“প্রবীণদের সেবা দিন, নিজের বার্ধক্যের প্রস্ততি নিন”

“প্রবীণদের সেবা দিন, নিজের বার্ধক্যের প্রস্ততি নিন”

নিজস্ব প্রতিবেদক;  “প্রবীণদের সেবা দিন, নিজের বার্ধক্যের প্রস্ততি নিন” এই শ্লোগানটি সারা দেশ ও বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সভ্যতা ৪ র্থ বারের মতো বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত প্রবীণদের সুবিধা প্রদানের জন্য জনসচেনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২৬ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার, বিকাল ৪ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি চত্বরে উড্ডয়ন করা হয় “পিতা-মাতাকে না বলা কথা” শতাধিক চিঠি, গ্যাস বেলুন দিয়ে।

বার্ধক্য বিষয়ে অনুষ্ঠান কিন্তু বাংলাদেশে তেমন হয় না কিন্তু অ™ভুত ব্যাপার হলো বার্ধক্য প্রতিজন মানুষের সমস্যা।এক্ষেত্রে ব্যাক্তি পরিবার যতটুকু অনাগ্রহ- উদাশীল, রাষ্ট্র-সরকার জাতীসংঘ এর বিপরীত, অর্থাৎ তারা যথেষ্ট এগিয়ে আসছে।আমাদের উচিৎ বিশ্বের ডাকে , রাষ্ট্রের ডাকে, সরকারের ডাকে নিজের বার্ধক্য মুকাবেলায় এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং আমাদের তথ্যগুলো সবার কাছে ছরিয়ে দেওয়া, যাতে করে আমরা নিজেরা ভাল থাকতে পাবি, ভাল রাখতে পারি। প্রবীণদের ভাল রাখলে আপনি নিজেও ভাল থাকবেন। বার্ধক্য এমন একটা সমস্যা , বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়স্ক যারা আছেন তাদেরকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেছেন সিনিয়র সিটিজেন। প্রায় দের কোটি বা তার বেশী বাংলাদেশী প্রবীণের সংখ্যা। ২০২৫ সালে এদের সংখ্যা হয়ে যাবে প্রায় ২ কোটি, ২০৫০ সালে এদের সংখ্যা হয়ে যাবে প্রায় সাড়ে চার কোটি. ২০৬০ সালে এদের সংখ্যা হয়ে যাবে সাড়ে ৫ কোটি অর্থাৎ দ্রুততার সঙ্গে বাড়ছে এবং আমরা যাদের বলি অতি প্রবীণ অর্থৎ ৮০ বছরের বেশী, তাদের বৃদ্ধির হার যে কোন প্রজন্ম থেকে সবচেয়ে বেশী এবং ঐ সময়ে নিজেকে কোনরকম কোন ধরনের উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত রাখা সনম্ভব হয় না। বরং তাকে সেবা দেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমানে অর্থ ব্যায় করতে হয়, প্রচুর পরিমানে সেবার ব্যাবস্থা করতে হয়। তাদেরকে আমরা সম্মান দিচ্ছি না ,তাদের যে অধিকার, সেই বিষয়ে অমরা চিন্তা করছি না, সেবা করছি না, এগিয়ে আসছি না। সেই ব্যাপারে সচেতন করার জন্য মানুষকে এগিয়ে আসার জন্য সভ্যতা আহ্বান করছে।
অমরা বর্তমানে সমাজে বা পরিবারে প্রবীণ যারা আছেন, তাদের সেবা যতœ, তাদের অধিকার, তাদের যে ন্যায্য স্বার্থ, সেটা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে যেমন অমরা উদাশীল, তার থেকেও বেশী উদাশীল আমি যে একদিন প্রবীণ হব বা বর্তমান প্রজন্ম যে একদিন প্রবীণ হ্েব এবং প্রবীণের যে বিরম্বনা, যে কষ্ট দুঃখ এগুলাকে মোকাবেলা করার জন্য যে প্র¯ত্ততি নেওয়া জন্য যা করা দরকার, সেই সব বিষয়ে কিন্তু আমরা বাংলাদেশের মানুষ ভিষন উদাশীল। কেহই কিন্তু বার্ধক্যের হতে থেকে রেহাই পাবে না। বেচেঁ থাকলে আমাদের বার্ধক্যে পৌছতে হবেই। সেই বার্ধক্য যেন সস্থিময় এবং কর্মময় হয়, তার জন্য এখন থেকেই প্র¯ত্ততি নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে উদ্ধোধন করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চেন্সেলর প্রফেসর ড.মোঃ আক্তারুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন সামজিক সংগঠনগুলো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে প্রবীণদের প্রতি সম্মান ও নিজেদের বার্ধক্যের প্র¯ত্ততির জন্য একাত্বতা প্রকাশ করেন।
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, বয়স্ক ভাতা, বিধাবা ভাতা ও বিভিন্ন ভাতা বিষয় বাস্তবায়নের জন্য বক্তব্য রাখেন, পৃরান ঢাকা মঞ্চের পক্ষে মোস্তাক রহমান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন সভ্যতার চেয়ারম্যান রেজওয়ানা হোসেন সুমী এবং অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন সভ্যতার সিইও আলোকচিত্র সাংবাদিক শাকিল হোসেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আনোয়ার হাসান বাবু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*