জৈন্তাপুরে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার

জৈন্তাপুরে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি- সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে এবং অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানা যায়, বিগত ১০ অক্টোবর উপজেলার ৫নং ফতেপুর ইউনিয়নের বাঘেরখাল গ্রামের বশির আহমদের বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।এঘটনায় বশির আহমদ বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত করে তাদের সন্ধান পায়।
এঘটনার অন্যতম আসামী কুমিল্লা মতলব থানা এলাকায় অবস্থান করছে এমন তথ্যর ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মইনুল জাকিরের দিক নির্দেশনায় এসআই সুজন কুমার আর্চায্য কুমিল্লা মতলব থানা পুলিশের সহায়তায় ডাকাত দলের ১ সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটককৃত ডাকাত সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের নগরডেঙ্গী গ্রামের মুহিব মিয়ার ছেলে হারুনুর রশিদ হারুন (৩২)।
পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সম্প্রতি বাঘেরখাল গ্রামের বশির আহমদ এবং চিকনাগুল ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়ীতে ডাকাতির কথা স্বীকার করে এবং ডাকাতির সাথে আরো জড়িত আছে তথ্য প্রদান করে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার এসআই আজিজুর রহমান, এএসআই রায়হান কবির, এএসআই তাজুল ইসলাম সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হারুনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঘেরখাল গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে সেলিম আহমদ (৩৩) কে আটক করে। আটকের পর তারা উভয়েই উপজলার বাঘেরখাল ও চিকনাগুল ইউনিয়নের বিভিন্ন ডাকাতির কথা স্বীকার করে।
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং গুলি তাদের নিকট রয়েছে বলে জানায়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে পুলিশ ২৮ অক্টোবর চিকনাগুল ইউনিয়নের কাহাইগড় পেট্রো বাংলার টিলার উপর বটগাছের নিচে মাটিতে পুতে রাখা ১টি এল.জি গান সহ ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
২৯ অক্টোবর বিকাল ৩টায় আটককৃত ডাকাত দলের ২সদস্য সেলিম ও হারুনকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় ২টি মামলা রয়েছে। বর্তমান অস্ত্র আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছ। মামলা নং-১০, তারিখঃ ২৯-১০-২০১৮।
আটককৃত ডাকাতদের অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মইনুল জাকির বলেন ডাকাতির মামলাটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাই এবং তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হই। তিনি আরো বলেন তার থানা এলাকায় যে কোন অপরাধ দমনে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে যাচ্ছেন এবং তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*