মেডিকেল ভর্তিতে মেধাতালিকায় রাঙ্গুনিয়ার দুই শিক্ষার্থী 

মেডিকেল ভর্তিতে মেধাতালিকায় রাঙ্গুনিয়ার দুই শিক্ষার্থী 
স্টাফ রিপোর্টার৷৷ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে রাঙ্গুনিয়ার দুই মেধাবী শিক্ষার্থী।মেধাতালিকায় এরমধ্যে একজন দ্বিতীয় স্থানও লাভ করেন। এরা হলেন উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়ার ধামাইরহাটের আফজল পাড়া এলাকার এনজিও কর্মকর্তা শাহ মুহাম্মদ ইদ্রিস’র মেয়ে উম্মে শেফা আইরিন এবং অন্যজন উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের মধ্যম পারুয়া এলাকার মো. ইলিয়াছ’র মেয়ে ফারহানা ইয়াছমিন। ২০১৮-১৯ সেশনে মেডিকেল ভর্তি আপরীক্ষায় সারাদেশের ৬৫ হাজারের অধিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে উম্মে শেফা আইরিন জাতীয়ভাবে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় এবং ফারহানা ইয়াছমিন ৪৮৮ তম স্থান লাভ করেন। জাতীয় মেধাতালিকায় স্থান পাওয়ায় রাঙ্গুনিয়ার এই দুই অধম্য মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন পৃথক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উম্মে শেফা আইরিন’র মামা এস.এম কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আইরিন চট্টগ্রাম নাসিরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি ও চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুটাতেই গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে পাস করেন। বিশিষ্ট হিসাব রক্ষক মরহুম আবদুর রাজ্জাক এবং পৌরসভার মুরাদনগরের সভ্রান্ত পরিবার মরহুম আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলামের নাতনি আইরিন। তার বাবা একজন এনজিও কর্মী ও মা নুরুন্নাহার বেগম বি.আই.জেড.এইচ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা। এক ভাই এক বোনের মধ্যে বড় ভাই এস.এম ইমরান ঢাকা বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।’

উম্মে শেফা আইরিন জানান, ‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, বড় হয়ে ডাক্তার হব এবং গরীব অসহায় মানুষের সেবা করব। এবার কঠোর অধ্যবসায় দিয়ে আমার এই স্বপ্ন পূরণ করতে চাই এবং ডাক্তার হয়ে রাঙ্গুনিবাসীর সেবা করতে চাই।

অন্যদিকে ফারহানা ইয়াছমিনের মামা পারুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, ‘ফারহানা ইয়াছমিন চুয়েট স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুটাতেই এ প্লাস পেয়ে পাস করেন। তার বাবা মো. ইলিয়াছ মৎস্য খামারী ও মা মনোয়ারা বেগম গৃহিণী। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ফারহানা সবার ছোট।

ফারহানা বলেন, ‘আমার এ সফলতার পেছনে মা-বাবা ও সবার দোয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাই আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। আমি ডাক্তার হয়ে গরীব অসহায়ের সেবা করতে চাই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*