অসাম্প্রদায়ীক ও আধুনিক বাঁশখালী গড়ার অঙ্গীকারঃএমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী ড.মোঃ জামির উদ্দীন সিকদার

অসাম্প্রদায়ীক ও আধুনিক বাঁশখালী গড়ার অঙ্গীকারঃএমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী ড.মোঃ জামির উদ্দীন সিকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক :  ড.মোঃ জামির উদ্দীন সিকদার ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।তার বলিষ্ট রাজনৈতিক কর্মদক্ষতায় ২০১৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক মনোনীত হন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান (সি.আর.আই) এর সূচনা লগ্ন থেকে অদ্যবধি উপদেষ্টা (অর্থ) হিসাবে নিরলসভাবে দেশ জনগণ ও দলের জন্য কাজ করে চলেছেন। তিনি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালী (চট্টগ্রাম-১৬) আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান। নির্বাচন প্রসঙ্গ এবং নির্বাচনে জয়ী হলে আগামীর পরিকল্পনা কি এই বিষয়ে ড. জমির সিকদার সিটিজি পোস্ট ডটকম’কে বলেন,আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে তরুণ মেধাবীদের বেশী প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং বিগত নির্বাচনে তার প্রতিফলন দেখেছি, সেই ধারাবাহিকতায় আমিও একজন প্রার্থী হতে চাই। এলাকার বেকার যুবকদের কাজের ব্যবস্থা করা, উচ্চ শিার পরিবেশ সৃষ্ট করা, ৫০০(পাঁচশত) শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ব্যবস্থা করা, গ্রামীন জনপদের রাস্তার উন্নয়ন, মাদক নির্মূল করা, টেকনিক্যাল শিার প্রসার, পর্যটন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও শিল্পকারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা। তিনি আরও জানান, আমি যদি মনোনয়ন পায় তাহলে তরুণ ও অবহেলিত প্রবীণদের নিয়ে বাঁশখালীর গনমানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করব। তিনি জানান, বাঁশখালীতে পর্যটন শিল্পের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। আমি এমপি হলে সর্ব প্রথম এই শিল্পের উন্নয়নে দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করব যাতে এই অঞ্চলের মানুষকে কাজের জন্য বিদেশ যেতে না হয়। এলাকা মাদক মুক্ত করার জন্য তরুণদের নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলব যাতে তরুণ সমাজ মাদকের থাবা থেকে নিজেদের রা করতে পারে। ড.মোঃ জামির উদ্দীন সিকদার ১৯৭৫ সালে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকুপ গ্রামে জনা¥গ্রহন করেন। বাবা রাজা মিয়া সিকদার একজন ব্যবসায়ী ও মা শাহাজ্জাহান বেগম একজন গৃহিনী। পড়ালেখা করেছেন বাঁশখালীর চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে সাতকানিয়া সরকারী কলেজ হয়ে চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজ, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ ভারত ও লন্ডনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*