কচুয়ায় এরোলাইত বায়োগ্যাস এনজিও সংস্থার ম্যানেজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও

কচুয়ায় এরোলাইত বায়োগ্যাস এনজিও সংস্থার ম্যানেজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও
মোঃ মহসিন হোসাইনঃ 
চাঁদপুরের কচুয়া পৌর বাজারের কড়ইয়া সড়কের পাশে এরোলাইত বায়োগ্যাস এনজিও সংস্থার ম্যানেজার শামসুল আলম খোকন প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।দীর্ঘ (৮)আট মাস যাবৎ গ্রাহকরা বহু সন্ধান চালিয়েও উধাও হয়ে যাওয়া শামসুল আলমের কোনো হদিস পাচ্ছেনা।খোকন কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিন ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের নুরু ডাক্তার বাড়ির মৃত শামসুল হকের পুত্র।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংস্থার অফিসের সাইনবোর্ড গুটিয়ে নিয়েছে।এছাড়া ম্যানেজার শামসুল আলমের রাজাপুর গ্রামের বাড়ি-ঘর তালাবব্দ।
স্থানীয় লোকজন জানায়,ম্যানেজার প্রায় ১ বছর পূর্বে তার পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রাম থেকে চলে যায়।তার গ্রাম এলাকার ভুক্তভোগী আবু তাহের জানান- খোকন এনজিও থেকে গরু, ছাগল এবং বিদেশ নেয়ার নামে লিখিত স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে আত্নসাৎ করে।এছাড়াও কচুয়া পৌর সদর এলাকার পলাশপুর গ্রামের রাশেদা বেগমের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা, গোহট উত্তর ইউনিয়নের নাউলা গ্রামের পারুল আক্তারের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা, গোহট দক্ষিন ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রামের জদু চন্দ্র মজুমদারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা, শাহরাস্তি উপজেলার ছিখতিয়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও হাজীগঞ্জ উপজেলার হরিপুর গ্রামের হেদায়েত উল্লার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা সহ কচুয়া শাহরাস্তি, হাজিগঞ্জ ও বরুড়া উপজেলার প্রায় দুইশত গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যান।
ভুক্তভোগীদের অনেকেই সর্বস্ব হারিয়ে খুবই মানবেতর জীবন-যাপন করছে।কচুয়া উপজেলা সমবায়, যুব উন্নয়ন ও সমাজ সেবা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত সংস্থাটি কোন রেজিষ্ট্রেশন নেয়নি।
এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির বলেন- আমার জানামতে এ এনজিওটির কোন ভিত্তি নেই। ভুক্তভোগীদের পাওনা ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য ম্যানেজারকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*