আওয়ামী রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের সম্ভাবনায় রাজনীতিবিদ তারুণ্যের আইকন প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া

আওয়ামী রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের সম্ভাবনায় রাজনীতিবিদ তারুণ্যের আইকন প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া
স ম জিয়াউর রহমান ও মো: কুতুব উদ্দিন রাজু : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া তারুণ্যের আইকন ও তরুণ প্রজন্মের ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক মডেল। চুয়েট ছাত্রলীগের দু’বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নেতৃত্বে থাকা অবস্থায় নব্বই এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তীতে জামায়াত বিএনপি জোটের শাসন আমলে নির্যাতিত হন এ তরুণ রাজনীতিবিদ। প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোপরি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে গৃহায়ন লিমিটেডের অন্যতম কর্ণধার তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়ার অবদান অনন্য। প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়ার আস্থার ঠিকানা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদও লাভ করেন। তার এই সাফল্যে ফটিকছড়িবাসী গর্বিত ও আনন্দিত।
প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়ার জন্ম ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত বনেদী পরিবারে। তার পিতা অধ্যাপক প্রকৌশলী মৃণাল কান্তি বড়–য়া। তিনি সাবেক বিভাগীয় প্রধান (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। তার গর্বিত মাতা মিসেস বীণাপানি বড়–য়া প্রাক্তন শিক্ষিকা ও সু-গৃহিনী। তারই বড় ভাই প্রকৌশলী পুলক কান্তি বড়–য়া (সাবেক প্রকৌশলী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ) আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত গৃহায়ণ লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এছাড়া তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের সভাপতি ও বাংলাদেশ মূলনিবাসী ইউনিয়নের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার মেজ ভাই প্রকৌশলী শান্তনু বড়–য়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। চট্টগ্রামে প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়ার পরিবার একটি শিল্প উদ্যোক্তা পরিবার, শিল্প পরিবার ও প্রকৌশলী পরিবার হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত ও প্রশংসিত। এই শিল্প পরিবারের পিতা-মাতার যোগ্য তিন সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ রাজীব বড়–য়া ছোটবেলা থেকেই চৌকস ও দূরদর্শী হয়ে উঠেন। প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির পরিবারে বেড়ে উঠা রাজীব বড়–য়া ছোটবেলা থেকেই শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও বিপ্লবী চেতনার অধিকারী হন। কৈশোর থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে অস্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে ফেনী খেলাঘরের সদস্যপদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তার সাংগঠনিক ও রাজনীতির পাঠের সূচনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজীব বড়–য়া ছাত্র রাজনীতিতে পদার্পণ করেন চট্টগ্রামের মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের হাত ধরেই।
ছাত্র রাজনীতি : ছাত্রজীবন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গড়ে ওঠা রাজীব বড়–য়ার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৯০ সালে ছাত্র জীবনে স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে স্লোগানের মধ্যদিয়ে জাতীয় রাজনীতির হাতেখড়ি। ১৯৯১-৯২ সালে তৎকালীন জামাত শিবিরের দূর্গ খ্যাত হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন রাজীব বড়–য়া। ১৯৯৬ সালে বিআইটি (বর্তমানে চুয়েট) ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হন রাজীব বড়–য়া। ১৯৯৭-২০০১ সালে বিআইটি (বর্তমানে চুয়েট) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন। ২০০২ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব নির্বাচিত হন সাহসী, তারুণ্য এ রাজনীতিবিদ।
শিক্ষাজীবন : অত্যন্ত মেধাবী রাজীব বড়–য়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে টেলেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় সফলতার সাথে ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে সাবেক বিআইটি (বর্তমানে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে মানব সম্পদ বিষয়ের উপর এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।
কর্মজীবন : ২০০৫ সালে শিক্ষাজীবন শেষ করে চট্টগ্রামের চন্দনাইশের কৃতী সন্তান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আবছার উদ্দিনের প্রতিষ্ঠান বিজিসি ট্রাস্ট-এ রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করে কর্মময় জীবনের সূচনা করেন। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার আবছার উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও একান্ত সহকারি হিসেবে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭ সালে রেভেল কনষ্ট্রাকশন-এ উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে গৃহায়ণ লিমিটেড-এ পরিচালক হিসাবে যোগদান করেন। ২০১৩ সালে জাপানী প্রতিষ্ঠান …. এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০১৪ সালে ওমানে অভধয় ওহাবংঃসবহঃ এর পরিচালক মনোনীত হন। ২০১৪ সালে চীনের এড়ঁংযবহম ঝঃববষ ঝঃৎঁপঃঁৎব পড়সঢ়ধহু কান্ট্রি চীফ রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০১৫ সালে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ঈযরহধ চবঃৎড়ষবঁস চরঢ়ব খরহব ইঁৎবধঁ বাংলাদেশের আনারারী ডেপুটি ডিরেক্টর নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
ব্যক্তিজীবন : প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া ব্যক্তি জীবনে বিবাহিত। তার সহধর্মিনী ডাঃ তিথি বড়–য়া। তিনিও একজন স্বনামধন্য গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেমন মাতৃসদন হাসপাতালে কর্মরত। তাদের একমাত্র কন্যা ঋদ্ধি বড়–য়া প্রি ক্যাডেট স্কুলে অধ্যয়নরত।
সামাজিক জীবন : প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল সংগঠনের সাথেও জড়িত। তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোক্তা সভাপতি, ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর দু’বারের নির্বাচিত কাউন্সিল সদস্য ও নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি জাপানের রাজপরিবারের কবরসধপযরপঁ কঁৎর ঋড়ঁহফধঃরড়হ বাংলাদেশের মহাসচিব। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম কিডনি ফাউন্ডেশনের সদস্য। চট্টগ্রাম বৌদ্ধ সমিতি, বিএলআইএ, বৌদ্ধ সমাজ সংস্কার আন্দোলন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ক্লাব ও খুলশী ক্লাবের সদস্য।
জেল জুলুম ও নির্যাতন : ১৯৯৫ সালে বিএনপি সরকার আমলে তৎকালীন পাঁচলাইশ থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ এর নেতৃত্বে বিএনপির ঢান্ডা বাহিনী ষোলশহর ২নং গেইটে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতাল পালনরত অবস্থায় রাজীব বড়–য়া অপরিসীম পুলিশ নির্যাতনের শিকার হন। তার সাথে ছিলেন তৎকালীন কর্মাস কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ডিউক ও যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন সাগর। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে পাঁচলাইশ থানায় নিয়ে গেলে বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মীর বাধার মুখে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। ২০০১ সালে বিএনপি জামাত চক্র ক্ষমতায় আসার পর রাজীব বড়–য়া চট্টগ্রাম বিআইটিতে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন অস্ত্রের মুখে তৎকালিন বিএনপির নেতা ও যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদেরের লেলিয়ে দেওয়া গুন্ডা বাহিনী কর্তৃক চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিতারিত হন। রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার রাজীব বড়ুয়া দু’বার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় মূল্যবান শিক্ষাজীবন তিন বছর পিছিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তৎকালীন উপচার্য অধ্যাপক ড. শ্যামল কান্তি বিশ্বাস এর সহায়তায় ক্যাম্পাসে ফিরে এবং ২০০৫ সালে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।
বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান : ছাত্র রাজনীতির পর প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া পেশাজীবী রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। ২০০৬ সালে তিনি পেশাজীবী রাজনীতির সর্বশ্রেষ্ঠ প্লাটফর্ম বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হন। অদ্যাবধি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার প্রত্যয়ে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। ২০১৪-সালে প্রতিষ্ঠা করেন ইয়ং ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিদেশ ভ্রমণ : কর্মজীবনে তিনি রাশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, নেপাল, মালদ্বীপ ও হংকং সফর করেন।
পুরস্কারপ্রাপ্তি : প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়ার প্রতিষ্ঠান গৃহায়ণ লিমিটেড ইন্টারন্যাশনাল ষ্টার ফর লিডারশীপ ইন কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার প্রাপ্ত হন ২০১৪ সালে ফ্রান্স পেরিস থেকে। কোয়ালিটি ক্রাউন এ্যাওয়ার্ড পুরস্কার প্রাপ্ত হন-২০১৬ সালে লন্ডন থেকে। ইন্টারন্যাশনাল ডায়মন্ড প্রাইজ পুরস্কার প্রাপ্ত হন- ২০১৭ সালে ভিয়েনা থেকে।
বর্তমান সময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরতে এবং প্রচারে প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়ার মত প্রতিশ্রুতিশীল, সম্ভাবনাময় ও ক্লিন ইমেজের তারুণ্য নির্ভর রাজনৈতিক কর্মীদের এগিয়ে আসা উচিত। ইতিহাসের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় দেখা যায়, তারুণ্যই শক্তি। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের উন্নয়নে ও অগ্রযাত্রায় তারুণ্যের জয়গান। এক্ষেত্রে বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রে তরুণদের প্রাধান্য দিয়েছেন। দশম জাতীয় সংসদে অনেক তরুণ নেতৃত্ব সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং অনেক তরুণ নেতৃত্ব মন্ত্রী পদে আসীন হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে চমকপ্রদ সৃষ্টি করেছেন। বিগত পাঁচ বছরে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি তারুণ্য রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেন। এছাড়াও জাতীয় সংসদে তারুণ্যের প্রতীক নাদিম রাজ্জাক প্রতিনিধিত্ব করে তরুণদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে তরুণদের প্রাধান্য দেওয়ার আভাস দিয়েছেন। এ নিয়ে সারা দেশে যেমন তোড়জোর আলোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে তা চট্টগ্রামেও থেমে নেই। চট্টগ্রাম থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক মনোনয়ন প্রত্যাশীরাই তরুণ। এদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক চট্টলবীর মহিউদ্দিনের পুত্র ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য ও ড. মাহমুদ হাসানের পুত্র আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ, সিটি ব্যাংক লি: এর পরিচালক ও বিশিষ্ট আইনজীবি ব্যারিষ্টার তানজিবুল আলম ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রাজিব বড়–য়া রাজনৈতিক সূধী মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন। এদের মধ্যে বেশ আলোচ্য হয়ে উঠেন মহিউদ্দিন পুত্র ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও তারুণ্যের পেশাজীবি নেতা প্রকৌশলী রাজীব বড়–য়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*