আজও স্বিকৃতি মিলেনি মোবারক হোসেন প্রতিব্ন্ধী বিদ্যালয়টির !

আজও স্বিকৃতি মিলেনি মোবারক হোসেন প্রতিব্ন্ধী বিদ্যালয়টির !

মাসুদ রানা ,পতœীতলা (নওগাাঁ ) প্রতিনিধি : সমাজের পিছিয়ে থাকা , ছিটিয়ে থাকা, ঘরের ভিতরের লুকিয়ে রাখা, চিকিৎসা বিহীন হত দরিদ্র প্রতিব্ন্ধীদের নিয়ে ছয় বছর জীবন সংগ্রাম করে চলেছে কিছু তরুন তরুনীরা, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটি, এবং দাতা পারিবার। নওগাঁ পোরশা থানার উপজেলা সদরে নিতপুর কপালিড় মোড়ে আরো অনন্য বিদ্যালয়ের মতই তিলে তিলে গড়ে ওঠেছে ব্যাতিক্রমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোবারক হোসেন প্রতিব্ন্ধী বিদ্যালয়টি। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের ২০০৯ সালের নীতিমালার সকল শর্ত সমূহকে অনসুরণ করে ২০১৩ সালে শুরু করা হয় সকল কার্য্যক্রম। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করা হয়েছে প্রতিব্ন্ধী ছাত্র ছাত্রী যা আজ সংখ্যা দাঁড়িছে ২৫৪ জন এলাকাবাসি,গনমাধ্যম, সোস্যালমিডিযায় ব্যাপক সারা জাগিয়েছে। এর মধ্যেই বিদ্যালয়টি পরির্দশন করেছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশার,নওগাঁ জেলা প্রসাশক, জেলা ডিডি, সংসদ সদস্য, জেলা পিটি আই, জেলা শিক্ষা অফিস,জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি, এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ সকলের মনকে হতবাক করে তুলেছে এমন মানব সেবার কাজ দেখে। এলাকাবাসি এবং অভিভাকেরা সকলে সাধুবাদ জানিয়েছেন এমন মানব প্রেমি তরুন তরুনীদের। বিদ্যালয়টি সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আদেশে জেলা প্রসাশকের মাধ্যমে অডিট করা হয়েছে বেশ কয়েবার তবুও কোন অজানা কারনে মিলছে না স্বিকৃতি জনমনে নানা প্রশ্ন। বিদ্যলয়ের প্রতিষ্ঠাতা শাজাহান আলী জানান বাবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বাবার নিজ পৈত্রিক সম্পত্তিতে বিদ্যালয়টি স্থাপন করি আমার পরিবারের সকল সদস্য মিলে যে ভাবে পারি সকলে সহযোগীতা করে চলেছি বাবা একজন শিক্ষা অনুরাগী মান্ষু ছিলেন শিক্ষা এবং শিক্ষিত মানুষকে তিনি খুব শ্রদ্ধা করতেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জড়িয়ে থাকতেন। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাতার ছেলে মোঃ মওদুদ আহম্মেদ জানান অনেক কষ্ট করে আমরা প্রতিব্ন্ধী শিশুদের এক সাথে করে তাদের শিক্ষা সেবা দিতে পেরে আমরা ধন্য! আমারা ১৭ জন স্টাফ এর ভিতরে ৬ জন কর্মচারী প্রায় সবাই মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি এবং তারা বিনা বেতনে কাজ করে চলেছে। বিশেষ করে ভ্যান চালক এবং পিয়নদেও পরিবারে খুব অভাব অনটন । নেই কোন বেতন, বোনাস তারপরেও সেই সকাল থেকে বিকাল পযর্ন্ত সেবা দিয়ে চলেছেন। এদিকে মরহুম মোবারক হোসেনের আরেক ছেলে মোঃ মাহাবুর রহমান ( আনন্দ ) পুলিশে চাকুরী করেন সে বাচ্চদের টিফিন সহ যাবতীয় খরচ গুলো বহন করে থাকেন বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন কল্যাণ ও ফোর্স বিভাগ রাজার বাগে কর্মরত আছেন। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রসাশক এবং উপজেলা প্রসাশনের সহযোগীতাই বিদ্যালয়ের কিছু অবকাঠামো ঠিক করা হলেও বাঁকি অনেক বিষয় । এলাকার সকলের প্রত্যাশা বর্তমান সরকারে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ,মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিব্ন্ধী বান্ধব তাই এই বিদ্যালয়টি একদিন সরকারের আওতায় আসবে এবং সকল সরকারী সুবিধা পাবে এই সব মানব প্রেমি শিক্ষক শিক্ষিকা এবং কর্মচারীরা । এই আশায় বুক বেঁধে আছেন বিদ্যালয়ের সকল স্টাফেরা। তাই এলাকাবাসির দাবি বিদ্যালয়টি দ্রুত স্বিকৃতি দিয়ে এমপিও করা হলে প্রতিবন্ধিদ ছেলে মেয়েদের মুখে হাসি ফুটবে ,ফিওে পাবে এক নতুন জিবন এমন দাবি সকলের।

নওগাঁ ৪৬ – ১ মাননীয় সংসদ সদস্য বাবু সাধন চন্দ্র মুজুমদার বিদ্যালয়ে আসেন কিছু বাজেট দিয়েছেন এবং এই বিদ্যালয়টি আরো উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যাতে করে গরিব প্রতিব্ন্ধী শিশুরা যেন সব কিছুর সেবা পায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*