মহাজোটের প্রার্থী হতে চান বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ

মহাজোটের প্রার্থী হতে চান বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ

স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি’র মহাসচিব সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সর্বস্তরের জনগণ ও স্থানীয় তৃনমূল নেতা-কর্মীদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব, গণমানুষের নেতা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা সৈয়দ বংশের (পীর বাড়ির) প্রদীপ সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান হিসেবে, উদীয়মান নেতা, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ মনোনয়ন পেলে অবহেলিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এর সর্বস্তরের জনগণের ও ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে।

এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, সুখে-দু:খে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে জন সাধারণের মনি কোঠায় স্থান করে নিয়েছেন সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ। তিনি ছোট বেলা থেকেই এলাকার মানুষের পাশে ছিলেন ছায়ার মতো।

রাজনীতিগত ভাবে ছাত্রাবস্থায় মিরপুর কলেজে ছাত্র সংসদের এজিএস হিসেবে রাজনীতিতে পদার্পন করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কয়েক বছর এই দায়িত্ব পালন করার পর সেখান থেকে অব্যাহতি নেন এবং সাংবাদিকতার পেশায় যুক্ত হন। প্রথমে তিনি সাপ্তাহিক তিতাস পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন। পরে জাতীয় দৈনিক এশিয়াবানী, দৈনিক একাত্তর পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় সাপ্তাহিক উদয়ের পথে, সাপ্তাহিক কাবেরী পত্রিকার প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এরই মধ্যে ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির চেয়ারম্যান জাতীয় নেতা শেখ শওকত হোসেন নিলুর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং এনপিপির যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে এনপিপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন। শেখ শওকত হোসেন নিলু’র মৃত্যুর পর নৈতিক কারণে এনপিপি থেকে পদত্যাগ করেন এবং সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অধ্যক্ষ ডা: এম এ মতিন এর প্রতিষ্ঠিত “বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি” তে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি’র মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মনোনয়নের বিষয়ে আশাবাদী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*