টাকা পয়শা ছাড়া অসংখ্য মানুষের চাকরি দিয়েছে এমপি ওমর ফরুক চৌধুরী

টাকা পয়শা ছাড়া অসংখ্য মানুষের চাকরি দিয়েছে এমপি ওমর ফরুক চৌধুরী

সরোয়ার হোসেন,তানোর: রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধূরী (এমপি) দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে ‘ফারুক ভাই’ বলে পরিচিত, সবার কাছে তিনি একজন সৎ রাজনীতিকের প্রতিকৃতি, জন ও কমীবান্ধব নেতারর্ মডেল। রাজশাহী অ লের মানুষ রাজনীতিতে সৎ, জন ও কর্মীবান্ধব নেতার উদাহারণ দিতে গিয়ে সবার আগে ফারুক চৌধূরির নামটি উচ্চারণ করেন। রাজনীতিতে জন ও কর্মীবান্ধব নেতা এবং সৎ রাজনৈতিক নেতার মডেল হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়। ব্যক্তি জীবনে তিনি যেমন বিলাস-প্রচারবিমূখ সাদামাটা, তেমনি সরস কৌতুকপ্রিয়, কর্মী ও জনবান্ধব রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও সর্ব মহলে প্রশংসিত। এসব বিবেচনায় সাধারণের কাছে থেকে তিনি পেয়েছেন গণমানুষের নেতার উপাধী। এছাড়াও রাজনৈতিক সহাবস্থান ও গণমানুষের নেতা হিসেবে এখানো তিনি সর্ব মহলে দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে সমান জনপ্রিয়। এখানো তাঁর বাড়িতে গিয়ে অন্তত্ব এক কাপ চা অথবা মিষ্টি খাননি, নির্বাচনী এলাকায় এরকম একজন মানুষকেও খুঁজে পাওয়া দুঃস্কর। এমনকি বিরোধীমতের রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মীসমর্থকরা ‘ফারুক ভাই’ সম্বোধন করে খুব সহজেই তার কাছে যেকোন সমস্যা তুলে ধরে সহযোগীতা চাইতে পারেন। তিনিই প্রথম এই অ লে রাজনৈতিক সহবস্থান সৃস্টি করে জনমনে পরম স্বত্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি কখনই সাধারণ মানুষে নিয়ে কুটিল রাজনীতি করেন না। অবার অনেকে রাজনীতিতে এসে ব্যবসায়ী হয়েছে আর এমপি ফারুক সফল ব্যবসায়ী (শিল্পপতি, সিআইপি) থেকে রাজনীতিতে এসেছেন। তার অবৈধ অর্থলিপসা না থাকায় অনেকের সঙ্গে তার পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
জানা গেছে, রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ীর রাজনীতির ইতিহাসে সব সময় সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা এলাকাকে অশান্ত করে রাখতেন, অথচ আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের একটানা দ্বিতীয় মেয়াদও পূর্ণ হতে চলেছে কিšত্ত এখানো এখানে ভিন্ন চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমপি ফারুকের প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টি হওয়ায় রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান হয়নি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে। অথচ তানোর-গোদাগাড়ীর রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি ও জামায়াত এক সময় সহিংস রাজনীতির পথে হেঁটে এখানকার শান্তিময় পরিবেশ অশান্ত করে তুলেছিল। কিšত্ত এমপি ফারুকের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহবস্থান সৃষ্টি করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে নেতৃত্ব নিয়ে বিভাজন নেই তা নয়, তবে বিভাজন থাকলেও তাতে সহিংস রুপ নেই। পক্ষান্তরে বিরোধীদলের ওপর সরকার দলের অত্যাচার ও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানোর সেই করুণ ইতিহাস এখন কেবলই দুঃসহ স্মৃতি। তানোর-গোদাগাড়ী এখন বিরোধীদল বিনা বাধায় নির্বিঘেœ তাদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারছে। অথচ বিএনপি-জামায়াত আমলে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের মূখে বছরের পর বছর পালিয়ে বেড়িয়েছে। মিথ্যা মামলায় বহু নেতাকর্মী মাসের পর মাস কারাবরণ করেছে। তাদের অনেকেরই নিকট আতœীয়-স্বজনের মূত্যুর পর জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আন্দোলন কর্মসূচি তো দুরের কথা জাতির জনক ও স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও রমজানে ইফতারের অনুষ্ঠান করতে দেয়া হয়নি আওয়ামী লীগকে। বর্তমানে রাজনৈতিক বিবেচনায় বিরোধীদলের কোনো নেতাকর্মী মিথ্যা মামলা কিংবা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না। এরকম একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত না হওয়ায় বিএনপি ক্ষমতায় না থেকেও দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দ্বল ও অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের নেতা-কর্মী ও ক্যাডারদের মধ্যে সংঘটিত একের পর এক সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তানোর-গোদাগাড়ী সুস্থধারা ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বত্বি বিরাজ করছে। সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নিকট দিনবদলের যে প্রতিশ্র“তি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই প্রতিশ্র“তির বাস্তবায়ন করতেই তিনি রাজনীতিতে সুস্থধারা, সহবস্থান ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু করেছেন। তবে রাজনৈতিক দুর্বুত্তায়ন ও লেজুড় বৃত্তি করতে না পেরে নিজ দলের একশ্রেণীর নেতাকর্মী তার ওপর ক্ষুব্ধ হলেও দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরম স্বস্তি বিরাজ করছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট ও অপব্যবহার করতে না পারায় এসব নেতাকর্মী তুষ্ঠ হতে পারছে না তারা বিভিন্ন কৌশলে এমপি ফারুকের বিরোধীতা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগের বিরোধীতায় সম্পৃক্ত হচ্ছে। অথচ বিগত দিনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা টিআর, কাবিখা, কাবিটা, টেন্ডারবাজী, গভীর নলকুপ অপাটের ও অনিয়ম-দূর্নীতির করে রাতারাতি অগাধ ধনসম্পত্তি অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কিšত্ত সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর অর্থলিপসা না থাকায় দলের নেতাকর্মীরা এসব অনৈতিক কর্মকান্ড করতে পারছে না। এসব নেতাকর্মী সাংসদের কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট হতে না পারলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল, শুশিল সমাজ, সচেতন মহল এবং দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ সাংসদের এমন ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করছে, ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ফলে নির্বাচনী এলাকায় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তানোর-গোদাগাড়ীর দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ গণমানুষের নেতা হিসেবে ফারুক চৌধূরীকে নিয়ে গর্ববোধ করছে। এছাড়াও এমপি ফারুকের অর্থলিপসা না থাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যর তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি তিনি সরকারি কলেজ নির্মাণের জন্য দান করেছেন এবং এখানো এমপির সম্মানি ভাতার একটি টাকাও তিনি সিজে গ্রহণ না করে তা এলাকার হতদরিদ্র নেতাকর্মীদের মধ্যে দিয়ে আসছেন। আবার চাকরি মেলা করে এলাকার হাজার হাজার বেকার জনগোষ্ঠির আতœকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন।
অন্যদিকে তানোরের আমশোমথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনা পয়সায় নৈশপ্রহরী নিয়োগ দিয়েছেন হতদরিদ্র পরিবারের দুইজনকে। তানোরের কলমা ইউপির ঘৃতকা ন গ্রামের মুনসুর আলীর পুত্র হাফিজুর রহমান পুলিশের সার্জেন্ট, পিপঁড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের পুত্র আব্দুল মালেক পুলিশের এএসআই,চৌরখৈর গ্রামের মৃত জানবক্সের পুত্র নাইমুর রহমান পুলিশ কন্সটেবল, এনায়েতপুর গ্রামের শ্যামল সিং এর কস্যা শ্যামলী সিং পুলিশ কনেস্টবল, চৌরখৈর গ্রামের বয়ান উদ্দিনের পুত্র আইয়ুব আলী স্বাস্থ্য সহকারী, শংকরপুর গ্রামের তাজেমুদ্দিনের কন্যা তানজিলা পুলিশ কন্সটেবল,জালাল উদ্দিন স্বাস্থ্য সহকারী, বিল্লী গ্রামের পুর্ণিমা মাছি পুলিশ কন্সটেবল, সাজ্জাদ আলীর পুত্র সোহেল রানা পুলিশ কন্সটেবল,এনায়েতপৃর গ্রামের আব্দুর রহমানের পুত্র তরিকুল ইসলাম পুলিশের এএসপি, মালবান্ধা গ্রামের আজিজ মন্ডলের কন্যা রিক্তা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, দেলোয়ার হোসেন জেলা জজ,ধানতৈড় গ্রামের আব্দুল্লাহ বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক,কামেল মারডি মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, চন্দনকৌঠা গ্রামের মেকরাইলের পুত্র সেলিম পুলিশের এসআই, গোল্লাপাড়া গ্রামের বুরজাহান পুলিশের এসআই ও আমশো তাতিয়ার পাড়া গ্রামের আলফাজের ভাই মাসুদ রানা পুলিশের সার্জেন্ট প্রমূখ। এমপি ফারুক চৌধূরীর হাতে এদের চাকরি হয়েছে বিনা পয়সায়। এ ছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় এ রকম শত শত বেকার ছেলে-মেয়েদের চাকরি হয়েছে বিনা টাকায়। এসব বিবেচনায় এই অ লের দলমত নির্বিশেষে মানুষ আবারো তাকেই এমপি হিসেবে দেখতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*