বকশিষের নামে ভারতীয় ট্রাক চালকদের হয়রানি: বেনাপোল বন্দর দিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ

বকশিষের নামে ভারতীয় ট্রাক চালকদের হয়রানি: বেনাপোল বন্দর দিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ

মোঃ আযুব হোসেন পক্ষী,বেনাপোল(যশোর )প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দরে আমদানিকৃত পণ্য নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাক চালকদের সাথে বন্দর ব্যবহারকারী কয়েকটি সংগঠনের সদস্য কর্তৃক বেনাপোল বন্দরে আমদানিকৃত পণ্য ট্রাক থেকে আনলোড নিয়ে নানা হয়রানিসহ তাদের সাথে দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে শনিবার দুপুর থেকে ভারতীয় ট্রাক শ্রমিক সংগঠন এবং মালিক সমিতি বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দু-দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে ভারত থেকে কোন পণ্য বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেনি এবং বেনাপোল বন্দর থেকে কোন পণ্য ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে যায়নি। ভারতীয় ট্রাক শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলছেন, ভারত থেকে রফতানিকৃত পণ্য নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আসার পর তাদের উপর শুরু হয় নানা হয়রানিসহ দুর্ব্যবহার। নিয়ম মাফিক বকশিষের টাকা দিলেও তারা অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য জটিলতা সৃষ্টি করে আসছে। এ সব জটিলতা নিরসনে দু‘দেশের বিভিন্ন সংগঠেনের সমন্বয়ে সম্প্রতি দুইটি আলোচনা সভা বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরে অনুষ্ঠিত হয় । সভায় সিদ্ধান্ত হয় ট্রাক বিশেষ বকশিষের হার। কিন্তু বেনাপোল বন্দরের কতিপয় সংগঠনের সদস্যরা এ সকল সিদ্ধান্ত না মেনে তারা ইচ্ছা মাফিক বকশিষের টাকা আদায়ের ব্যাপারে অনড় থাকায় আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় ট্রাক শ্রমিক ও মালিকদের সংগঠনগুলো। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় ভারতের পেট্রাপোলে বন্দরে আটকা পড়েছে শত শত পণ্য বোঝাই ট্রাক। যার অধিকাংশই রয়েছে বাংলাদেশে রফতানিমুখি গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল। তবে আমাদানি-রফতানি বন্ধ থাকলে বেনাপোল বন্দরে খালাশ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রয়েছে। কাস্টমসেও কাজ চলছে স্বাভাবিক ভাবে। এ ব্যাপারে বেনাপোল স্থল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম বলেন, দু’দেশের শ্রমিকদের অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে শনিবার দুপুর থেকে এ পথে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। আলোচনা চলছে খুব শীঘ্রেই এ সমস্যার সমাধান হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*