সুস্বাদু খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

সুস্বাদু খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

মোহরম আলী সুজন,সীতাকুণ্ডঃ বৈচিত্র্যপূর্ণ ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। একেক ঋতুর রয়েছে একেক বৈশিষ্ট্য। তেমনি এক ঋতু হেমন্ত। এই ঋতুতেই দেখা মেলে শীতের। এই শীতে পাওয়া যায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু পানীয় খেজুরের রস। সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, প্রতি বছরের মতো এবছরও দেশের বিভিন্ন জায়গার মতো খেজুরের রস সংগ্রহের জন্য গাছিরা খেজুর গাছের মালিকের সাথে চুক্তি করে রস সংগ্রহ করার জন্য গাছ প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে। শুরু করেছেন প্রাথমিক পরির্চযাও। শীত শুরু হওয়ার সাথে সাথে খেজুর গাছ কাটার প্রতিযোগিতায় গাছিরা খেজুর গাছ পরিস্কার করার জন্য গাছি দা, পাটের দড়ি,মাটির কলস,বাঁশের চটি ব্যবহার করে থাকে । এক সপ্তাহ পরই আবার গাছে চাছ দিয়ে নলি ও গুছা লাগানো হবে খেজুর গাছ থেকে রস বের করতে তিনটি স্তর পেরিয়ে ১৫-২০ দিন পরেই রস আহরণ শুরু করা হবে। বিভিন্ন গ্রামে দেখা যায় রাস্তার পাশে থাকা খেজুর গাছ চাছার দৃশ্য গাছিরা গাছ চাছাড় ব্যস্ত সময় পাড় করছে। আর কিছু দিন পরই মধু বৃক্ষ থেকে সুমধুর রস বের করে গ্রামের ঘরে ঘরে শুরু হবে গুড়, পাটালি, তৈরির উৎসব।সুস্বাদু ও পিঠাপুরির জন্য অতি জুরুরি উপকরণ হওয়াই খেজুরের রসের চাহিদা বেড়ে যায়। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য এই খেজুর গাছ আজ অবহেলায় অজন্তে বিলপ্তির পথে। যে পরিমানে খেজুর গাছ নিধন হচ্ছে সে তুলনায রোপন করা যাচ্ছে না অঞ্চলগুলো থেকে গাছ কমে গেছে। খেজুরের রস জ্বালিয়ে পিঠা,পায়েস, মুড়ি, মোয়া ও নানা রকমের মুখরোচক খাবার তৈরির করার ধুম পড়বে কদিন পরেই । জমির আলী এক গাছির সাথে কথা বলে যানাজায় প্রতি বছরের মতো এ বছরও তিনি খেজুর গাছের রস সংগ্রহে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন তিনি এক সপ্তাহে প্রায় ২০ টি খেজুর গাছ পরিস্কার করে ছিলে রেখেছেন রস সংগ্রহের জন্য গত বছরের তুলনায় এ বছর খেজুর গাছ অনেক কমে গেছে প্রতি বছর শীত এলেই তিনি খেজুরের রস সংগ্রহ করে তা বাজারে বিঞ্য় করে থাকেন। রস বেঁচে সংসার চালান তিনি আরো বলেন প্রতিদিন দুই থেকে তিন ভার খেজুরের রস তিনি সংগ্রহ করেন রস প্রতি কেজি ৪০ টাকা করে বিত্রুী করে থাকেন এতে করে শীত মৈাসুমে রোজগার মোটামোটি ভালো হয় বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*