রাতারগুল পর্যটনে আগত শতশত পর্যটক হয়রানি চরম আকার ধারণ করেছে

রাতারগুল পর্যটনে আগত শতশত পর্যটক হয়রানি চরম আকার ধারণ করেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি::সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রাতারগুল সোয়াম ফরেস্টে পর্যটক হয়রানি চরম আকার ধারণ করেছে। এতে দেশ বিদেশী পর্যটক ও সেবা দানকারী বিভিন্ন ট্যুরিজম এজেন্সি ও স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। রাতারগুল নৌকা ঘাটে প্রতিদিন শত শত পর্যটক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এমন অভিযোগ আগত পর্যটকদের ।গোয়াইনঘাটের নির্বাহী কর্মকতা পর্যটকদের নিকট থেকে প্রতিটা নৌকা ভাড়া ৭৫০ টাকা নিধা’রন করে দিলেও নৌকা মাঝিরা তা মোটেও আমলে নিচ্ছনে না। ১১২জন নৌকা মাঝি তারা নিজেদের পকেট ভারী করতে ও স্থানীয় অনেককে ভাগ বাটোয়ারা দিতে পর্যটকদের বাধ্য করে তাদের কাছ থেকে ইচ্ছা মত টাকা আদায় করে নিচ্ছে বলে জানান অনেক। নৌকা প্রতি ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা আবার কখনো কখনো এর চেয়েও বেশী নেওয়া হচ্ছে । এতে করে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকরা এখানে এসে আনন্দ বিনোদনের পরিবর্তে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এমনকি, টাকা আদায় করতে পর্যটকদের সাথে অনেক সময় দূব্য’বহার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় চৌগ্রাম ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিকসম্পাদক সাহিদুর রহমান সুমন ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের পরিচিত আগত অনেক পর্যটক বন্ধু-বান্ধবদের কাছে আমরা খুবই লজ্জা পাচ্ছি । এতে এলাকার সুনাম মারাত্মক ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। রাতারগূল সোয়াম ফরেস্ট পর্যটন স্পট এর উদ্যোক্তা গোয়াইনঘাট উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান সাংবাদিক আনোয়ার হোসাইন এর সাথে তাঁর মোবাইল ০১৬-৩৩-১৮৭-৬৯৮ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ধরনের খবরে হতাশা জানিয়ে বলেন, এখন যেখানে নৌকাঘাট বলে এই হয়রানি করা হচ্ছে, তখন সেই সময়ে এখানে জলাশয়ের মাঝে আমি পর্যটন নৌকার উদ্ভোধন করে পর্যটকদের আগমনের আহবান জানিয়ে ছিলাম। এখানে আজ কেন পর্যটকদের হয়রানি হতে হবে? এ রকম অবস্থা চললে পর্যটকরা আসতে চাইবে না। ফলে, সরকারের বত’মান বাস্তবায়নাধীন কোটি টাকার “পর্যটক সেবা প্রকল্প”বেস্তে যাবে। এটা খুবই দুঃখজনক খবর বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ব্যাপারে রাতারগূল ঘাটের নৌকা সমিতির আমির উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাতারগুল নৌকা ঘাটে পর্যটকদের নিকট থেকে অতিরিক্ত কোন টাকা নেওয়া হচ্ছে না। তবে মঠরঘাটে তিন হাজার টাকা পর্যটকদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। ৬নং ফতেহপূর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরী পর্যটকদের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও পর্যটক হয়রানির একটা অভিযোগ তাঁর কাছে এসেছে বলে জানান।গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*