বাংলাদেশ শিল্পক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে

বাংলাদেশ শিল্পক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক ;; এক সময়ের তলাবিহীন ঝুড়িরদেশটি এখন উন্নয়নের রোল মড়েল। ৪৩বছর পর বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পরিচয়। ১৯৭৫সাল থেকে যে দেশটি সল্পউন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ সালে সে ছোট আয়তনের দেশটির নাম প্রাথমিক ভাবে উঠে এসেছে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। বিদেশী বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ২য় স্থানে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। উন্নয়ন অবিযাএায় অদম্য এক বাংলাদেশ,অর্থনীতিতে বতর্মানে জিডিপি ৭.৮৬%শতাংশ হারে। জিডিপির সুফল ও পাচ্ছে মানুষ। বাংলাদেশের মানুষের মাথা পিছু আয় বর্তমানে ১৭৫১ ডলার। এর পাশাপাশি কমেছে গরিব মানুষেরর সংখ্যা ও অতি দরিদ্রতার হার ১২.৯% শতাংশ। নিজ অর্থে হচ্ছে পদ্মাসেতু, থেকে নাই মেট্রোরেল, পায়রা বন্দর, পরমানোবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ ও। ৯ বছরে বিদ্যুৎের উৎপাদন বেড়েছে ৬গুন। শিক্ষা, চিকিৎসা,কৃষিতে বাংলাদেশের অর্জন গর্ব করার মতো। ধান উৎপাদনে বিশ্বের ৪থ স্থানের দেশটি পোশাক শিল্পে স্থান করে নিয়েছে বিশ্বের ২য় স্থানে। বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্পক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। মাথা পিছু আয়,মানব সম্পদ উন্নয়ন,ও অর্থনেতীক উন্নয়ন তিন সূচকে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বতর্মানের বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে ৫ম,আম উৎপাদনে ৭ম,সবজি উৎপাদনে ৩য়,আলু উৎপাদনে ৭ম স্থানে স্থান করে নিয়েছে বিশ্বের বুকে। এ ছাড়া বাংলাদেশের রিজার্ভ প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানী আয় দাড়িয়েছে ৩৫ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশের মানুষ ভাগ্যের চাকার পরিবতর্ন করতে প্রতিনিয়ত প্রবাসে পাড়ি জমায় যার সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১কোটির বেশী। স্বাধীনতার পর যে দেশে রপ্তানী করার মতো কিছুই ছিলো না একমাএ পাট ছাড়া সে দেশ এখন শত রকম পণ্য রপ্তানী করে অর্জন করছে শত শত বিলিয়ন ডলার। ৪৩ বছর আগের বাংলাদেশ এখন জলসমুদ্রে নিজের তৈরী যাহাজ এখন ঘুরে বেড়ায় বন্দর থেকে বন্দরে লাল সবুজের পতাকাবহন করে। যে দেশটি ৮০ ভাগ ঔষদ আমদানী করে দেশের চাহিদা মেটাতো সে দেশটি এখন চাহিদার ৯৮ভাগ ঔষদ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে নিজ দেশেই, এছাড়া বিশ্বের জীবন বাঁচাতে ইউরোপ,এমেরিকা সহ বিশ্বের ১০০টির ও বেশীদেশে রপ্তানি করা হয় বাংলাদেশের তৈরী ঔষুদ।বাংলাদেশের উষ্কাশতা এখন বিশ্ব মানচিএে ৫৬হাজার বর্গমাইলের ছোট এইদেশটি এখন অনেক বড় হয়েগেছে অর্থনীতির পথ চলায়। অদ্যম এই বাংলার বাশিঁর সুর এখন শোনা যায় গোটা বিশ্বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*