তামাবিল স্থল বন্দর চালু হওয়ায় ভারতের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য আরো সম্প্রসারিত হয়েছে

তামাবিল স্থল বন্দর চালু হওয়ায় ভারতের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য আরো সম্প্রসারিত হয়েছে
—— নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান
শোয়েব উদ্দিন, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি- নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতার আসার পর দেশের স্থলবন্দর সংস্কার ও নদী খননে ব্যাপক উন্নয়ন মুলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভরাট হওয়া নদী খনন করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের কল্যাণে এবং দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে অনেক স্থল বন্দর নতুন করে নিমার্ণ ও সংস্কার কাজ করা হয়েছে।সিলেট তামাবিল স্থল বন্দর কে একটি আর্ন্তজাতিক মানের স্থলবন্দর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আওয়ামীলীগী সরকার অন্তত ৮০ কোটি টাকা ব্যয় করে এখানে আধুনিক মানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করেছে।এতে সিলেট অঞ্চলের ব্যবসা বাণিজ্যের বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা অনেক সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। তামাবিল স্থল চালু হওয়ায় আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য আরো সম্প্রসারিত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বন্দর চালু হওয়ার পর এপর্যন্ত দেশের বিভিন্ন মালামাল রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ভারতের সেভেন সিষ্টার হিসাবে পরিচিত ৭টা রাজ্যের সাথে স্থল পথ, নৌ-পথ এবং রেল পথ যোগাযোগ বাড়াতে উভয় দেশ এক সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তামাবিল স্থল বন্দর চালু হওয়ার এক বছরের মধ্যে সরকার ১ শত ১১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হয়েছে। শেখ হাসিনা দেশে ক্ষমতায় আছেন বলে আজ সারা দেশ উন্নয়ন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তামাবিল চুনা পাথর, পাথর, কয়লা আমদানি কারক গ্রুপ নেতৃবৃন্দ সভায় তামাবিল স্থলবন্দর নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরলে তিনি ব্যবসায়ীদের কল্যাণে দ্রুত্ব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। দেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে তিনি আগামী নির্বাচনে নৌকায় প্রার্থী কে ভোট দেয়ার আহবান জানান।
গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে তামাবিল স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনা বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌ- পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিছবাহ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান, পুলিশ সুপার মনিরুজ্জমান, নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ডা: মুজিবুর রহমান হাওলাদার। নৌ পরিবহন মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো: কবির খানের উপস্থাপনায় সভায় বক্তব্য রাখেন তামাবিল স্থল বন্দরের সুপার মো: শফিকুল ইসলাম, স্থল বন্দরের প্রকৌশলী রুহল আমিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল, সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, বাংলাদেশ স্থলবন্দর সিবিএ‘র সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জীবন, তামাবিল চুনা পাথর, পাথর কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের সভাপতি এম লিয়াকত আলী, পূর্ব জাফলং ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান লেবু, তামাবিল চুনা পাথর, পাথর কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার হোসেন সেদু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ উদ্দিন লিপু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*