করলেও বর্তমানে তা হীতেবিপরীত হয়েছে। মিয়ানমার থেকে লাখ- লাখ রোহিঙ্গা এদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে বিকাশ ও হুন্ডি ব্যবসায়ীদের তৎপরতা বেড়েছে আশংকাজনক ভাবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক হুন্ডি ও বিকাশ এজেন্ট। যে সব এজেন্টের মাধ্যমে প্রবাসির টাকা সহ ইয়াবা বিক্রির টাকা লেনদেন করা হচ্ছে। ফলে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক- বীমা প্রতিষ্টান গুলোতে রেমিট্যান্স কমে গেছে উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন বিকাশ ও হুন্ডি ব্যবসা সরকারের আর্থিক প্রতিষ্টানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে। তাই এসব ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন সচেতন মহল।তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে,রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিক্তিক সবচেয়ে বেশি বিকাশ ও হুন্ডি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেটভুক্তরা। বিকাশের এজেন্ট সিম ছাড়াও রোহিঙ্গাদের রয়েছে নামে বেনামে অর্ধশত ব্যাক্তিগত বিকাশ সিম। এসব সিম থেকে প্রতিদিন লেনদেন করা হচ্ছে লাখ-লাখ টাকা।বাড়ী-বাড়ী গিয়েও রোহিঙ্গার হাতে হুন্ডির টাকা পৌছিয়ে দিচ্ছে। অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে   কুতুপালং বাজারের স্থানীয় এজেন্ট ছাড়াও রোহিঙ্গাদের ব্যবহ্নত নামে- বেনামের বিকাশ এজেন্ট গুলোর বিরুদ্ধে।এখন রোহিঙ্গা ইয়াবা ডিলার লাদেন ,কুজুলী ইউনুস,ইয়াবা ছৈয়দ সিন্ডিকেট নতুন করে হুন্ডির মাধ্যমে ইয়াবা,চোরাচালান,মানব পাচারের সকল টাকার লেনদেন করে যাচ্ছে। স্থানীয় ইউপির জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে রোহিঙ্গারা এদেশের আইনকানুন কে তোয়াক্কা করছেনা।নিজেরাই যেমন ইচ্ছে বৈধ-অবৈধ সব ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।প্রসংগত: ২৫ আগষ্টের পর থেকে মিয়ানমার হতে পালিয়ে আসা প্রায় ৭ লাখের বেশী রোহিঙ্গা উখিয়ার ৭টি অস্থায়ী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। উখিয়া-টেকনাফে নিবন্ধিত ১১ লাখের বেশী রোহিঙ্গার আশ্রিত বসবাস।এসব ক্যাম্প গুলোতে তল্লাশী চালালে দেখা যাবে প্রায় শতাধিক হুন্ডি ও বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে টাকা লেনদেন হচ্ছে। এমনকি রোহিঙ্গা ইয়াবা ডিলার লাদেন,কুজুলী ইউনুস এবং ছৈয়দ কে গ্রেফতার পুর্বক ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও ব্যবহৃত মোবাইল সিম নিরীক্ষা করলে বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি এবং মাফিয়া ডনদের সাথে অবৈধ লেনদেনের বহু অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।সরেজমিনে কুতুপালং ক্যাম্প বাজারে গিয়ে দেখা যায় রোহিঙ্গা ইয়াবা ডিলার লাদেন,কুজুলী ইউনুস ইয়াবা ছৈয়দ কখনো ব্যবসায়ী,কখনো নিরীহ রোহিঙ্গা,কখনো এদেশীয় সেজে ঠিকই বহুমুখী অনৈতিক ব্যবসা হরদম চালিয়ে যাচ্ছে। তাতে এদেশের কোন আইনই যেন তারা মানছেনা। কুতুপালং বাজারে অন্তত ৫ শতাধিক রোহিঙ্গা দোকানী রয়েছে, যারা কোন না কোন অবৈধ ব্যবসায় জড়িত।যারা  আইনশৃংখলাবাহিনীর কতিপয় লোকজনকে মাসোহারার বিনিময়ে অবৈধ ব্যবসা “হালাল” করছে।এভাবে প্রায় শতাধিক বিকাশ ও হুন্ডি ব্যবসায়ীর সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে রোহিঙ্গা ইয়াবা ডিলার লাদেন,কুজুলী ইউনুস,ইয়াবা ছৈয়দ কুতুপালং থেকেই নিয়ন্ত্রণ করছে অবৈধ ব্যবসা। উখিয়ার বিভিন্ন শরনার্থী ক্যাম্পে প্রকাশ্যে লেনদেন করছে উল্লেখিত সিন্ডিকেট। তবে রোহিঙ্গা বস্তি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সেক্রেটারী মোহাম্মদ নুর জানান,অবৈধ ব্যবসার কারণে বার- বার রোহিঙ্গার ভার্বমুতি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবী করেন ওই বিকাশ এজেন্টদের আটক করা হলে উখিয়ার সমস্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ প্রতি মাসে কত পরিমাণ ইয়াবা ব্যবসার টাকা লেনদেন হচ্ছে তা বেরিয়ে আসবে। এব্যাপারে উখিয়া সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার মনজুর আলম বলেন, যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মতো বিকাশ এজেন্ট গড়ে উঠার কারণে ব্যাংক খাতে সরকারী রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গেছে। তিনি আরো দাবী করেন বিকাশ সাইনবোর্ডের আড়ালে হুন্ডির টাকাও লেনদেন হচ্ছে। যত্রতত্র বিকাশ এজেন্ট গড়ে উঠার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী  জানান, রোহিঙ্গা সংকটে ব্যস্ত থাকার কারণে পরে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করছি।সম্প্রতি ৩৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২দুই রোহিঙ্গাকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছি।স্থানীয়দের দাবী ইয়াবা ডিলার লাদেন সহ এসব রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার পুর্বক আইনের আওতায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইয়াবা ও বহুমুখী অপরাধ জড়িতদের অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে। অবিলম্বে এসব অবৈধ কারবারে প্রশাসনের নজরদারী দাবী করেছেন স্থানীয়রা।অন্যথায় সরকারের মাদক বিরোধী অভিযান ভেস্তে যাবে বলে
আশংকা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*