মানুষ মানুষের জন্য

মানুষ মানুষের জন্য
পাঠানন্ডী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিনিধি :  চন্দনাইশ উপজেলাস্থ বরকল ইউনিয়নের পাঠানন্ডী (সুচিয়া) ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভাবনারত বৈষ্ণবপ্রবর কৃষ্ণস্বপন গোস্বামীর প্রতিষ্ঠিত শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মহতী বৈষ্ণবপাদ্ সেবা, চতুষ্প্রহরব্যাপী ভাগবত পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২৯ নভেম্বও, ২০১৮ ইং সন্ধা ৬ ঘটিকায় শ্রী শ্রী রাধাকষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গনে বৈষ্ণপ্রবর কৃষ্ণস্বপন গোস্বামীর পৌরহিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আর্শীবাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীন ব্রহ্মচারী শ্রীমৎ প্রিয়ব্রত গোস্বামী (তনু) এবং শ্রী মৃদুল দাশের সঞ্চালনায় এক মহতী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্র নেতা প্রখ্যাত াাজনীতিবিদ, নিরলস সংগঠক, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, মানবতাবাদি ব্যক্তিত্ব, ধর্মানরাগী, চন্দনাইশ উপজেলা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জননেতা বলরাম চক্রবর্ত্তী(ভানু)। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ধর্ম তত্ত্ববিদ ও সমাজ চিন্তাবিদ অধ্যাপক শ্রী স্বদেশ চক্রবর্ত্তী। ধর্ম সভায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শ্রী নারায়ন গোস্বামী মহারাজ , ডা. অর্চ্চনা ভট্টাচার্য্য, শ্রীমতি লক্ষীকর চৌধুরী, নারায়ন দাশ, প্রদীপ চৌধুরী, গোপা দাশ প্রমূখ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন শিল্পী পুষ্পিতা মিত্র, তুলি কানুনগো, প্রেমা দাশ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রাজিব ভট্টাচার্য্য, রাজু চক্রবর্ত্তী, মিলন ভট্টাচার্য্য ও রাজিব দাশ প্রমূখ।
সভায় বিপুল ভক্তের সমাগম ঘটে। রাতে নাম সংকীতনের শুভ অধিবাস শেষে ভক্তদের মাঝে তিনদিন ব্যাপী মহোৎসবের মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি বলেন, সনাতনি জনগোষ্ঠিকে সকল ভেদাভেদ ভূলে গিয়ে সকল অপশক্তিকে পরাভূত করে নিজেদের অধিকার আদায়ে আহবান জানান। তিনি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চন্দনাইশের নতুন রুপকার আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে দূর্নীতিমূক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক চন্দনাইশ উপহার দেয়ার আহবান জানান।
সভায় প্রদান বক্তা বলেন, সকল ধর্মের মূল মন্ত্র হল মানুষে মানুষে মহামিলন। মানুষের মধ্যে দিয়ে ¯্রষ্টার নৈকট্য লাভ করা যায় এবং এতে মানব জীবনের সার্থকতা আসে। আমাদের উচিত আত্ম মানবতার সেবার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক সমাজ নির্মাণ করে আগাগী প্রজন্মকে বাসযোগ্য করে তোলা। আর এজন্য আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। মানুষ মানুষের বৈষ্যম্য গোছাতে ধর্মের মর্ম বাণী আমাদের হৃদয়ক্কম করা উচিত। এতে সমাজ কলূষমুক্ত হতে পারে। যত অন্যায় অসত্য পরাভূত করে সুন্দর একটি সমাজ বিনির্মানেই ধর্মের মূল আহবান। উপরোক্ত বক্তারা ধর্ম সভায় বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*