টেকনাফের ইয়াবা গডফাদার ও মার্কিন হত্যা মামলার আসামী হামজালাল বেপরোয়া

টেকনাফের ইয়াবা গডফাদার ও মার্কিন হত্যা মামলার আসামী হামজালাল বেপরোয়া
কক্সবাজার জেলা প্র্রতিনিধি। টেকনাফের ইয়াবা গডফাদার ও মার্কিন হত্যা মামলার আসামী হামজলাল ও তার বাহিনীর সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে ফের প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমুলক র্কমকান্ড চালিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিবর র্দশকের ভ’মিকা পালন করায় এলাকার সচেতন মহলের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্ঠি হয়েছে। সে শহীদ আজিজুল হক মার্কিন নামের একজন সৎ ও নিরীহ লোক কে দিন দুপুরে গুলি ও কুঁপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। জানা যায়, বিগত ২০১৭ সালে শিক্ষা উপসচিবের গাড়িতে রবিউল ও ছিদ্দিকের ইয়াবাসহ কক্সবাজার ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ছিদ্দিকের সহযোগী টেকনাফের কুলাল পাড়ার তুহিন।১৬ সালে কক্সবাজার:টেকনাফের ইয়বা ডন হামজালাল ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা ড্রাইভার সহ চট্রগ্রাম লোহাগাড়া থানায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়। হামজালালের আপন ভাগিনা,ফরিদুল আলম প্রঃ ফরিদ ডাকাত হামজালালের ভগ্নিপতি ছিদ্দিক আহমদ প্রঃব্লেকার ছিদ্দিক, গনপ্রজাতন্রী বাংলাদেশ সরকার ষ্টীকার লাগানো একটি পাজেরো,জীপ থেকে, ৫০হাজার ইয়াবা উদ্বার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় জসিম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন । আটক ব্যক্তি হলেন ইয়াবা ব্যবসায়ী ফরিদুল আলমের চাচাতো ভাই জসিমউদ্দিন নগর গোয়েন্দাদেরকে জানান ইয়াবাও গাড়ীর মালিক হামজালালের আপন ভাগিনা ফরিদুল আলম প্রঃ ডাকাত ফরিদও ভগ্নিপতি ছিদ্দিক আহম্মদ প্রঃ ব্লেকার ছিদ্দিকের ইয়াবা বলে স্বীকার করেছেন । নগর ২৫শে মার্চ চট্রগ্রাম ডিবির হাতে সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িতে ৫০হাজার ইয়াবাসহ ছিদ্দিকের ভাতিজা টেকনাফের আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামী জসিম উদ্দীনআটকহয়। পরে তার জবানবন্দী অনুযায়ী ছিদ্দিক ও ফরিদুল আলমকে পলাতক দেখিয়ে মামলা দায়ের করেন পুলিশ।টেকনাফের ইয়াবা সম্রাট আলোচিত ইয়াবা ডন ছিদ্দিক প্রঃব্লেকার ছিদ্দিক,ওতার দু,পুত্র সমালোচিত শীর্ষ মাদক কারবারী ফরিদুল আলম প্রঃডাকাত ফরিদও কৌশল ইয়াবা ব্যবসায়ী রবিউল আলম এইদিকে গত,১৪,৩,১৭ইংতারিখে শিক্ষা উপসচিবের গাড়ী থেকে ৬০০০,পিস ইয়াবা উদ্বারকরেন কক্স বাজারের ডি,বি পুলিশ যার রামু থানার মামলা নং ২১/৭৫ এসময় দু,জনকে আটক করেন ডি,বি পুলিশ আটক ব্যক্তি আসামী তৌহিদূর রহমান জানান গাড়ী ও ইয়াবার মালিক ইয়াবা সম্রাট ছিদ্দিকের ছেলে রবিউল আলম ও তার বাবা ছিদ্দিক আহম্মদ তাদের কে ও ঐ ইয়াবা মামলাতে আসামী করা হইছে বলে জানান ডি,বি পুলিশ ছিদ্দিক এর ছেলে রবিউল শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে প্রশাসনের আড়ালে আইনপ্রয়োগ কারীকে ফাঁকি দিয়ে,দীর্ঘ দিন ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন,ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জাগায় ইয়াবা পাচার করে যাচেছ শিক্ষার্থী রবিউল আলম এই দিকে রবিউলের মামা হামজালাল ও হামজালের ড্রাইভার মোঃ ইউছুফসহ ১৯৯০,পিস ইয়াবা সহ আটক হন লোহাগড়া থানায়,লোহাগাড়া থানা মামলা নং১৬/৫৪,এই দিকে হামজালালের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায়আলেচিত মার্কিন হত্যাসহ আরও ৩’টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।প্রশাসনের খাতায় সেএকজন বৈধ ব্যবসায়ী কিছু গবাদী ব্যবসা করে আইনপ্রয়োগকারী কে ফাঁকি দিয়ে চলছে বড় বড় ইয়াবা ব্যবসা প্রশাসনের নজরে সে একজন ভাল মানুষ প্রশাসনের মাথাই তৈল লাগিয়ে ও বৃদ্ধ আঙুল দেখিয়ে চালিয়ে যাচেছন ইয়াবা ব্যবসা এই দিকে তার আপন ভাই ইউসুফ জালাল,বাহাদুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের শীর্ষে রয়েছেন তার নাম তার বাবা খলিলুর রহমানেনামে রয়েছেন৫.টি বড় মাপের ট্রাক সেই ট্রাক দিয়া চলে যাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইয়াবা সেই ইউসুফ জলাল বাহাদুরের ট্রাক ড্রাইভার দিয়া ১২.৫.১১ইং তারিখে ইয়াবার চালান টিকমত পৌঁছে দিতে না পারিলে ট্রাক ড্রাইভার কে প্রকাশ্যে হত্যা করেন পরে আবুল আলমের আত্মীয় স্জনেরা হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলানং ৩৪.বাহাদুরের আরেক ট্রাকড্রাইভার ডেইল পাড়ার আব্দুশুক্কুর কে ট্রাক ভর্তি ইয়াবার চালান নিয়া পাঠাই ঢাকা কিছু ইয়াবা পাওয়া না গেলে তাহাকে বাড়ী থেকে ফিল্মষ্টাইলে উঠাই নিয়া গিয়ে টেকনাফ বীচ এলাকায় প্রকাশ্যে হত্যা করেন যার মামলানং৩৯.৫৬৪ পরে সেই হত্যা মামলারবাদীকে হুমকি ধমকি দিয়ে ও হামজালের প্রভাব কাটিয়ে কিছু টাকা দিয়া সিদ্ধান্ত নেন সেই হত্যা গুম খুন ইয়াবা সহ সেগেন্ড ইন্ড কমান্ড বলে জানান স্থানীয়রা । জানা যাই,গত ২৬.৬.১৬ইং তারিখে ঢাকা মাদকদ্রব্য টিমের হাতে ১৩০০০.হাজারইয়াবাসহ আটক হন হামজালালের বড় বোন ওভাগিনা ফরিদুলআলম,প্রঃডাকাত ফরিদ। উক্ত মামলায় ছিদ্দিক প্রকাশ ব্লেকার ছিদ্দিক,ইউছুফ জালাল বাহাদুর ও সামশু আলমকে পলাতক দেখিয়ে ৫জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং,২৮.১৩২জিআর । এই দিকে গত ৯.৪.১৭ইং তারিখে ১৫০০০.হাজার ইয়াবা সহ আটকহলেন ফরিদুল আলমের চাচাতো ভাই ছৈয়দ আলম সেই ইয়াবার মালিক ফরিদুল আলম ওছিদ্দিক বলে জানাই আটককৃত আসামী ছৈয়দ আলম ।অনুসন্ধানে জানাযাই যে ঢাকা সহচট্টগ্রাম ওটেকনাফেএকাদিক মাদক মামলাওহত্যা মামলা সহ অসংখ্যা মামলা রয়েছে তাদের ২০.২.১৪ইং তারিখে বি এন পির নেতা আলম মেম্বার কে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় ফরিদুল আলম যার মামলা নং ৩৫/৭৫৪। ৯.৪.১৫ ইং তারিখে রডও সিমেন্ট ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় ওদোকান ভাংচুর করেন যার মামলা নং ২৩/২৪৯ । গত ১২.৮.১৩ ইং তারিখে প্রকাশ্যে দিবালোকে দিদার পেট্রোল পাম্পের সামনে ডেইল পাড়ার মকতুল কোম্পানির ছেলে মোঃ রফিককে পেটের নাড়ি ভূড়ি বাহির করেন যার মামলা নং২৫/৪৩১ ১০.৩.১২ ইংতারিখে দিবালোকে ডেইল পাড়া বাসীর উপর হামলা করেন যার মামলা নং ২১/১৪৯ । উক্ত সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে তাদের মালিকানাধীন ট্রাক ৫টি, ৩ টি নোহা ও ২ টি ডাম্পার ও ৩ টি প্রাইভেটকার দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে মরণ নেশা ইয়াবা।জানা যাই চট্টগ্রামে গোয়েন্দার হাতে আটক হউয়া সরকারী ষ্টীকার লাগানো তাদের পাজেরো গাড়িতে ৫০.হাজার ইয়াবা উদ্বার করেন নগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ফরিদুল আলম ছিদ্দিক আহাম্মদকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন নগর গোয়েন্দা পুলিশ ।অনুসন্ধানে জানা গেছে ব্লেকার ছিদ্দিকের দুই ছেলে ফরিদুল আলমও রবিউল আলম দুই শ্যালক হামজালাল ইউসুফ জালাল বাহাদুর সহ আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী এরা সবাই ইয়াবা সিন্ডিকেট নাম দিয় আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী এরা সবাই ইয়াবা সিন্ডিকেট নাম দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন এদের বিরুদ্ধে মাদকও হত্যা সহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী ।ইয়াবা গডফাদার হামজলালের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় যে সব মামলা রয়েছে:- চট্রগ্রাম লোহাগাড়া থানার মামলা নং- ১৬/জি,আর৫৪/তারিখ-০৯/০২/২০০১৬।ডিএমপি,তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নং- ৩৭/জি,আর৩১৬/ তারিখ- ২৫/০৮/২০১৭।টেকনাফ থানার হত্যা মামলা নং-৩৫/জি,আর ৫৯১/তারিখ-১৫/০৯/২০১৫। টেকনাফ থানা মামলা নং- ৩৭/জি,আর ২২৪/ তারিখ-৩১/০৭/২০০৮। টেকনাফ থানার এসিড নিক্ষেপ মামলা নং-১৪/জি,আর ১২৮/তারিখ-৩১.০৮/২০০৫। টেকনাফ থানা মামলা নং- ১১/জি,আর ৫৬/ তারিখ- ২৫/০৪/২০ ০৫। ইয়াবা গডফাদার হামজলালের সহযোগী ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় যে সব মামলা রয়েছে:-ডিএমপি শাহবাগ থানা মামলা নং- ১৮/জি,আর ৪৬৪/তারিখ-১৮/১২/২০১৬। রামু থানা মামলা নং- ২১/জি,আর ৭৫/তারিখ- ১৪/০৩/২০১৭/। সিএমপি কর্ণফুলী থানা মামলা নং- ৪০/জি,আর ১৪৬/তারিখ- ২৫/০৩/২০১৮।টেকনাফ থানা আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলা। যাহার নং- ৩৫/জি,আর৫৯১/তারিখ- ১৫/০৯/২০১৫। টেকনাফ থানা মামলা নং-২৩/জি,আর ২৪৯/তারিখ- ০৮/০৪/২০১৫ ও টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার ২১/।এদিকে মায়ানমার থেকে ছিদ্দিকের ইয়াবা পাচার কাজে ব্যবহার করে বাতিজা সফিক আলমকে ছিদ্দিকের ছোট ভাই টেকনাফের আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামী জালাল আহম্মদের ছেলে সফিক(১৬) টেকনাফ বর্ডার গার্ড বিজিবির হাতেনাফ নদী থেকে ইয়াবা সহ আটক হয়েছিল ১৫সালে টেকনাফ থানার জিআর নং- ৪৯৯/১৫।সর্বশেষ ০৫/০৯/১৮ ইংরেজী তারিখ নাফ নদীর সীমান্ত থেকে ইয়াবা গডফাদার ছিদ্দিকের ১৫হাজার ইয়াবা নিয়ে টেকনাফ নাজির পাড়া বিজিবি’র হাতে ফের গ্রেপ্তার হন ছিদ্দিকের ভাতিজা সফিক । যার টেকনাফ থানার মামলা নং- ১৫/তারিখ-০৫/০৯/২০১৮ ইং। অপরদিকে ছিদ্দিকের ইয়াবাসহ টেকনাফের আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার আসামী ছিদ্দিকের চাঁচাতো ভাই ছৈয়দ আলম চট্রগ্রাম লোহাগাড়া থানায় বিশহাজার ইয়াবাসহ আটক হয়। যাহার মামলা নাম্বার ১৩/ তারিখ-০৯/০৪/২০১৭। ইয়াবা গডফাদার হামজলালের বড়বোন ছিদ্দিকের স্ত্রী ইয়াবা সুন্দরী রশিদা বেগমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় যে সব মামলা রয়েছে:-ঢাকা মুগ্ধা থানার মামলা নং-২৮/জি,আর ১৩২/তারিখ-২৬/০৬/২০১৬। (ইয়াবা সহ ছেলে শীর্ষসন্ত্রাসী ফরিদসহ গ্রেপ্তার)। ডিএমপি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নং- ৩৭/জি,আর ৩১৬/তারিখ- ২৫.০৮.২০১৭। টেকনাফ থানার আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলা নং- ৩৫/জি,আর ৫৯১/তারিখ-১৫/০৯/২০১৫। ইয়াবা গডফাদার হামজলালের অপর টেকনাফ নাজির পাড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবাগডফাদার ফরিদ আলমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় যে সব মামলা রয়েছে:-ঢাকা মুগ্ধা থানা মামলা নাম্বার ২৮/জিআর ১৩২/তারিখ- ২৬/০৬/২০১৬।(ইয়াবাসহ মা ছেলে গ্রেপ্তার)। ডিএমপি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নং- ৩৭জি,আর৩১৬তারিখ-২৫/০৮/২০১৭।সিএমপি কর্ণফুলী থানা মামলা নং- ৪০/জি,আর ১৪৬/তারিখ- ২৫/০৩/২০১৮ । সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িতে থেকে ৫০হাজার ইয়াবা উদ্ধার ধৃত আসামী জসিম উদ্দীনের জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক ছিদ্দিক পরিবার জসীম ছিদ্দিকের ভাইয়ের ছেলে ও ইয়াবা বহনকারী অর্থাৎ ফরিদ আলমের চাঁচাতো ভাই। টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার ৩৫/জিআর ৫৯১/তাঃ ১৫সেপ্টেম্বর ২০১৫ আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার প্রধান আসামী। টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার ২৩/জিআর ২৪৯/তাঃ ৮এপ্রিল ২০১৫।টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার ৩৫/জিআর৭৫৪/তাঃ ১৯শে ডিসেম্বর ২০১৪। উখিয়া থানা মামলা নাম্বার ১৩/জিআর ১২১/তাঃ ১৯.০৬.১৬। তার বিরুদে। আরো বিভিন্ন থানায় ৬টা মামলা রয়েছে।এদিকে ইয়াবা গডফাদার হামজালালের বাগিনা খুনি ছিদ্দিকের ছেলে রবিউল আলম চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিক্ষার্থী পরিচয়ে রমরমা ইয়াবা বাণিজ্য।ডিএমপি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নাম্বার ৩৭/জিআর ৩১৬/তাঃ ২৫.০৮.১৭/ইয়াবাসহ আটক মামলা।২০১৭ সালে শিক্ষা উপসচিবের গাড়িতে টেকনাফেরকুলাল পাড়ার তুহিন আটক মামলার ধৃত আসামীর জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক শিক্ষার্থী পরিচয়দানকারী রবিউল সেই মামলার দুই নাম্বার আসামী–রামু থানার মামলা নাম্বার ২১/জিআর ৭৫/তাঃ ১৪মার্চ ২০১৭/। সিএমপি কর্ণফুলী থানা মামলা নাম্বার ৪০/জিআর ১৪৬/তাঃ ২৫শে মার্চ ২০১৮সালে সরকারি স্টিকার লাগেনা গাড়িতে ৫০হাজার ইয়াবাসহ ধৃত আসামী ছিদ্দিকের বাতিজা অর্থাৎ রবিউলের চাঁচাতো ভাই জসীমের জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক রবিউল ৩নং আসামী।উখিয়া থানামামলা নাম্বার ১৩/জিআর ১২১/তাঃ ১৯শে জুন ২০১৬/টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার২৫/জিআর ৪০১/তাঃ ১৪আগষ্ট ২০১৩। এদিকে রবিউল চট্রগ্রাম লেখা পড়ার সুবাদে র‌্যাব- ৭এর সাথে সম্পর্ক ভাল বলে প্রচার করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। সর্বশেষ টেকনাফে অস্থায়ী পাঁচটা র্যাব ক্যাম্প হওয়ার পর থেকে নাজির পাড়ার তিনজন বড় মাপের ইয়াবা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে র‌্যাব- ৭’র চট্রগ্রাম কার্যালয়ের সিও সাহেবের নাম ভাঙ্গিয়ে ১৭লক্ষ টাকা নিয়েছে বলে জানা গেছ্ ে।যতদিন র‌্যাবের অভিযান থাকবে ততদিন এই তিনজন গডফাদারদের বাড়িতে কোন অভিযানে আসবেনা এবং তালিকা থেকে তাদের নামবাদ দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের সাথে এই বড় অংকের টাকার লেনদেন হয়েছে বলে সুত্রে প্রকাশ। এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে রবিউলেরপ্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়ার পর থেকে নাজির পাড়ার অন্যন্য ইয়াবাব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান পরিচালিত হলেও অদৃশ্য কারণে ঐ তিনজন শীর্ষ ইয়াবাকারবারীর বাড়িতে অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় এলাকার সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*