পটিয়ায় প্রেমিকাকে জবাই করে প্রেমিকের আত্মহত্যার চেষ্টা

পটিয়ায় প্রেমিকাকে জবাই করে প্রেমিকের আত্মহত্যার চেষ্টা
এম.বেলাল উদ্দীন আকাশঃস্টাফ রিপোর্টার৷৷ পটিয়া উপজেলা দক্ষিণ ভূষি ইউনিয়নের খানমোহনা রেলগেইটে এলাকায় স্কুল ছাত্রীকে জবাই করে হত্যার পর প্রেমিক নিজে গলায় চুরি চালিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। লোমহর্ষক এ ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার বেলা তিনটায় সময় পটিয়া উপজেলার দক্ষিনভূর্ষি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড় এলাকায় বেলতল নামক স্থানে। নিহত স্কুল ছাত্রীর নাম রিমা আক্তার (১৩)। সে উপজেলার হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্ঠম শ্রেনীর ছাত্রী এবং হাইদগাঁও ইউনিয়নের মঞ্জুরুল আলমের মেয়ে। মুমূর্ষবস্থায় উদ্ধার করা যুবকটির নাম নজরুল ইসলাম মাসুদ (১৭)। সে পটিয়া পৌর সদরের ৯ নং ওয়ার্ডের আমিরভান্ডারের পুরাতন বাড়ি এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে। সে এলাকায় রাজমিস্ত্রী কাজ করতো। জানাগেছে চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইনের পাশে পটিয়া উপজেলার দক্ষিনভূর্ষি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড় এলাকায় বেলতল নামক স্থানে নিহত স্কুল ছাত্রীর গায়ের উপর যুবকটি মুমূর্ষবস্থায় পরে রয়েছে। যুবকটি নড়াচড়া করলেও মেয়েটির নিথর দেহ মাঠিতে পরে থাকতে দেখা যায়। নিহত স্কুল ছাত্রীটির পরনেছিল স্কুল ইউনিফর্ম । মেয়েটির গলার ডান পাশে জবাই করার স্থান থেকে রক্তক্ষরন হচ্ছিল। মেয়েটির মুখে পাচঁ-ছয়টি চুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যুবকটির গলাও চুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ছেলেটির হাতটি রক্তাক্তবস্থায় দেখা গেছে। ঘটনার পর পর স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেঁচে থাকা রক্তক্ষরনবস্থায় যুবকটিকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরন করেন। দক্ষিনভূর্ষি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জায়েদুল হক জানান, ‘স্কুল ছাত্রী ও যুবককে বিলের উপর পরে থাকাবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। তার ধারনা যুবকটি মেয়েটিকে জবাই করে হত্যার পর নিজেই গলায় চুরি দিয়ে আত্বহত্যার চেষ্ঠা করেছে। পটিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ জানান, ‘প্রাথমিকভাবে এ ঘটনা আত্বহত্যা হিসেবে ধারনা করা হচ্ছে। বেঁচে থাকা যুবকটিকে মুমূর্ষবস্থায় উদ্ধার করে মেডিকেলে প্রেরন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*