রাউজানে নৌকার মাঝি ফজলে করিম – গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

রাউজানে নৌকার মাঝি ফজলে করিম গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

শাহাদাত হোসেন , রাউজান প্রতিনিধি;;  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এম পি বলেছেন- বর্তমান সরকারের আমলে রাউজানে এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর একান্ত প্রচেষ্টা ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছে , তা আর কোন সরকারের আমলে হয়নি। তিনি বলেন বর্তামান সরকার সারা বাংলাদেশ ৭০লক্ষ নারী- পুরুষকে বয়স্ক, বিধবা, পঙ্গু, মাতৃত্তকালীন ভাতা দিচ্ছে। তিনি বলেন এক সময়ের রাউজান সন্ত্রাসী জনপদ হিসাবে দেশে মধ্যে পরিচিত ছিল। রাউজানের সাধারণ মানুষ সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্ম ছিল। রাউজানে অনেক আওয়ামীলীগ , যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা কর্মী স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির লালিত সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে। এখন রাউজান এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী নেতৃত্বে শান্তির জনপদে পরিনত করেছে। তিনি বলেন রাউজানে নৌকা প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী । নৌকার মাঝিও ফজলে করিম।রাউজানে তার বিকল্প হিসাবে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ভাবাই যা না। রাউজানের আসনে তিনি চুড়ান্ত। আগামী নির্বাচনে আবারো এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে নৌকা প্রত্যিককে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত করে চতুর্থবারের মত মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাউজানের আসন উপহার দিতে হবে। মন্ত্রী আরো বলেন – যারা রাজনীতির নামে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে মানুষ হত্যা ও দেশের অসহায় মানুষের উপর নির্যাতন করে, দেশের মানুষের কাছে তাদের ভোট চাওয়ার কোনো অধিকার নেই। আগামী নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধিনে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে হবে। ড. কামাল, বদরুদৌজ্জা, আসম, আবদুর রব, বি চৌধুরী বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আন্তর্জাতিক ভাবে যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন সঠিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন হবে। তাদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বাংলাদেশের জনগণ আবারো আওয়ামীলীগকে নৌকা প্রত্যিককে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন ।

১৩ অক্টোবর শনিবার রাউজান জলিল নগর বাস ষ্টেশনে রাউজানে নির্বাচনী বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিরি একথা বলেন ।রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও রাউজান পৌরসভার দ্বিতীয় প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, আমি রাজনীতি করি রাউজানবাসীর কল্যাণের কাজ করার জন্য। রাউজানবাসীর কাছ থেকে আমার চাওয়ার কিছু নেই। আমি নিতে আসিনি, দিতে এসেছি। আমি আমার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকতে চাই। আমি চাই রাউজানে এক করিম নয় লক্ষ করিম সৃষ্টি হোক। তিনি রাউজানের উন্নয়ন ও ভবিষৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি রূপরেখা প্রকাশ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম , রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান একে এম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, জেলা পরিষদের সদস্য কাজী আবদুল ওহাব, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, ইউনুচ গণি চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন শাহ, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ইউনুস গণি চৌধুরী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী দিলোয়ারা ইউছুপ, নুরুল মোস্তফা মানিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, ফৌজিয়া খানম মিনা, চেয়ারম্যান আবদুর রহমান চৌধুরী লালু, এম সরোয়াদ্দী সিকদার, প্রিয়োতোষ চৌধুরী, বিএম জসিম উদ্দিন হিরু,লায়ন সাবুদ্দিন আরিফ, এম আব্বাস উদ্দিন, ভুপেশ বড়ুয়া,কাউন্সিলর আলমগীর আলী, জানে আলম জনি, আজাদ হোসেন, সওকত হাসান, এডভোকেট সমীর দাশ গুপ্ত, স্বপন দাশ গুপ্ত, এডভোকেট দিপক দত্ত, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম শাহজাহান,জাফর আহমদ, মঞ্জুর হোসেন, দুলাল বড়–য়া, এমএস আজম খান,বাবুল মিয়া মেম্বার, , সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা, জিয়াউল হক সমুন, আবদুল লতিফ, আবদুল নবী, দোস্ত মোহাম্মদ খান, মফজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর আলম সুমন, মহিউদ্দিন ইমন, সওকত হোসেন, সারজু মোহাম্মদ নাছের, , আহসান হাবিব চৌধুরী, মনছুর আলম, তপন দে, আরিফুল হক চৌধুরী, মইনউদ্দিন মোস্তফা, হাসান মোঃ রাসেল, জিয়াউল হক রোকন, হাসান মরাদ রাজু, জিল্লুর রহমান মাসুদ, সাখাওয়াত হোসেন পিবলু, দিপলু দে, অনুপ চক্রবর্তী, মোহাম্মদ আসিফ প্রমুখ ।

শনিবার সকালে মন্ত্রীরী রাউজান প্রকেশ করে প্রথম পথসভা করেন রাউজান গহিরা চৌমুহনীতে। এই সভায় রাউজান পৌর প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন আহম্মেদ । সভা শেষে মন্ত্রী নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় যান ১ নম্বর হলদিয়া ইউনিয়নের হযরত ইয়াছিন শাহ্ কলেজ মাঠে। এখানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুল আলম। এরপরে এখান থেকে পথসভা করেন কদলপুর হাইস্কুল মাঠে,পাহাড়তলী চৌমুহনীস্থ, নোয়াপাড়া পথের হাট, ও উরকিরচর ইউনিয়নসহ ৭ পথসভা আয়োজন করা হয় । এসব সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, আবদুল জব্বার সোহেল, রোকন উদ্দিন ও আবদুল করিম। পথসভা গুলোতে হাজার হাজার নারী- পুরুষের উপস্থিতিতে রূপ নেয় জনসভায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*